খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের চমক ।

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :-
প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৩ অপরাহ্ণ
শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের চমক ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী মারা যাওয়ায় বাতিল হওয়া শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন পেয়েছেন দলের মৃত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোটভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান।

মাসুদুর রহমান জেলা জামায়াতের ব্যবসায়িক শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক।

জানা যায়, মাসুদুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য। অবসরের পর থেকে তিনি এলাকায় রড-সিমেন্টের ব্যবসা শুরু করেন। পাশাপাশি বড়ভাই নুরুজ্জামান বাদলের সাথে জামায়াতের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। বাতিল হওয়া নির্বাচনে বড়ভাইয়ের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে মাঠেও ছিলেন তৎপর। জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর পর তিনি আলোচনায় উঠে আসেন।

জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমান জানান, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য ও তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে শেরপুর-৩ আসনে নুরুজ্জামান বাদলের সহোদর ছোটভাই মাসুদুর রহমান মাসুদের নাম সংসদ সদস্য প্রার্থী হিসেবে কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরে কেন্দ্র থেকে তার মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেরপুর-৩ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা যাওয়ায় এ আসনের নির্বাচন প্রথমে স্থগিত ও পরে বাতিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। এরপর আগামী ৯ এপ্রিল নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করে নতুন করে তফসিল ঘোষণা করা হয়। তবে প্রয়োজন না থাকায় এ আসনে গণভোট হবে না।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২ মার্চ রিটার্নিং অফিসার বা সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ। মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের শেষ তারিখ ৫ মার্চ। বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তারিখ ৬-১০ মার্চ। আপিল নিষ্পত্তির তারিখ ১১ মার্চ। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ১৪ মার্চ। আর প্রতীক বরাদ্দের তারিখ ১৫ মার্চ। তবে আগের বৈধ প্রার্থীদের নতুন করে মনোনয়নপত্র দাখিল করতে হবে না।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

 

​মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে কুমার নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুজন হোসেন এর বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ায় মোঃ সুজন হোসেন এর পৈত্রিক ভিটা ও বসতঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় আসবাবপত্রসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

​ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ সুজন হোসেন জানান ​”চোখের সামনেই নিজের ভিটেমাটি নদীতে চলে যেতে দেখলাম, কিছুই করার ছিল না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, তা জানি না। সব হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।”

​শুধু মোঃ সুজন হোসেন নন, ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকার আরও বহু পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ার আরও অনেক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি কুমার নদে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
​প্রশাসনের ভূমিকা
​এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণ নয় বরং স্থায়ী সমাধান হিসেবে নদী শাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
​সব হারিয়ে মোঃ সুজন হোসেন এই চরম দুর্দশা নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে