খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত গারো পাহাড়। জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষে বিস্তৃত এই পাহাড়ি এলাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজ বনভূমি ও নান্দনিক পর্যটনকেন্দ্রের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

গারো পাহাড় এলাকায় রয়েছে জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশকেন্দ্র ও মধুটিলা ইকোপার্ক। এ ছাড়া পানিহাটা ও রাজার পাহাড়ও পর্যটকদের কাছে বেশ পরিচিত দর্শনীয় স্থান। প্রতিবছর শীতকাল, ঈদ ও বিভিন্ন সরকারি ছুটির দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন এই পাহাড়ি এলাকায়। পাহাড়, বন আর প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই অঞ্চল ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা এনে দেয়।

ঈদ সামনে রেখে ইতোমধ্যে গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ধোয়া-মোছা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ শেষ করে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে পর্যটনকেন্দ্রগুলো। দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন আয়োজন।

 

রমজান মাসের কারণে এক মাস ধরে এসব পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তবে ঈদের ছুটি শুরু হলে আবারও পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাহাড়ের মনোরম পরিবেশ, শীতল বাতাস ও সবুজ প্রকৃতির টানে এবারও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষাধিক পর্যটক এখানে ভিড় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গজনী বোটক্লাবের ইজারাদার এরশাদ হোসেন বলেন, ‘শীত মৌসুমে পর্যটকের সংখ্যা বেশ ভালো ছিল। কিন্তু রমজান মাসে সাধারণত মানুষ ঘোরাঘুরি কম করায় গত এক মাস দর্শনার্থী কম এসেছেন। এতে কিছুটা ব্যবসায়িক ঘাটতি হয়েছে। তবে ঈদের ছুটিতে আবার পর্যটকের চাপ বাড়বে বলে আশা করছি। সে অনুযায়ী সব রাইড নতুন করে রং করা হয়েছে এবং পর্যটকদের নিরাপদে বিনোদনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

গজনী অবকাশ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন বলেন, রমজান মাসে সাধারণত পর্যটকের সংখ্যা কম থাকে। তবে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। তাই ব্যবসায়ীরা নতুন মালামাল আনছেন এবং বিভিন্ন রাইড ও বিনোদন ব্যবস্থাগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে তুলছেন। ঈদ উপলক্ষে ভালো সাড়া পাওয়ার আশা করছেন তারা।

গজনী অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রটি গারো পাহাড়ের অন্যতম আকর্ষণ। এখানে রয়েছে ভাসমান সেতু, ওয়াটার পার্ক, ওয়াটার কিংডম, প্যারাডোবা, ঝুলন্ত ব্রিজ, রোপওয়ে, জিপলাইনার, ক্যাবল কার, প্যাডেল বোট, সাম্পান নৌকা, আলোকের ঝরনাধারা, মিনি চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্কসহ নানা ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা। এ ছাড়া ওয়ার্চ টাওয়ারে উঠে সীমান্তের পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত।

অন্যদিকে মধুটিলা ইকোপার্কও গারো পাহাড় অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। এখানে রয়েছে স্টার ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার, প্যাডেল বোট, ঝরনা, মিনি চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্ক। পাশাপাশি সুউচ্চ টিলায় ওঠার জন্য নির্মিত দীর্ঘ সিঁড়ি পর্যটকদের কাছে বাড়তি রোমাঞ্চের সৃষ্টি করে। টিলার চূড়ায় উঠে চারপাশের সবুজ পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করা যায়, যা দর্শনার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

এ ছাড়া গারো পাহাড়ের পানিহাটা ও রাজার পাহাড় এলাকায় রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পরিবেশ, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। পাহাড়ি বন, নীরব পরিবেশ ও শীতল আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকায় ভ্রমণ করতে আসা মানুষ প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ পান।

শেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ঈদ উপলক্ষে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও অন্যান্য সুবিধা।

শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাকিল আহম্মেদ বলেন, জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশ কেন্দ্রসহ গারো পাহাড়ের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান ঈদকে সামনে রেখে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে এখানে বরাবরই প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। দর্শনার্থীরা যাতে নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য একটি সুন্দর ও আনন্দময় পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার ঈদে গারো পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ করতে আসা দর্শনার্থীরা নিশ্চিন্তে সময় উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান

স্টাফ রিপিটার ( গাজীপুর) মোঃ লোকমান হোসেন পনির
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান

গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি দল বাসন থানার ভোগড়া এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ কামরুল হাসান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আলামিন হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা জনৈক কামাল হোসেনের গাড়ির ওয়ার্কশপের সামনে অবস্থানরত কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নজরদারিতে রাখেন।
একপর্যায়ে মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানকালে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালিয়ে সর্বমোট ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ড-১৪-০৩৬১) জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার দাসকান্দি এলাকার হুমায়ুন কবিরের ছেলে মোঃ ইমন শাহরিয়ার (২৮) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘোড়াশাল এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ শরিফ (২৮)।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ইমন শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা এবং শরিফের বিরুদ্ধে একটি দস্যুতা মামলা রয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) অশোক কুমার পাল, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মহানগর এলাকায় মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক মোরশেদ, ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন

