দায়সারা কৃষি মেলা, জনমনে তীব্র ক্ষোভ
বড়াইগ্রামে দায়সারা কৃষি মেলা, জনমনে তীব্র ক্ষোভ
মোঃ রেজাউল করিম মৃধা,
নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের বড়াইগ্রামে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে শুরু হয়েছে ৩দিন ব্যাপী কৃষি মেলা। এই মেলায় কৃষকদের সম্পৃক্ততা না থাকায় কৃষকসহ সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাত্র ১৫০০ বর্গফুট প্যান্ডেলের মধ্যে ৭ টি স্টল রয়েছে।তন্মধ্যে ৫টি স্টলই কৃষি মেলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জ্যপূর্ণ নয়। বাকি ২টির মধ্যে ১টি খাবার স্টল ও ১টিতে মেলা সংশ্লিষ্ট স্টল থাকলেও তাতে গাছগুলো নির্জীব ।যার ফলে উৎসুক জনতার উপস্থিতি একেবারেই নেই বললেই চলে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস চত্বরে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কন্দাল জাতীয় ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লায়লা জান্নাতুল ফেরদৌস। উদ্বোধনের সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের কয়েক জন কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া উল্লেখ যোগ্য তেমন কোন উপস্থিতি পরিলক্ষিত হয় নাই । তবে উৎসুক ২-৪ জন পথচারীকে মাঝে-মধ্যে মেলার স্টল ঘুরে দেখতে দেখা গেছে। মেলায় অংশ নেওয়া মিন্টু নার্সারীর মালিক মিন্টু জানান, তার মতোই তপবন নার্সারী, বাংলাদেশ বন্ধু ফাউন্ডেশন, সাদিয়া ফার্মার্স হাব , বড়াইগ্রাম নারী উন্নয়ন সংগঠন মেলায় স্টল নিয়েছে মূলতঃ গাছের-চারা, খাবার, বন্ধু চুলা বিক্রি করার জন্য । এ বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিক জাহিদ হাসান বলেন, ১ লক্ষ টাকা বাজেটের এই মেলায় কৃষক বান্ধব ও কৃষি সম্পর্কিত শিক্ষনীয় বিষয়ে তেমন কিছুই দেখলাম না। যার ফলে ঢিলেঢালা ভাবে শুধুমাত্র দায়সারা মেলা করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদাসীনতা এবং দায়িত্বহীনতার কারণে কন্দাল ফসল সংক্রান্ত মেলা বলা হলেও, কন্দাল ফসল বিষয়ে কৃষকদেরকে উদ্ধুদ্ধুকরণের জন্য তেমন কিছু এই প্রদর্শনীতে একেবারেই নাই। যার ফলে মেলাটি কৃষকবান্ধব না হওয়ায় তাদের কোনো রূপ সম্পৃক্ততা নাই।
এ ব্যাপারে ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মারফুদুল হক জানান, কৃষি মেলা নিয়ে সাংবাদিকরা যে বিষয় গুলো তুলে ধরেছেন, তা আমি আমলে নিয়েছি। দ্রুত এর সংশোধনী ও উন্নয়ন ঘটানো হবে।



আপনার মতামত লিখুন