খুঁজুন
শনিবার, ৬ জুন, ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬, ৭:৩৮ অপরাহ্ণ
ব্রহ্মপুত্রে  নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে  ভোগান্তি

উত্তরের দারিদ্র্যপীড়িত জেলা কুড়িগ্রামে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের পর ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ব্রহ্মপুত্র নদে রৌমারী-চিলমারী নৌরুটে ফেরি সার্ভিস চালু হয়। কিন্তু চালুর পর প্রায় আড়াই বছরের মধ্যেই নাব্য সংকটের অজুহাতে অসংখ্যবার বন্ধ হয়েছে ফেরি চলাচল। সর্বশেষ গত বছরের ১৯ নভেম্বর থেকে নাব্যতার সংকটের কারণে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে ফেরি। এতে উত্তরাঞ্চলের ১০ থেকে ১২টি জেলার যানবাহন ও সাধারণ মানুষের ঢাকা যাতায়াতে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ব্রহ্মপুত্র নদের চিলমারী রমনা ঘাট দিয়ে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বিভিন্ন এলাকা এবং রৌমারী প্রান্ত দিয়ে ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বিভিন্ন জেলার যানবাহন এ রুট ব্যবহার করে আসছিল। ফেরি সচল থাকলে এ অঞ্চল থেকে ঢাকার দূরত্ব ১২০ থেকে ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত কমে যায়। ফলে সময় ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি পরিবহন ব্যয়ও কম হতো। ফেরি বন্ধ থাকায় পরিবহনগুলোকে দীর্ঘ পথ ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।

এতে বাড়তি সময়, জ্বালানি ও ভাড়া গুনতে হচ্ছে বলে কয়েকজন ট্রাকচালক জানিয়েছেন। ভূরুঙ্গামারীর আন্তঃজেলা ট্রাকচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম ও মোঃ ফরিদ মিয়া বলেন, সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত পাথর পরিবহন করতে হয়। রৌমারী-চিলমারী রুটে ফেরি চালু থাকলে সময় ও খরচ দুটোই কম লাগত।

আরেক ট্রাকচালক মোঃ হামিদুল ইসলাম বলেন, চিলমারী-রৌমারী রুটে ফেরি চলাচলের সময় দুই প্রান্তে পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি থাকত। কিন্তু বারবার নাব্যতা সংকটের কারণে ফেরি বন্ধ থাকায় বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ফেরি চালু রাখা গেলে অর্থনৈতিকভাবে এ এলাকা অনেক উন্নত হতো।

প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমে ব্রহ্মপুত্র নদের নাব্যতা কমে যাওয়ায় জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফেরি চলাচল ব্যাহত হয়। তবে চলতি মৌসুমে আগাম পলি জমে চ্যানেল সংকুচিত হয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন, বালুচর জেগে ওঠা এবং বেসিন এলাকায় পর্যাপ্ত গভীরতা না থাকায় ফেরি চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বর্তমানে এ রুটে নিয়োজিত দুটি ফেরি—‘কদম’ ও ‘কুঞ্জলতা’—রৌমারী প্রান্তে পন্টুনের সঙ্গে চরাবদ্ধ অবস্থায় পড়ে আছে। বেসিন এলাকায় কার্যকর ড্রেজিং না হওয়ায় ফেরি দুটি বালুচরে আটকে রয়েছে। এতে ফেরিগুলোর যান্ত্রিক ক্ষয়ক্ষতি ও অবকাঠামোগত ঝুঁকি বাড়ছে। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন, দীর্ঘদিন এভাবে পড়ে থাকলে সরকারের কয়েক কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হতে পারে।

বিআইডব্লিউটিসি সূত্র জানায়, নিরাপত্তা ঝুঁকির বিষয়টি উল্লেখ করে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর ড্রেজিংয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ১ ও ১৭ ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি, ৮ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি তারিখেও একাধিকবার পত্র পাঠানো হয়েছে। তবুও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর ফেরি চালু হওয়ার পর ওই বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১০৪ দিনের মধ্যে ৯৭ দিন ফেরি চলেছে। এ সময়ে ২ হাজার ৮৮৫টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩৬৬ দিনের মধ্যে ২৪১ দিন ফেরি চলেছে। এ সময়ে ৬ হাজার ৫৬২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। আর ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অক্টোবর পর্যন্ত ২১৮ দিনের মধ্যে ফেরি চলেছে মাত্র ৬৮ দিন। এ সময়ে পারাপার হয়েছে ২ হাজার ২৫০টি যানবাহন।

২০২৪ সাল থেকেই ফেরি চলাচলে বিড়ম্বনা বাড়তে শুরু করে। ওই বছর ফেরি চলেছে ২৪১ দিন, বন্ধ ছিল ১২৫ দিন। ২০২৫ সালে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির চিলমারী-রৌমারী অঞ্চলের সহকারী ব্যবস্থাপক (হিসাব) মোঃ নুরন্নবী সরকার বলেন, পরিবহনের চাপ ও ফেরির চাহিদা বিবেচনায় শুকনো মৌসুমে ড্রেজিং জোরদার করলে কমপক্ষে চারটি ফেরি প্রয়োজন হবে। সারা বছর সার্ভিস সচল রাখা সম্ভব। জ্বালানি খরচ বিবেচনায় এ রুট নিয়মিত লাভজনক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফেরি চালু থাকলে কম ড্রাফটের ফেরি নিয়োগের বিষয়ে কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দিয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নাব্যতা রক্ষায় পরিকল্পিত ও টেকসই উদ্যোগের অভাব রয়েছে। প্রয়োজনীয় গভীরতায় খনন না করা, চ্যানেল নির্ধারণে দুর্বলতা এবং সময়মতো ড্রেজিং না হওয়ায় প্রতিবছর একই সংকট তৈরি হচ্ছে।

