খুঁজুন
রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট খরচের টাকা তছরূপের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৬ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট খরচের টাকা তছরূপের অভিযোগ

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের ইসলামপুরে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট খরচের ১০ লাখ টাকা তছরূপের অভিযোগ উঠেছে। তবে কর্মকর্তাদের দাবি, বিষয়টি সমাধান হয়ে গেছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে উপজেলার ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট খরচ বাবদ গত জুন মাসে প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য সাড়ে ১০ হাজার করে টাকা বরাদ্দ আসে। সেই টাকা জুন মাসে সংশ্লিষ্ট প্রধান শিক্ষকেরা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করেন। এরপর প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে জুলাই মাসে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলে সংশ্লিষ্ট গুচ্ছের তিনজন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ওই টাকা ফেরত নেওয়া হয়। কিন্তু সেই টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত না দিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তারা নিজেদের পকেটে রেখে দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে ক্ষুদ্ধ শিক্ষকরা নানা মহলে অভিযোগ তোলেন। পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান মাহমুদ বাবুর কাছেও বিচার প্রার্থী হন তাঁরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে মাত্র ১৮ থেকে ২০টিতে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। বাকিগুলোত সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা।

মরাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুন্নাহার বলেন, প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সাড়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। সরকারের রাজস্ব খাতে সেই টাকা জমা দেওয়ার কথা বলে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ তাঁর গুচ্ছের সব প্রতিষ্ঠানের পুরো টাকা ফেরত নিয়েছেন।

পূর্বকান্দারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রতি মাসে বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বাবদ এক হাজার টাকা খরচ হয়। গত জুনের শেষ দিকে ইন্টারনেট খরচ বাবদ আমাকে সাড়ে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হয়। কিন্তু গত ১১ জুলাই সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হারুন-অর-রশীদ রাজস্ব খাতে জমা দেওয়ার কথা বলে সেই টাকা ফেরত নেন।

ঘোনাপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুহুল আমীন, আলাই পূর্বপাড়ার প্রধান শিক্ষক আনোয়ার হোসেন এবং ধনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাইনুল হক বলেন, সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দীপা রাণী গোপ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা বলে তাঁদের কাছে টাকা করে ফেরত নিয়েছেন।

বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের ইসলামপুর উপজেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ মাসুদুর রহমান রাজা বলেন, আইএসপি নামে একটি বেসরকারি সংস্থাকে ইন্টারনেট সংযোগের কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেওয়া হয়। গত জুলাই মাসে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের মাধ্যমে টাকা ফেরত নেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন।

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা দীপা রাণী গোপ এবং আব্দুল হামিদ বলেন, অভিযোগের সত্যতা নেই। আমরা টাকা ফেরত নিইনি।

সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিইও) হারুন-অর-রশীদ বলেন, টাকা উত্তোলনের পর শিক্ষকেরাই কোনো এক শিক্ষকের কাছে জমা রেখে সুযোগ মতো ইন্টারনেটের বিল পরিশোধ করতে চেয়েছিলো। অভিযোগ ভিত্তিহীন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহানারা খাতুন বলেন, টাকা তছরূপের ঘটনা ঘটেনি। মূলত ইন্টারনেট বিতরণকারীদের সঙ্গে শিক্ষকদের ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিলো। বিষয়টি সমাধান হয়েছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের হাতে টাকা দেওয়া হয়েছে।

আগামী স্হানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৮:০২ পূর্বাহ্ণ
আগামী স্হানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে সারাদেশে একযোগে নানা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, সবুজ বাংলাদেশ গড়া এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।

​কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ১০নং নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ন যুব দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ও আগামী স্হানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১০ নং নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ের বিভিন্ন এলাকায় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করেন বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাহবুব আলম বলেন, “বিএনপি শুধু সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বসবাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়তেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম।”
তিনি আরো বলেন দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে কেবল গাছ রোপণ করেই ক্ষান্ত না হয়ে, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যা ও সংরক্ষণের আহ্বান জানান। তিনি আর বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশব্যাপী এই সবুজ বিপ্লব অব্যাহত থাকবে।

