জিয়া (শিবপুর) প্রতিনিধি: নরসিংদীর শিবপুর মডেল থানার পুলিশের কার্যক্রম আরো বেগবান করার লক্ষে পিকআপ গাড়ী উপহার দিলেন এডিবিএল এন্ড আরডিবিএল এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আলহাজ্ব ওসমান মৃধা ও লোকমান মৃধা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গাড়িটি শিবপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ কোহিনুর মিয়ার হাতে গাড়ির চাবি ও কাগজপত্র হস্তান্তর করেন মোমিন মৃধা। গাড়িটি থানায় ব্যবহারের জন্য হস্তান্তর করা হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন হাসিব নাজির, জয়নাল মেম্বার, শেখ ফরিদ, ও নাজির সহ সাংবাদিকবৃন্দ।
নওগাঁর মান্দায় মৈনম ইউনিয়নের মৈনম মৌজায় জয়কালী মন্দির রক্ষায় পুকুর খননে অনুমতি না দেওয়ার দাবী জানিয়েছে এলাকার সনাতনী ধর্মাবলম্বীরা।
সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় জয়কালী মন্দিরের ভক্তবৃন্দ উপস্থিত হয়ে এই এই দাবি জানান।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জয়কালী মন্দিরের পাশে পুকুরটি ইতিমধ্যেই গভীর এবং এই গভীরতার কারণে মন্দিরের জমি ও গাছ ভেঙ্গে পুকুরের মধ্যে পড়ে গিয়েছে। মন্দিরে যাবার রাস্তাটিও ভাঙ্গার উপক্রম হয়ে আছে। তবে পুকুরের পূর্ব এবং দক্ষিণ পাশে সরকারি পাকা রাস্তা থাকায় পুকুর খনন করলে এগুলো ভেঙ্গে যাবার সম্ভাবনা অধিক রয়েছে।
এ বিষয়ে এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বী রাম রতন মোহন্ত জানান, এই জয়কালী মন্দির প্রতিবছর জ্যৈষ্ঠ মাসের প্রথম সপ্তাহে এই মন্ডপে পূজা শুরু হয় এবং সপ্তাব্যপী পূজা অর্চনা হয় এতে এলাকার হাজার হাজার মানুষ এখানে আসে এবং পূজা অর্চনা করে। কিন্তু পার্শ্বে পুকুর খনন করলে জায়গাটি ভেঙ্গে যাবে মন্দির রক্ষা করা অসাধ্য হয়ে উঠবে।
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা প্রশাসন বরাবর লিখিত অভিযোগ দিবে বলে জানা গেছে।
মো : হোসন শাহ্ ফকিরইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুরে রুপালী ব্যাংকের ঋণের টাকা পরিশোধের উদ্দেশ্যে জমি বিক্রি করতে চাওয়ায় পিতা ও বড়ভাইয়ের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।
গত ১৫ এপ্রিল রাতে পৌরশহরে টংগের আলগা উত্তরপাড়া গ্রামে জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়ী এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী বড় ভাই জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ছোট ভাই ফয়েজ উদ্দিন ওরফে জুয়েলসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে ইসলামপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন
পরিবারসূত্রে জানাযায়,জাহাঙ্গীর আলমের পিতা ওয়াদুদ দীর্ঘদিন ধরে রুপালি ব্যাংকের ঋণ থাকায় ঋণের টাকা পরিশোধের জন্য পৈত্রিক জমি বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন পরিবার। কিন্তু ছোট ভাই ফয়েজ উদ্দিন এতে বাধা প্রদান করে আসছিলেন এবং পরিবারের সাথে বিবাদে লিপ্ত হন।
