খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারীপ্রধান পরিবার

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ৫:২৪ অপরাহ্ণ
প্রথম ধাপে ফ্যামিলি কার্ড পাচ্ছে ৩৭ হাজার ৫৬৪ নারীপ্রধান পরিবার

নারীর ক্ষমতায়ন, অধিকার, মর্যাদা ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারীপ্রধান পরিবারের নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। পাইলট কর্মসূচির আওতায় প্রথম ধাপে দেশের বিভিন্ন এলাকার ৩৭ হাজার ৫৬৪টি নারীপ্রধান পরিবার এই কার্ডের আওতায় আসছে।

সোমবার (৯ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

তিনি জানান, আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, পরিবারে নারীকে প্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে তার নামে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা সহজে পৌঁছে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

পাইলট প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এজন্য ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ওয়ার্ড কমিটির সদস্যরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থা, সদস্য সংখ্যা, শিক্ষা, বাসস্থান, গৃহস্থালি সামগ্রী, যেমন— টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার ও মোবাইল ব্যবহারের তথ্য, রেমিট্যান্স প্রবাহসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন। পরে এসব তথ্য ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ে যাচাই-বাছাই করা হয়।

মন্ত্রী জানান, পাইলট পর্যায়ে মোট ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। পরে সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্ট বা দারিদ্র সূচকের ভিত্তিতে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।

এর মধ্যে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাইয়ের পর ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়। এরপর একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা গ্রহণ, সরকারি চাকরি বা পেনশনভোগী হওয়া ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে প্রক্সি মিনস টেস্টের ভিত্তিতে সম্পন্ন হওয়ায় উপকারভোগী নির্বাচনে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি বা ম্যানুয়াল হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি নারীপ্রধান পরিবারকে একটি আধুনিক স্মার্ট কার্ড দেওয়া হবে। স্পর্শবিহীন চিপযুক্ত এই কার্ডে কিউআর কোড ও এনএফসি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে, যা নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

মন্ত্রী জানান, প্রতিটি কার্ডের মাধ্যমে একটি পরিবারের পাঁচজন সদস্য সুবিধা পাবেন। তবে যৌথ বা একান্নবর্তী পরিবারে সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে আনুপাতিক হারে একাধিক কার্ড দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা বা সহায়তা পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে ওই সুবিধা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ভাতা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।

ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় যোগ্য উপকারভোগীরা পাইলটিং পর্যায়ে মাসিক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা পাবেন। ভবিষ্যতে সমমূল্যের খাদ্যপণ্য সহায়তা দেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে।

মন্ত্রী জানান, পাইলট পর্যায়ে কোনো পরিবারের সদস্য যদি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন বা বেতন, ভাতা, অনুদান কিংবা পেনশন পান, অথবা নারী পরিবারপ্রধান এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক বা কর্মচারী হন, তাহলে সেই পরিবার ভাতা পাওয়ার যোগ্য বিবেচিত হবে না।

এ ছাড়া কোনো পরিবারের নামে বাণিজ্যিক লাইসেন্স বা বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থাকলে, বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি বা এসি থাকলে, অথবা পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও সেই পরিবার এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবে না।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে ফ্যামিলি কার্ড ভাতা জি-টু-পি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।

তিনি জানান, তথ্য সংগ্রহের সময়ই উপকারভোগীদের মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য নেওয়া হয়েছে। ফলে কোনো ধরনের বিলম্ব বা হস্তক্ষেপ ছাড়াই তারা ঘরে বসেই ভাতা পাবেন।

মন্ত্রী আরও জানান, পাইলট পর্যায়ে কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন ২০২৬ পর্যন্ত ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা হিসেবে বিতরণ করা হবে এবং ১২ কোটি ৯২ লাখ টাকা তথ্য সংগ্রহ, অনলাইন সিস্টেম তৈরি ও কার্ড প্রস্তুতসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে ব্যয় করা হবে।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং বাস্তবায়ন গাইডলাইন–২০২৬ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং তা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

এম এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার কেনাবেচার নামে প্রতারণার অভিযোগে পাচঁ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে  নবগঠিত ভূল্লী উপজেলায় ৫নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নের বাং রোড সুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন,হলেন মানিক হোসেন (৪৩), হাবিবুর রহমান ওরফে হবি (৪৫), আশরাফুল ইসলাম (৪৭), মনোয়ার হোসেন (৪০) এবং মোখলেছ (৪৮)। তাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান ৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

ভুল্লি থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি ডলার বিক্রয়ের নামে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে রয়েছেন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখার অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার জুবায়েত জাহিদ (৪৪), একই শাখার পিয়ন আজাহার আলী (৫৪), এবং গোলাম মোস্তফা (৫৫)। তারা সবাই নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাসিন্দা।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিদেশি ডলার, সাতটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামত ও নথিপত্র যাচাই করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার এক বৃদ্ধকে দীর্ঘদিন ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল (৭৫) ও তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম-এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফের বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

অসুস্থ মাহমুদা বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তার মেয়েরা। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩ জুন রাতে তিনি মারা যান। পরদিন পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতিকালে বড় ছেলে বাধা দেন এবং বাবাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরে খবর পেয়ে মামুনুর রশীদ-এর নেতৃত্বে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়।

পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকা আব্দুল জলিলকে বের করে আনা হয়। দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি ও তার ছেলে মিলে মাহমুদা বেগমের কবর জিয়ারত করেন।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তবে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও বৃদ্ধকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা ও নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ ও আহত ৫ ক্ষতিগ্রস্ত নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে আজ (০৪ জুন) আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খন্দকার মো. আব্দুর রাকিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলা শাখার আমির এবং অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক। তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে নিহত ১০ জনের পরিবার এবং আহত ৫ জনের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত বক্তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন এবং তাদের পুনর্বাসনে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।