কালীগঞ্জে তিন মাদক সেবিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থদন্ড ও কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে তিন মাদক সেবিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থদন্ড ও কারাদণ্ড

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালিগঞ্জ (​গাজীপুর) প্রতিনিধি// গাজীপুরের কালীগঞ্জে এলাকায় মাদক সেবন করে শান্তি বিনষ্ট করা এবং পারিবারিক ও সামাজিক উৎপাত চালানোর অভিযোগে তিন মাদকসেবীকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
​শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আল-আমিন হালদার এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
​দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— উপজেলার বাহাদুরশাদী ইউনিয়নের বেতুয়া গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪৬), জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের পুনসহি এলাকার রহিম খানের ছেলে জয়নাল খান (২৭) এবং তুমলিয়া ইউনিয়নের চুয়ারিয়াখোলা এলাকার কাজী আনোয়ারের ছেলে কাজী জুয়েল (৩৫)।
​পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ার হোসেন ও জয়নাল খান নিয়মিত ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সেবন করে এলাকায় সর্বসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করে আসছিলেন। অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় জনতা তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের উভয়কে ১০০ টাকা জরিমানা এবং এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
​অন্যদিকে, আরেক দণ্ডপ্রাপ্ত কাজী জুয়েলের বিরুদ্ধে মাদক সেবন করে পরিবার ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং মাদকের টাকার জন্য ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। স্বজনরা অতিষ্ঠ হয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন। আদালত তাকে ১০০ টাকা জরিমানা এবং এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।
​ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে।
​উক্ত আদালত পরিচালনায় প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শান্তি চন্দ্র দাস, বেঞ্চ সহকারী মাহবুবুল ইসলামসহ পুলিশ সদস্যবৃন্দ।

সাংবাদিক নাদিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৪ অপরাহ্ণ
সাংবাদিক নাদিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জামালপুর প্রতিনিধি : সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যা মামলায় জড়িত সকল আসামিকে অবিলম্বে চার্জশিটে অন্তর্ভুক্তকরণ এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন করেছেন কর্মরত সাংবাদিকরা।

আজ শনিবার দুপুরে জামালপুর প্রেসক্লাবের সামনে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে জামালপুর প্রেসক্লাব। জামালপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাফিজ রায়হান সাদার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, বাবা আব্দুল করিম,
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম, তার বাবা হাজী মো. আব্দুল করিম, সাংবাদিক বজলুর রহমান, সাজ্জাদ আনসারী, কাফি পারভেজ, আনোয়ার হোসেন মিন্টু, শওকত জামান, জুলফিকার জাহিদ হাবিব, মোজাহিদ বাবু, জাকারিয়া জাহাঙ্গীর, শরিফুল ইসলাম ঝুকন, জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, দিলরুবা ইয়াসমিন রুমা সহ সাংবাদিক নেতারা।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বকশিগঞ্জের সাধুরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নির্দেশে তার ছেলে ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম ফয়সাল রিফাতের নেতৃত্বে সাংবাদিক নাদিমের ওপর হামলা চালিয় হত্যা করা হয়। তবে মামলার তদন্ত শেষে চার্জশিটে রিফাতসহ গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন আসামিকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা। হত্যা মামলায় কোনো আসামি যেন তদন্তের বাইরে না থাকে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তাদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবী জানান।

উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ১৪ জুন রাতে পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে বাড়ি ফেরার পথে বকশীগঞ্জের পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রব্বানী নাদিম। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে পরদিন তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহত সাংবাদিক নাদিমের স্ত্রী মনিরা বেগম বাদী হয়ে তৎকালীন সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল আলম বাবু এবং তার ছেলে উপজেলা ছাত্র লীগের যুগ্ম আহবায়ক ফাহিম ফয়সাল রিফাতসহ ২২ জনের নামে এবং ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে।

আগামী স্হানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত কালীগঞ্জে তিন মাদক সেবিকে ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থদন্ড ও কারাদণ্ড সাংবাদিক নাদিম হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে জামালপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক সফর শেষে শ্রীমঙ্গলে হাজী মুজিবকে নাগরিক সংবর্ধনা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ইন্টারনেট খরচের টাকা তছরূপের অভিযোগ