খুঁজুন
রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর সাথে সখ্যতায়, কাজপায় কাজল,অনিয়মের অভিযোগ

সিরাজুল ইসলাম-লালমনিরহাট।
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর সাথে সখ্যতায়, কাজপায় কাজল,অনিয়মের অভিযোগ

লালমনিরহাটের

হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর আখতার হোসেনের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিনা টেন্ডারে একের পর এক কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন সেই কাজল। এমন অভিযোগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ ঠিকাদারদের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন ২০২৪ সালে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পর থেকে আজ অবদি পূর্বের ন্যায় ফ্যাসিস্ট সরকারের তালিকাভুক্ত ও নিজের পরিচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে একের পর এক কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ঠিকাদার কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর থেকে হাতীবান্ধার উপজেলা প্রশাসনের বিনার টেন্ডার কাজ প্রকৌশলীর মাধ্যমে বাগিয়ে নিচ্ছেন কাজল। এতে মোটা অংকের লেনদেনের কথাও উঠে আসছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী মাধ্যমে প্রভাতীর দুইটি কাজ দইখাওয়া বাজার ও সিন্দুর্না হাটের সংস্কার কাজ করছেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
হাতীবান্ধা উপজেলার ৩৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা সরবরাহ করেন।

হেনা এন্টারপ্রাইজের পরিচারক কাজল হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগিমারী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মৃত মনছুর আলী ছেলে।

জানা গেছে,লালমনিরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মোতাহার হোসেনে ছেলে ও হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ ও হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে বিগত আওয়ামীলীগের ১৭ বছর হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসনের সকল প্রকার ঠিকাদারি করে আসছেন। এতে তার হেনা ট্রেডার্স নামে লাইসেন্স টিও ভারী হয়ে ওঠেন। কাজল হোসেন নিজেকে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলীর একজন কর্মকর্তা পরিচয়ে সকল ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রকৌশলীর সকল প্রকার কাজ বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখভাল করেন হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর মাধ্যমে। কাজল হোসেন প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ পাওয়া ইউএনওর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথেও সখ্যতা গড়ে তোলেন।

হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, ব্রীজ কালভার্ট ও উন্নয়ন প্রকল্প গুলো কাজের গুণগত মান খারাপ। ঠিকাদারদের সাথে আতাত করে উন্নয়ন প্রকল্প কাজগুলো সম্পন্ন করছেন প্রকৌশলী। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এখনো সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সংস্কারে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার টেন্ডার হলেও প্রথম পক্ষের নাম ঘোষণা করতে আপত্তি করেন উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন। এতেই সন্দেহ সৃষ্টি হয়। প্রথম পক্ষের কাছ থেকে কাজটি নিয়ে প্রকৌশলী অন্য ঠিকাদারদের মাধ্যমে করার বিষয়টি প্রকাশে আসে।

হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়কের কার্পেটিং ও সিলকোড করলেও সম্পূর্ণ হওয়ার এক মাস আগেই তা উঠে যাচ্ছে। এমন অভিযোগ করছে এলাকাবাসীরা।

নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন ঠিকাদার বলেন,টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পেলেও এই প্রকৌশলী সবসময় ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার ও দ্রুত কাজ করার চাপ প্রদান করেন। অপরদিকে কিছু ঠিকাদারের কাজ সম্পন্ন হলেও বিল আটকে রাখেন।

হেনা ট্রেডার্স এর ঠিকাদার কাজল হোসেন বলেন, প্রভাতীর কাজ আমি পাইনি এটি প্রকৌশলীর কাজ। আমি শুধু মিস্ত্রি সাপ্লাই দিয়েছি। প্রকৌশলের সাথে সখ্যতা বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আমার লাইসেন্স খুবই ভারী রন্টুর লাইসেন্স আমার সাথে পারেনা । সিস্টেমের বাইরে কেউ কাউকে কাজ দিতে পারে না। বিষয়গুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

হাতীবান্ধা উপজেলার প্রকৌশলী আখতার হোসেন বলেন,কোন ঠিকাদার কে কাজ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কের বিষয়টি এড়িয়ে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কাজ গুলো চেয়ারম্যান সাহেবরা কাজলের মাধ্যমে করে থাকেন। এখানে আমার করার কিছুই নেই।
প্রভাতীর কাজ প্রকৌশলী ও এল সি এস করছে। আনিত বিষয়গুলো তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। কৌশলী হিসেবে সব জায়গায় আমাকে জবাবদিহি করতে হয়।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন হক বলেন, ঠিকাদার কাজল সাহেব কিভাবে কাজগুলো পান সে বিষয়গুলোর আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ

হোসেন আলি
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ

Oplus_131072

মোঃ : হোসন শাহ্‌ ইসলামপুর জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জেড়ে বিরোধ। গ্রাম্য সালিশি রায় অমান্য করে উল্টো হুমকি।

উপজেলা নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে পশ্চিম নতুনপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আতা,খাজা ও মালেক উদ্দিন জানান, পৈত্রিকসূত্রে আবাদি জমি প্রায় ১একর ৮৬শতাংশ অযথাই সৎ ভাই বাদশা ও কুদরত গংরা গত কয়েক বছর ধরে আমাদের সঙ্গে বিরোধ করে আসছে। এবং জোরপূর্বক ভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল করে রেখেছেন। আমাদের পৈত্রিক সূত্রের জমি পাওয়া এবং নিজেদের ক্রয় করা জমি বেদখল করা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার জন্য অন্তত ১০বার গ্রামের সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির,ইউপি সদস্যসহ উপস্থিতিতে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। নোয়ারপাড়া মৌজা,আরওআর খতিয়ান নং-১৪১২ ও ১৫৫৯ এবং বিআরএস-৩০১৭,৩০১৮ ও ৩৩২১ নং খতিয়ানের ১৪দাগে পৈত্রিক সূত্রে মালিক খাজাগংরা। দুইপক্ষে কাগজপত্রের ভিত্তিতে খাজা,আতা ও মালেকদের জমির দলিলপত্র স্বচ্ছতা পাওয়া তাদের অংশ হিসাবে ১একর ৮৬শতাংশ জমি শালিশিতে রায় হয়।

​ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,বাদশা ও কুদরত হোসেন সালিশি রায় মেনে নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী ও সালিশিতে থাকা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মুঠোফোনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি প্রদান করেন রফিকুল ইসলাম।

স্থানীয় এলাকাবাসী,তুরাপ আলী আকন্দ,ইব্রাহিম আকন্দ ও এশানুর রহমান বলেন,বিবাদীরা প্রভাবশালী এবং তাদের সন্তানরা ভালো চাকরি করার সুবাদে তারা অর্থের দাপট দেখিয়ে অসহায় আতা ও মালেকগং দের পরিবারের তাদের প্রাপ্য জমি থেকে ভয় ভিত্তি দেখায়ে বঞ্চিত করছেন।

এ ব্যাপারে বাদশা ও কুদরত সঙ্গে একাধিক বার মোটফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভুক্তভোগী পরিবারদের পক্ষে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বিবাদীদের এমন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এবং ভুক্তভোগী পরিবার তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে দ্রুত এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান হয়। এবং প্রকৃত মালিক তাদের জমি ফিরে পান।

হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড

 

রংপুর হারাগাছ থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামী পারভেজ রহমান পলাশ (২৬) কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রংপুর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন এ রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাশ হারাগাছ থানার বাহারকাছনার তেলিপারার জাহিদু ইসলামের ছেলে।

মামলা সুত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর নগরীর সাহেবগঞ্জ এলাকায় মাদকসেবী পলাশের ছুরিকাঘাতে এএসআই পিয়ারুল গুরুতর আহত হয়। পরে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়েরসহ আসামী পারভেজ রহমান পলাশকে গ্রেফতার করে। ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণসহ উভয়পক্ষের আইনজীবিদের যুক্তি-তর্ক শেষে আজ আদালত আসামী পলাশের মৃত্যুদন্ডসহ দশ হাজার টাকা অর্থদন্ডের রায় দেন।

এছাড়া আরও দুটি ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ৫ বছরের সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করে আদালত।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর এ এস এম মাহামুদুল করিম (লিটন) জানান, অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমান করতে সক্ষম হওয়ায় আদালত আসামির মৃত্যুদন্ডের রায় দিয়েছেন।

ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়

মোঃহোসন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০০ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয়

 

প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দিয়ে  মঙ্গলবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
উদ্বোধনের সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কিষান–কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রথম ধাপে সারা দেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রায় ২১ হাজার ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ করা হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিতায় জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে কৃষিকার্ড বিতরণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক মো: ইউসুপ আলীর সভাপতিত্বে
প্রধান অতিথি ছিলেন,  বেসামরিক বিমান পরিবহন  ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী  এম.রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মূখ্য আলােচক ছিলেন ইসলামপুর আসনের এমপি সুলতান মাহমুদ বাবু।
বিশেষ অতিথি ছিলেন, জামালপুর সদরের সংসদ সদস্য এড. শাহ ওয়ারেজ আলী মামুন, মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনের এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জেলা পরিষদের প্রশাসক সাবেক
স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী  সিরাজুল হক,পুলিশ সুপার ফারহানা ইয়াসমিন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ সচিব মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।
কৃষি কার্ড বিতরণ হওয়ায়  সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।
কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষক, মৎস্যচাষি ও দুগ্ধ খামারিরা নগদ প্রণোদনা, ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচসুবিধা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষিবিমাসহ মোট ১০ ধরনের বিশেষ সুবিধা পাবেন।
পেশাজীবী হিসেবে কৃষকের স্বীকৃতি প্রদান, আয় বৃদ্ধি এবং ভর্তুকি বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। আগামী চার বছরে ১ কোটি ৬৫ লাখ কৃষকের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এ কর্মসূচির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৮১ কোটি টাকা।
এ সময় উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ হারাগাছ মেট্রো থানার এএসআই পিয়ারুল ইসলাম হত্যা মামলায় আসামির মৃত্যুদন্ড ইসলামপুরে প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষি কার্ড বিতরণ করা হয় মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সেচপাম্প চালকের মৃত্যু'পরিবারে আহাজারি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত