খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

বিরামপুর জেলা চাই- সরকারের কাছে চার উপজেলার মানুষের দাবি

মো.লুৎফর রহমান,হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:-
প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪৬ অপরাহ্ণ
বিরামপুর জেলা চাই- সরকারের কাছে চার উপজেলার মানুষের দাবি

দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট ও নবাবগঞ্জ নিয়ে বিরামপুরকে পৃথক জেলা ঘোষণার দাবি আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে। দীর্ঘদিনের এই দাবি এখন চার উপজেলার মানুষের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, পেশাজীবী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা একযোগে এই দাবি জানিয়ে আসছেন।

চার উপজেলায় মিলিয়ে প্রায় সাত লাখ মানুষের বসবাস। অথচ প্রশাসনিক নানা কাজের জন্য জেলা সদর দিনাজপুরে যেতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে সময়, অর্থ ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য, দক্ষিণাঞ্চলের এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য পৃথক জেলা গঠন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ইব্রাহিম হোসেন বলেন,বিরামপুরকে জেলা করার দাবি নতুন নয়। বহু বছর ধরে আমরা এই দাবি জানিয়ে আসছি। জেলা হলে সাধারণ মানুষ সরাসরি প্রশাসনিক সেবা পাবে এবং দুর্ভোগ কমবে।

ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন খাঁন বলেন,হিলি স্থলবন্দর দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর। এই বন্দরকেন্দ্রিক বাণিজ্য, কৃষি উৎপাদন ও স্থানীয় বাজারব্যবস্থা দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। জেলা হলে বাণিজ্যিক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে, নতুন বিনিয়োগ আসবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

শিক্ষক মাহবুব হোসেন বলেন,প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিরামপুর জেলা হলে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। চার উপজেলার শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ দ্রুত সরকারি সেবা পাবে।
স্থানীয়দের দাবি, অতীতে বিরামপুরকে মহকুমা হিসেবে ঘোষণা করা হলেও তা পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়নি। এ কারণে দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের মানুষ কাঙ্ক্ষিত প্রশাসনিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাদের মতে, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনা বিবেচনায় বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা করার যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে।

ব্যবসায়ীক হাফিজুর রহমান বলেন, জেলা হলে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সরকারি দপ্তর স্থাপন এবং শিল্প-বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে। ঘোড়াঘাট থেকে দিনাজপুর জেলা সদরে যেতে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয়। আসা-যাওয়া মিলিয়ে প্রায় ২০০ কিলোমিটার রাস্তার পাড়ি দিতে হয়। কোনো কাগজ বা সনদ নিতে গেলেই পুরো একটি দিন সময় লেগে যায়। এতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হয় এবং সাধারণ মানুষকে চরম কষ্ট সহ্য করতে হয়।

দিনাজপুর দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন ফোরাম দিদউফ সাধারণ সম্পাদক মোজ্জাম্মেল হক বলেন, চার উপজেলার সমন্বয়ে পৃথক জেলা গঠন হলে প্রশাসনিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা পাবে এবং দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

বিরামপুর পেশাজীবী ঐক্য ফ্রন্ট আহবায়ক রফিকুল ইসলাম বলেন,এটি কেবল আবেগের বিষয় নয়, এটি বাস্বব প্রয়োজন।

গণমাধ্যমকর্মী ও পেশাজীবী ঐক্য ফ্রন্ট বিরামপুরের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মাহমুদুল হক মানিক বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে বিরামপুরে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান, বর্তমান মন্ত্রী এই এলাকা থেকে নির্বাচিত হয়েছেন এবং প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের আশ্বাসও দিয়েছেন।তিনি আরও বলেন,তিনি আমাদের এলাকার নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং এখন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আমরা আশা করি, তিনি তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন। আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা করা হোক।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা মন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে ,ইতিপূর্বে অনেক সরকার ক্ষমতায় এসে শুধু আশ্বাস দিয়ে গেছে। কিন্তু বাস্ববে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এবার আমরা আশা করি, বর্তমান মন্ত্রী আমাদের এই দীর্ঘদিনের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন এবং বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা করবেন।

এলাকাবাসী জানান, তারা দিনাজপুর আসনের সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের দাবি উপস্থাপন করেছেন। এখন চার উপজেলার মানুষের প্রত্যাশা আর শুধু আশ্বাস নয়, এবার বাস্তবায়ন।

চার উপজেলার মানুষের বিশ্বাস, বিরামপুরকে জেলা ঘোষণা করা হলে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে এবং বহু বছরের স্বপ্ন বাস্ববে রূপ নেবে।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা বেগম (৪৫) ও শিরিনা বেগম (৪০) এবং ভাগনে সবুজ রানাকে (২৫) হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাড়ির দরজা-জানালা অক্ষত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকারীরা পরিবারের পরিচিত কেউ হতে পারেন।
এদিকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শামীম আহমেদ ও নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। এ সময় র‌্যাব, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন, ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা জানাজানি হয়। বাড়ির সদর দরজাসহ সব জানালা-দরজা অক্ষত রয়েছে। তাহলে হত্যাকারীরা কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পারিপাশি^কতা দেখে তারা ধারণা করছেন নিজেদের লোকেরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হাবিবুর রহমানের মরদেহ ঘরের বিছানায় পড়ে ছিল। অন্য একটি ঘরে পাওয়া যায় তাঁর ছেলে ও মেয়ের লাশ। বাড়ির আঙিনায় পড়ে ছিল পপি সুলতানার মরদেহ। ঘটনাটি জানাজানি হয় ভোরের দিকে, যখন হাবিবুরের বাবার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ফাঁসির দাবি করেন তারা।
নিহত হাবিবুর রহমানের প্রতিবেশী খলিলুর রহমান বলেন, হাবিবুর স্ত্রী-সন্তানসহ তার বাবা নমির উদ্দিনকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। রাতের কোন সময় এ ঘটনা ঘটেছে কিছুই বলতে পারছি না। রাতে কোনো চিৎকার চেঁচামেচিও শোনা যায়নি। সকাল ৬টার দিকে তাঁর বাবার চিৎকারের পর এলাকার লোকজন জানতে পারেন।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। নমির উদ্দিন প্রত্যেক মেয়েকে ১০ কাঠা করে সম্পত্তি দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তি হাবিবুরের নামে লিখে দেন। এনিয়ে বোনদের সঙ্গে ভাই হাবিবুরের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
হাবিবুরের স্ত্রীর মামা আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ঈদের আগে একবার খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁদের অচেতন করার ঘটনাও ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটি ডাকাতির ঘটনা নয়। অন্য কোনো কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

পাবলিক বাংলা নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর : সিজার করার পর থেকেই পেটে অসহ্য যন্ত্রণা। ওষুধ খেয়েও রোগীর মিলছে না সুফল। অতঃপর সিটিস্ক্যান রিপোর্টে জানা গেল, পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। প্রসূতির সিজারের পর পেটে গজ কাপড় রেখেই সেলাই দেওয়ার এ অভিযোগ উঠেছে রংপুরের এক গাইনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকের দায়িত্বশীল আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবীবা জান্নাতের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের বড় আমবাড়ি গ্রামে। গেল ৪১ দিন ধরে পেটের অসহনীয় যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

‎ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবিবা জান্নাত বলেন, গত ৮ মার্চ নগরীর বন্ধন জেনারেল হাসপাতালে আমার সিজার করেন গাইনি চিকিৎসক রাজিয়া বেগম মুক্তা। অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটব্যথা ও জটিলতায় ভুগছি। এখন ওই ডাক্তারের কাছে আসলে ওনাকে বিষয়টি জানাই। উনি বলেন, আল্ট্রা করতে। আমি আল্ট্রা করে নিয়ে আসি, কিন্তু উনি দ্বায় স্বীকার করে না। আমি আবার গাইনি ডাক্তার মৌসুমী হাসানের কাছে যাই, তিনি সিটি স্ক‍্যান করে আমার শরীরে গজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎ভুক্তভোগীর স্বামী শাওন মিয়া বলেন, বিষয়টি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তাকে অবগত করি, কিন্তু তিনি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। পরে অন্য চিকিৎসকের দারস্থ হলে পরামর্শ দেন সিটি স্ক্যান করতে। এতে ধরা পরে পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। আমরা আবার সান ডায়োগনস্টিকে অপারেশন করতে গেলে গাইনি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তার স্বামী আতিক আমাদেরকে হুমকি দেন ও ডাক্তারকেও হুমকি দেন। এখন ভয়ভীতির মাধ্যমে অসহায়ভাবে ঘুরছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অপেক্ষা না করে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে পুনরায় অপারেশনের মাধ্যমে গজটি বের করাই। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

‎রোগীর দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ওই চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে সান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থাকা তার চেম্বারে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মোবাইলে ফোন দিলে একজন সহযোগী কল রিসিভ করে বলেন, ‘ম‍্যাডাম রোগী দেখছেন, পরে কথা বলবেন।’ এরপর ফোন কেটে দেন তিনি।

অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

‎এ নিয়ে রংপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বলেন, তদন্ত করে জানতে হবে যে দ্বায়িত্বে অবহেলা ছিল কিনা। যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আমাদের বরাবর একটা দরখাস্ত করলে আমরা তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেবো। আমি আপনার মুখে বিষয়টি শুনলাম। এটা খুব দুঃখজনক বিষয়। একজন সহকারী গাইনী চিকিৎসকের দ্বারা এটি কখনো কাম‍্য নয়।

আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সোমবার শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে
বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ (২০ এপ্রিল) নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট একাউন্টেন্ট গোলাম মোস্তফা।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার মান্দায় ১৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আমিনুল ইসলাম আমিন গ্রেফতার