অভিযোগ সূত্রে জানাযায়,গত বুধবার সন্ধ্যায় ফয়েজ উদ্দিনসহ পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আমার বসতবাড়ীতে গিয়ে প্রবেশ করে বাড়ী থাকা বৃদ্ধ বাবা ও আমার স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও মারধরের চেষ্টা চালান। ভুক্তভোগীদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে ফয়েজ উদ্দিন প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীর আলম জানান,আমার পিতা ব্যাংকের ঋণ টাকা পরিশোধে করাটাই হলো কাল। বাড়িতেই হামলা চালায়নি শেষ নয়। ফয়েজ উদ্দিনের মুঠোফোনের মাধ্যমে আমার ও ব্যাংকের ম্যানেজারসহ বড় বোনকেও হুমকি,গালিগালাজ করেছে।
তিনি আরো বলেন,একটি কুচক্র মহল পরামর্শে আমার ছোট ভাই সহযোগিতা ও চাচাতো বোন লাবনী আক্তারকে দিয়ে মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি ডাকাত বলে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে আমিও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
ইসলামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম গাজী জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মোঃ : হোসন শাহ্ ইসলামপুর জামালপুর প্রতিনিধিঃ জামালপুরের ইসলামপুরে পৈত্রিক জমি দখলের অভিযোগ। দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত জেড়ে বিরোধ। গ্রাম্য সালিশি রায় অমান্য করে উল্টো হুমকি।
উপজেলা নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে পশ্চিম নতুনপাড়া গ্রামের ভুক্তভোগী আতা,খাজা ও মালেক উদ্দিন জানান, পৈত্রিকসূত্রে আবাদি জমি প্রায় ১একর ৮৬শতাংশ অযথাই সৎ ভাই বাদশা ও কুদরত গংরা গত কয়েক বছর ধরে আমাদের সঙ্গে বিরোধ করে আসছে। এবং জোরপূর্বক ভাবে দীর্ঘদিন ধরে জমি দখল করে রেখেছেন। আমাদের পৈত্রিক সূত্রের জমি পাওয়া এবং নিজেদের ক্রয় করা জমি বেদখল করা অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়ভাবে গণ্যমান্য ব্যক্তি বিষয়টি মীমাংসার জন্য অন্তত ১০বার গ্রামের সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির,ইউপি সদস্যসহ উপস্থিতিতে একটি সালিশ অনুষ্ঠিত হয়। নোয়ারপাড়া মৌজা,আরওআর খতিয়ান নং-১৪১২ ও ১৫৫৯ এবং বিআরএস-৩০১৭,৩০১৮ ও ৩৩২১ নং খতিয়ানের ১৪দাগে পৈত্রিক সূত্রে মালিক খাজাগংরা। দুইপক্ষে কাগজপত্রের ভিত্তিতে খাজা,আতা ও মালেকদের জমির দলিলপত্র স্বচ্ছতা পাওয়া তাদের অংশ হিসাবে ১একর ৮৬শতাংশ জমি শালিশিতে রায় হয়।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,বাদশা ও কুদরত হোসেন সালিশি রায় মেনে নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগী ও সালিশিতে থাকা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মুঠোফোনে বিভিন্ন সময়ে হুমকি প্রদান করেন রফিকুল ইসলাম।
স্থানীয় এলাকাবাসী,তুরাপ আলী আকন্দ,ইব্রাহিম আকন্দ ও এশানুর রহমান বলেন,বিবাদীরা প্রভাবশালী এবং তাদের সন্তানরা ভালো চাকরি করার সুবাদে তারা অর্থের দাপট দেখিয়ে অসহায় আতা ও মালেকগং দের পরিবারের তাদের প্রাপ্য জমি থেকে ভয় ভিত্তি দেখায়ে বঞ্চিত করছেন।
এ ব্যাপারে বাদশা ও কুদরত সঙ্গে একাধিক বার মোটফোনে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ভুক্তভোগী পরিবারদের পক্ষে গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে বিবাদীদের এমন অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এবং ভুক্তভোগী পরিবার তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাতে দ্রুত এই দীর্ঘস্থায়ী সমস্যার সমাধান হয়। এবং প্রকৃত মালিক তাদের জমি ফিরে পান।
আপনার মতামত লিখুন