রৌমারী ফেরিঘাটের হোটেল মালিক মোঃ আকবর আলী বলেন, ফেরি চলাচল করলে বিভিন্ন এলাকার যানবাহন ও মানুষজন আসত। সে সময় বেচাকেনাও ভালো হতো।

এদিকে, ফেরি বন্ধ থাকায় যাত্রী ও পরিবহন মালিকদের নৌকায় পারাপার করতে হচ্ছে। ফলে বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে যাত্রীদের। অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকায় পারাপারে নিরাপত্তা ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। বাড়তি ভাড়া নিয়ে প্রায়ই যাত্রীদের সঙ্গে নৌকা মালিকদের বাকবিতণ্ডা হচ্ছে।

তবে নাব্যতা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) দাবি করেছে, নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি ও চর সৃষ্টির কারণে নাব্যতা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে।

বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী সমীর পাল বলেন, প্রতিদিন সাত থেকে আট ঘণ্টা ড্রেজিং করে প্রায় ৪০ মিটার খনন করা হচ্ছে। আগামী এপ্রিল বা মে মাসের আগে ফেরি চালু করা সম্ভব হবে না।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

এম এ সালাম রুবেল ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৯:৫৫ অপরাহ্ণ
ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক

 

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার কেনাবেচার নামে প্রতারণার অভিযোগে পাচঁ সদস্যের একটি সংঘবদ্ধ চক্রকে গ্রেপ্তার করেছে ভূল্লী থানা পুলিশ।

শুক্রবার (৫ জুন) দুপুরে  নবগঠিত ভূল্লী উপজেলায় ৫নং শুখানপুকুরী ইউনিয়নের বাং রোড সুইসগেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

গ্রেপ্তার কৃতরা হলেন,হলেন মানিক হোসেন (৪৩), হাবিবুর রহমান ওরফে হবি (৪৫), আশরাফুল ইসলাম (৪৭), মনোয়ার হোসেন (৪০) এবং মোখলেছ (৪৮)। তাদের মধ্যে হাবিবুর রহমান ৫ নং শুখানপুকুরী ইউনিয়ন যুবদলের সহ-সভাপতি বলে জানা গেছে।

ভুল্লি থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি ডলার বিক্রয়ের নামে প্রতারণার উদ্দেশ্যে তারা ওই এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী হিসেবে রয়েছেন সৈয়দপুর ক্যান্টনমেন্ট শাখার অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশিয়ার জুবায়েত জাহিদ (৪৪), একই শাখার পিয়ন আজাহার আলী (৫৪), এবং গোলাম মোস্তফা (৫৫)। তারা সবাই নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার বাসিন্দা।

ভূল্লী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিদেশি ডলার, সাতটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৪ হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত আলামত ও নথিপত্র যাচাই করে চক্রটির অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান

 

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে উপজেলার এক বৃদ্ধকে দীর্ঘদিন ঘরে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার বড় ছেলের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে অংশ নিতে না দেওয়ার অভিযোগে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আব্দুল জলিল (৭৫) ও তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম-এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে বড় ছেলে আব্দুল মোন্নাফের বিরুদ্ধে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাবাকে দীর্ঘদিন গৃহবন্দি করে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

অসুস্থ মাহমুদা বেগমের চিকিৎসার দায়িত্ব নেন তার মেয়েরা। বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩ জুন রাতে তিনি মারা যান। পরদিন পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতিকালে বড় ছেলে বাধা দেন এবং বাবাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন বলে পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন।

পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় দাফন সম্পন্ন করা হয়। পরে খবর পেয়ে মামুনুর রশীদ-এর নেতৃত্বে রাজারহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধানের উদ্যোগ নেয়।

পুলিশের হস্তক্ষেপে দীর্ঘদিন ঘরবন্দি থাকা আব্দুল জলিলকে বের করে আনা হয়। দাফনের প্রায় চার ঘণ্টা পর তিনি ও তার ছেলে মিলে মাহমুদা বেগমের কবর জিয়ারত করেন।

স্থানীয়রা এ ঘটনায় পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তবে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ও বৃদ্ধকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা ও নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

মান্দা নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান

ঈদুল আজহা উপলক্ষে বাড়ি ফেরার পথে গত ২৫ মে ২০২৬ তারিখে টাঙ্গাইলে ট্রাক উল্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহত ১০ ও আহত ৫ ক্ষতিগ্রস্ত নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে আজ (০৪ জুন) আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাড. আতিকুর রহমান, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। তিনি নিহতদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। ভবিষ্যতেও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খন্দকার মো. আব্দুর রাকিব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নওগাঁ জেলা শাখার আমির এবং অধ্যক্ষ আব্দুস সবুর, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহ-সাধারণ সম্পাদক। তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মো. নাসির উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন নওগাঁ জেলা শাখার সভাপতি।
এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নিহত ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শেষে নিহত ১০ জনের পরিবার এবং আহত ৫ জনের পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার অর্থ তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত বক্তারা দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সকলের দোয়া কামনা করেন এবং তাদের পুনর্বাসনে সমাজের সকল স্তরের মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে ডলার প্রতারণা, ৫ জন আটক রাজারহাটে মায়ের মৃত্যুর পর জানাজা ও দাফনেও বাবাকে ঘরবন্দি করে রাখে সন্তান ঈদে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারগুলোর মাঝে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আর্থিক সহায়তা প্রদান সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।