খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শেরপুর-৩ উপনির্বাচন : বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

জুবায়ের আহমেদ রাসেল:-
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
শেরপুর-৩ উপনির্বাচন : বিএনপি-জামায়াত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস

 

স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের উপনির্বাচন আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপে ইতোমধ্যে সরগরম হয়ে উঠেছে দুই উপজেলা। ভোটারদের মন জয়ে চলছে ব্যাপক প্রচারণা, দেওয়া হচ্ছে নানা প্রতিশ্রুতি। অন্যদিকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে এ আসনকে ঘিরে এখন সারা দেশের মানুষের দৃষ্টি।

গত ১২ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও তার আগেই ৩ ফেব্রুয়ারি জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অসুস্থতাজনিত মৃত্যু হওয়ায় এ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরে পুনঃতফসিল ঘোষণা করে যাচাই-বাছাই শেষে তিনজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন।

প্রার্থীরা হলেন- বিএনপি মনোনীত মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) মার্কসবাদীর প্রার্থী মিজানুর রহমান।

এই নির্বাচনী এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, দিন-রাত প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রার্থীরা। ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীর মধ্যে। উভয় পক্ষই ছাড় দিতে নারাজ, ফলে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মিলছে।

তিনবারের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল এবার ভিন্ন কৌশলে মাঠে নেমেছেন। শুধু দলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্ভর না করে পরিবারের সদস্যদের নিয়েও চালাচ্ছেন প্রচারণা। তার স্ত্রী ফরিদা হক দীপা ও মেয়ে রুবাইদা হক রিমঝিম গ্রাম-গঞ্জে উঠান বৈঠক করছেন। অন্যদিকে ছেলে রাফিদুল হক তরুণ ভোটারদের কাছে টানতে সক্রিয় রয়েছেন। দীর্ঘ দুই দশক পর আসনটি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্য নিয়ে হক পরিবারের এ প্রচারণা ভোটারদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অন্যদিকে মাঠে শক্ত অবস্থানে রয়েছেন জামায়াতের প্রার্থী, অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য মাসুদুর রহমান মাসুদ। তিনি প্রয়াত নুরুজ্জামান বাদলের ছোট ভাই। ভাইয়ের রাজনৈতিক পরিচিতি ও সংগঠনকে কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান সুসংহত করেছেন। ভোটারদের একটি বড় অংশের মতে, এ আসনে বিএনপি বনাম জামায়াতের মধ্যে সরাসরি লড়াই হবে।

শেরপুর-৩ আসনের রাজনৈতিক ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১৯৭৯ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত বিএনপির প্রবীণ নেতা মরহুম ডা. সেরাজুল হকের একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। তার মৃত্যুর পর ১৯৯৪ সালে রাজনীতিতে আসেন তার ছেলে মাহমুদুল হক রুবেল। বাবার জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় ১৯৯৪, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে টানা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।

তবে ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক মেরুকরণের কারণে আসনটি বিএনপির হাতছাড়া হয়। দীর্ঘদিনের সেই অবস্থান বদলে দিতে এবার নতুন করে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছেন রুবেল।

এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক নারী ভোটার। এ বিশাল নারী ভোটব্যাংককে টার্গেট করে বিএনপি প্রার্থীর পরিবার সরাসরি মাঠে কাজ করছে।

নিজের জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, আন্দোলন-সংগ্রাম থেকে শুরু করে দুর্যোগকালীন সময়ে তিনি সবসময় মানুষের পাশে ছিলেন। এলাকার প্রতিটি সমস্যা ও সম্ভাবনা তার জানা। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতের কর্মীরা টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করছে এবং এ বিষয়ে প্রশাসন অবগত রয়েছে।

অন্যদিকে জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ বলেন, এখানকার ভোটাররা এখন সচেতন, তারা পরিবর্তন চায়। চাঁদাবাজি ও অবৈধ দখলদারিত্ব থেকে মুক্তির আশায় মানুষ জামায়াতকে বিকল্প হিসেবে দেখছে।

জামায়াতের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও জেলা সহকারী সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া দাবি করেন, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতীর ১৭টি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার চার লক্ষাধিক ভোটার তাদের ইশতেহার ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাদের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে জয় কারও জন্যই সহজ নয়। ২০ দলীয় জোটের সমীকরণ পরিবর্তনের ফলে জামায়াত প্রার্থী শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন। তাদের সুসংগঠিত কর্মীবাহিনী ও নির্দিষ্ট ভোটব্যাংক বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করেছে।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-৩ আসনে মোট ১২৮টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে গারো পাহাড়ি এলাকার ৩২টি কেন্দ্রকে দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সব মিলিয়ে, বহুমাত্রিক সমীকরণ, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং রাজনৈতিক গুরুত্বের কারণে শেরপুর-৩ উপনির্বাচন এখন জাতীয় আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুজনিত কারণে গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে ঘোষিত তফসিল ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াত আলহাজ্ব মাসুদুর রহমান ও বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী) মনোনীত প্রার্থী মিজানুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনের ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে মোট ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

এম এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার কেনাবেচার নামে প্রতারণার অভিযোগে পাচঁ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে  নবগঠিত ভূল্লী উপজেলায় ৫নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নের বাং রোড সুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন,হলেন মানিক হোসেন (৪৩), হাবিবুর রহমান ওরফে হবি (৪৫), আশরাফুল ইসলাম (৪৭), মনোয়ার হোসেন (৪০) এবং মোখলেছ (৪৮)। তাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান ৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

ভুল্লি থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি ডলার বিক্রয়ের নামে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে রয়েছেন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখার অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার জুবায়েত জাহিদ (৪৪), একই শাখার পিয়ন আজাহার আলী (৫৪), এবং গোলাম মোস্তফা (৫৫)। তারা সবাই নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাসিন্দা।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিদেশি ডলার, সাতটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামত ও নথিপত্র যাচাই করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার এক বৃদ্ধকে দীর্ঘদিন ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল (৭৫) ও তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম-এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফের বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

অসুস্থ মাহমুদা বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তার মেয়েরা। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩ জুন রাতে তিনি মারা যান। পরদিন পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতিকালে বড় ছেলে বাধা দেন এবং বাবাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরে খবর পেয়ে মামুনুর রশীদ-এর নেতৃত্বে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়।

পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকা আব্দুল জলিলকে বের করে আনা হয়। দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি ও তার ছেলে মিলে মাহমুদা বেগমের কবর জিয়ারত করেন।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তবে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও বৃদ্ধকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা ও নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ ও আহত ৫ ক্ষতিগ্রস্ত নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে আজ (০৪ জুন) আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খন্দকার মো. আব্দুর রাকিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলা শাখার আমির এবং অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক। তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে নিহত ১০ জনের পরিবার এবং আহত ৫ জনের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত বক্তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন এবং তাদের পুনর্বাসনে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।