মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জে সন্ত্রাসী, খুন, চাঁদাবাজি ও মাদক মামলার আসামী সাকিল মোল্লাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শীর্ষ মাদক স¤্রাট সাকিল মোল্লার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত থাকায় ১১টি মামলা রয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) রাতে জরুরী সেবা ৯৯৯ এর প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কলাপাটুয়া এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায়। এসময় পুলিশ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের কলাপাটুয়া গ্রামের আঃ করিম মোল্লার পূত্র সাকিল মোলা (৩৫), রাতকানা এলাকার মো. নুর চাঁন আকন্দের পূত্র মো, গোলজার হোসেন (৩৬) এবং মোক্তারপুর ইউনিয়নের বড়গাও এলাকার বাবুল মোড়লের পূত্র মো. নাইম (২৫) কে গ্রেফতার করে।
সূত্রটি আরোও জানায় জামালপুর ইউনিয়নের কাপাইস এলাকার বাছের উদ্দিন ব্যাপারীর পূত্র মো. রাসেল ব্যাপারীকে সাকিল মোল্লা ও তার সঙ্গিরা পরত্যক্ত মুরগীর খামারে জিম্মি করে এক লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবী করে। এসময় স্থানীয়রা তার ডাক-চিৎকার শুনে জরুরী সেবা ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করে। পরে মাঝরাতে পুলিশ কলাপাটুয়া এলাকার মুরগীর খামার হতে রাসেল ব্যাপারীকে উদ্ধার করে। সাকিল মোল্লার বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি ও মাদক মামলাসহ ১১ টি মামলা রয়েছে।
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন জানান, চাঁদাদাবী ও জিম্মিকরে মুক্তিপণের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত তিন আসামীকে শনিবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
জামালপুর জেলার মেলান্দহ ও ইসলামপুর উপজেলায় ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের প্রধান উপকরণ ইট। ইটভাটার কালো ধোঁয়া:পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এক ‘নীরব ঘাতক’ তবে এই ইটের জোগান দিতে গিয়ে গড়ে ওঠা ইটভাটা এখন পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইটভাটা গুলো আবাসিক এলাকার পাশেই ও ফসলি জমিতে গড়ে উঠেছে। ইটভাটায় ইট পোড়াতে বায়ু দূষণের কারণে হাঁপানি,শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন স্থানীয়রা। এ ছাড়াও এর প্রভাব পড়ছে ফসলে। তবে পরিবেশ দূষণরোধে উপজেলায় গুলো নেই কোন অভিযান। প্রশাসন যেন নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করছে।
জানা গেছে,মারাত্মক বায়ু দূষণের বড় উৎস ইটভাটা বৈশ্বিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউ
এয়ারের তথ্যমতে,বাযু দূষনের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে ইটভাটা। ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন চারপাশ। কৃষিজমির মাটি কেটে ব্যবহার করা হচ্ছে ইট তৈরিতে। ইট পোড়াতে প্রতিদিন নষ্ট হচ্ছে গাছ। ভাটার কালো ধোঁয়ায় মাটির উর্বরতা,গাছ গাছালি নষ্ট হয়ে ব্যাহত হচ্ছে কৃষি উৎপাদন। দূষিত পরিবেশে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আক্রান্ত হচ্ছেন হাঁপানি,শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগ ব্যাধিতে।
পরিবেশ অধিদফতর তালিকা অনুযায়ী মেলান্দহ ২৪টি ও ইসলামপুর ১০টি ইটভাটা রয়েছে।বর্তমানে ৩৪টি ইটভাটা মধ্যে ১১টি ইটের ভাটা বন্ধ রয়েছে। অবৈধ ৩৪টি ইটভাটার কোনটারি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র নাই বলে পরিবেশ অধিদফতর জামালপুর সুত্রে জানা যায।
জেলা বিভিন্ন উপজেলার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ইটভাটায় ইট তৈরি ও পোড়ানো হচ্ছে। এছাড়া কয়লার কারণে চিমনি দিয়ে অনবরত কালো ধোঁয়া বের হচ্ছে। এ জেলার বেশীর ভাগ ইটভাটা নিয়ম না মেনেই ঘনবসতি পূর্ণ এলাকায় গড়ে উঠেছে। যেগুলোর পাশেই রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,আবাসিক স্থাপনা,জনসাধারনের চলাচলের পাকারাস্তা,দেওয়ানগঞ্জ – জামালপুর মহাসড়ক ফসলী মাঠ।