সিরাজুল ইসলাম-লালমনিরহাট।
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক মোরশেদ, ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন

 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের পূর্ব সারডুবী এলাকার বাসিন্দা মোরশেদ আলম একজন ব্যাটারিচালিত ভ্যানচালক। দীর্ঘদিন ধরে ভ্যান চালিয়ে উপার্জিত আয়েই চলছিল তার ছয় সদস্যের পরিবারের জীবিকা। কিন্তু একটি ভ্যান চুরির ঘটনায় আজ তিনি ও তার পরিবার চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

জানা যায়, গত ২০ জুন রাত প্রায় ১০টার দিকে উপজেলার মিলন বাজার এলাকায় নিজের ব্যাটারিচালিত ভ্যানটি রেখে দিনের ভাড়ার টাকা তুলতে যান মোরশেদ আলম। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে দেখেন, অজ্ঞাত ব্যক্তি তার একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম ভ্যানগাড়িটি চুরি করে নিয়ে গেছে। ভ্যানটি খুঁজে পেতে তিনি বাজারের বিভিন্ন স্থান ও আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করলেও কোনো সন্ধান পাননি। এতে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং পরিবার নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েন।

সরেজমিনে মোরশেদ আলমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, ভাঙাচোরা ও জরাজীর্ণ একটি ঘরে মা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন তিনি। ঘরের পাশাপাশি রান্নাঘরের অবস্থাও অত্যন্ত নাজুক। ভাঙা টিনের বেড়া ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে মানবেতর জীবনযাপন করছে পরিবারটি।
উপার্জনের একমাত্র অবলম্বন হারিয়ে বর্তমানে ধারদেনা করে সংসার চালাতে হচ্ছে মোরশেদ আলমকে। পরিবার-পরিজনের মুখে দুমুঠো খাবার তুলে দিতেও হিমশিম খেতে হচ্ছে তার।

মোরশেদ আলমের প্রত্যাশা, এলাকার সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিরা তার দুর্দশার কথা বিবেচনা করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবেন। একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান পেলে তিনি পুনরায় কর্মে ফিরতে পারবেন এবং পরিবারের জীবিকা নির্বাহের পথ সুগম হবে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আতিয়ার রহমান বলেন, “মোরশেদ আলম অত্যন্ত দরিদ্র একজন মানুষ। ভ্যান চালিয়েই তার সংসার চলতো। ভ্যানটি চুরি হওয়ার পর তিনি কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি ও প্রশাসনের কাছে তার জন্য একটি ভ্যানের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানাচ্ছি।”

স্থানীয়দের দাবি, অসহায় এই পরিবারের পাশে সরকার, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের সামর্থ্যবান ব্যক্তিরা এগিয়ে এলে মোরশেদ আলম আবারও স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারবেন।

নাচোলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

গোলাম রাব্বানী :
প্রকাশিত: বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
নাচোলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত

দাতা সংস্থা নেটস্ বাংলাদেশ ও বিএমজেড সহায়তায় ডাসকো ফাউন্ডেশন কর্তৃক বাস্তায়িত অগ্রযাত্রা প্রকল্পের উদ্যোগে (২৪ জুন) বুধবার নাচোল উপজেলায় বিশ্ব পরিবেশ দিবস -২০২৬ পালিত হয়েছে।

দিবসটি উপজেলার ৪ নং নেজামপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে আয়োজন করা হয়েছে।
দিবস পালন অনুষ্টানে উপস্থিত ছিলেন অত্র পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল হক, ইউপি সদস্য মোঃ আঃ জব্বার, মোঃ বাবুল হক, মোঃ এমদাদুল হক ও নারী সদস্য মোসাঃ গুলনাহার বেগম।

এছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসের শিশু সুরক্ষা বিষয়ক কর্মী মোঃ শহিদুল ইসলাম ও ইউনিয়ন সমাজকর্মী মোঃ জহির উদ্দিন। প্রকল্পের এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর মোসাঃ নিলুফার ইয়াসমিনের সঞ্চালনায় শুরু হয় এবং লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কার্যক্রম বাস্তাবায়ন ও দিবস পালন প্রত্যাশা উপস্থাপন করেন নাচোল ইউনিটের ইউনিট ম্যানেজার আবু হেনা মোহাম্মদ ফিরোজ ইউএম মোঃ রায়হান মন্ডল, এফ এফ মোঃ রেজাউল করিম ও মোঃ নাসির ।
দিবস পালনের কর্মসূচীর মধ্যে র‌্যালী, আলোচনা সভা ও সদস্যদের মাঝে ফলজ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচীতে প্রকল্পের সুফলভোগী ও জনপ্রতিনিধি সহ প্রায় ১০০ এর অধিক মানুষের উপস্থিতি ছিল।

গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক মোরশেদ, ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন নাচোলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত ইসলামপুর পৌরসভার বাজেট ঘোষণা করেন পৌর প্রশাসক নাজমুল হুসাইন নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত।।