ডেফলা ব্রিজের পূর্ব পাশে আমডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালযরে পাশে রয়েছে জান্নাত মেসার্স ব্রিক্সস ইটভাটা ও মেসার্স মদিনা ব্রিক্সস ইটভাটার। এছাড়াও মেসার্স বিসমিল্লাহ ব্রিকস ইট ভাটার অল্প দূর পাশেই বানিয়া বাড়ী সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসা ও পাচঁ পয়লা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাবিবুর রহমান ডিগ্রী কলেজ রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকায় অবৈধ ভাবে গড়ে উঠেছে ইটভাটা। যদিও স্কুল-কলেজের এক কিলোমিটারের মধ্যে কোনো ভাটা তৈরির নিয়ম নেই। তবুও সরকারি নিষেধাজ্ঞা তোয়াক্কা না করে দেদারসে গড়ে ওঠেছে এসব অবৈধ ইটভাটা।
মেসার্স এম আর বি ব্রিকস ইটের ভাটা বানিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয,শিমুলতলী পলিটেকনিক্যাল এন্ড বিএম কলেজ ও ঢেংগাড়গর আলিম মাদ্রাসাস শিক্ষকরা বলেন,স্কুল সংলগ্ন ইটভাটা গড়ে উঠায় স্কুলের কমলমতি শিশু শিক্ষার্থীরা চরম স্বাস্থ্য ঝুকিতে রয়েছে। মেসার্স সওদাগর ব্রিকস-২ হাড়িয়াবাড়ি আব্দুল সাত্তার দাখিল মাদ্রাসা ও হাড়িয়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়,হাড়িয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, সব সময় ইট বহন কারি টলি ও ট্রাক চলাচল করায় জীবনের ঝুকি নিয়ে স্কুলে যাওয়া আসা করতে হয় শিক্ষার্থীদের। যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাটা থেকে ক্লাশ রুমে, অফিস রুমে ও সমস্ত স্কুল চত্বরে ধুলা-বালি,ইটের গুড়া ও কালো ধোয়া এসে ভর্তি হয়ে যায়। এতে করে হাঁপানি, শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে কমলমতি শিক্ষার্থীরা।
ঢেংগাড়গর এলাকার আমির হোসেন বলে,ইটভাটার কালো ধোঁয়ায় গাছের পাতা মরে যায়,ফসলি জমির ক্ষতি হয়। আমের মুকুলের ক্ষতি হচ্ছে। এলাকায় ইটভাটার জন্য দূষণের কারণে ফসল ভালো হয় না।
আরেক বাসিন্দা মনিরুজ্জামান বাংলাদেশী বলেন, ইটভাটার কালো ধোঁয়া আর ধূলাবালিতে এলাকায় চলাফিরা চলা করা যায় না। অনেক মানুষ শ্বাসকষ্ট,হাঁপানিতে ভুগছেন। বিশেষ করে বৃদ্ধ এবং শিশুরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
এলাকাবসীর অভিযোগ রয়েছে ইটভাটার কলো ধোয়া আর ধূলাবালিতে পরিবেশ দুষন,রোগে আক্রান্ত ও ফসলের ক্ষতি হলেও প্রশাসন এ বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহন করে না। ম্যানেজ করে অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনা করছেন মালিকপক্ষ এমন তথ্য এলাকাবাসীর।
দূষণরোধে ইটভাটায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে জানিয়ে জামালপুর জেলা পরিবেশ অধিদফতরের সিনিয়র কেমিস্ট এ,কে,এম,ছামিউল আলম কুরসি বলেন,অবৈধ ইটভাটা গুড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এখনো অভিযান চলমান। জেলা ও উপজেলা প্রসাশনের সাথে সমন্বয় করে অভিযান পরিচালনা করে ইট প্রস্তুুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯ এর ধারা ৫(২) ধারা ও দন্ডের ধারা ১৫(১) এর (খ) অনুয়ায়ী দুই উপজেলায় মেলান্দহ ও ইসলামপুরে ১২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তীব্র বিদ্যুৎ সংকট আর জ্বালানি তেলের হাহাকারে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জামালপুরের ইসলামপুর জনজীবন। গত কয়েকদিন ধরে চলমান এই চরম অচলাবস্থায় স্থবির হয়ে পড়েছে ব্যবসা-বাণিজ্য কৃষি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্ম।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানির হাজারো বিক্ষুব্ধ মানুষ। অন্ধকারে ডুবছে জনপদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ,বেশ কয়েক দিন ধরে হোমিও ওষধের মতো ২৪ ঘণ্টার তিন ফুটা করে পল্লী বিদ্যুতের দেখা মিলছে। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন যখন ওষ্ঠাগত তখন দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধরা চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। বিশেষ করে রাতের বেলা দীর্ঘ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে পুরো উপজেলা এক ভুতুড়ে অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকছে। জ্বালানি সংকটে স্থবিরতা বিদ্যুতের পাশাপাশি জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। পাম্প গুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও মিলছে না পর্যাপ্ত ডিজেল বা পেট্রোল ও অকটেন। ডিজেল এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে পৌরশহরে বিভিন্ন অটোরাইস মিল,ইটের ভাটা গুলোতে ও পরিবহন খাতে। জ্বালানির পেট্রোল ও অকটেন অভাবে শিক্ষক,সাংবাদিক ও বিভিন্ন ব্যবসায়ী। বিদ্যুৎ সংকট করনে রাস্তায় যানবাহন কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও অফিসগামী মানুষ। এছাড়াও কৃষিও ব্যবসায় ধস; বিদ্যুৎ ও ডিজেলের অভাবে সেচ পাম্প বন্ধ থাকায় ফসলি জমি শুকিয়ে যাচ্ছে।
চাউল কল মালিক সমিতি সভাপতি হাজী নজরুল ইসলাম মিষ্টার বলেন, বিদ্যুৎ সংকটে কারনে উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে রাইসমিলসহ ব্যবসায়ীরা জেনারেটর চালিয়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সচল রাখা এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে,ফলে প্রতিদিন লোকসানের পাল্লা ভারী হচ্ছে।এখন ডিজেলও পাওয়া যাচ্ছেনা।
এক ভুক্তভোগী বলেন,আমরা বিল দিয়েও বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। তেলের অভাবে গাড়ি চলে না দোকান ও চলে না। আমরা এভাবে আর কতদিন অন্ধকারের মধ্যে থাকব?জামালপুর জেলা অন্য উপজেলা আমাদের মতে ভুক্তভোগী না।
এ বিষয়ে পল্লী বিদ্যুৎ দেওয়ানগঞ্জ ও চলতি দায়িত্ব ইসলামপুর ডিজিএম নিরাপদ দাস যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যুৎ সরবরাহ ঘাটতির কারণে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলায় ১৮ মেগাওয়াট প্রয়োজন কিন্তু ুআমরা পাচ্ছি ৪ থেকে ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। দ্রুত সমস্যা সমাধানের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা চলছে বলে তারা আশ্বাস দিয়েছেন।
রংপুর মহানগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড় থেকে সাতমাথা পর্যন্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় নগরীর জাহাজ কোম্পানি মোড়ে এই মানববন্ধনের আয়োজন করে মহানগর নাগরিক কমিটি। মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন।
এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব পলাশ কান্তি নাগ, স্থানীয় ব্যবসায়ী পার্থ বোস, জাহাজ কোম্পানির শপিং কমপ্লেক্স দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রিপন ইসলাম, জিএল রায় রোড ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, নাগরিক কমিটির সদস্য
মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, জাহাজ কোম্পানি থেকে সাতমাথা রাস্তা সংস্কারের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে বারবার আল্টিমেটাম দেয়ার পরেও প্রায় দুই বছরের কাছাকাছি হতে চলছে রাস্তার কোনো দৃশ্যমান উন্নয়ন হয়নি। বাজেট পাশ হয়েছে মর্মে বিভিন্ন কথা শোনা গেছে গত দিনগুলোতে এবং আজ, কাল করে আশানরূপ কোনো কাজ দৃশ্যমান হয়নি৷
বক্তাদের আরো অভিযোগ , দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও সিটি কর্পোরেশন পুনঃনির্মাণ কিংবা সংস্কারে কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে এই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী প্রতিদিন পঞ্চাশ হাজারেরও বেশি মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ তুলেছেন তারা। এ সময় নতুন প্রশাসকের কাছে দ্রুত রাস্তাটি পুনঃনির্মাণের কাজ শুরুর দাবিও জানান তারা।
তবে সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আজম আলী জানিয়েছেন, ওই রাস্তাটি পুনঃনির্মাণের টেন্ডার হয়েছে। এখন অ্যাসেসমেন্ট এর কাজ চলছে। দ্রুতই রাস্তাটি পুননির্মাণে কার্যাদেশ দেয়া হবে এবং কাজ শুরু হবে।
আপনার মতামত লিখুন