খুঁজুন
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

মান্দার জোতবাজার ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের উদ্যোগে বিশেষ গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ণ
মান্দার জোতবাজার ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের উদ্যোগে বিশেষ গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

গ্রাহক সেবা আরও গতিশীল ও বেগবান করা এবং গ্রাহকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের লক্ষ্যে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের উদ্যোগে এক বিশেষ গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
​আজ ২৮শে জুলাই ২০২৬ ইং মঙ্গলবার বিকাল ৫ ঘটিকায় ১০ নং নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে জোতবাজার ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের উদ্যোগে এক বিশেষ গ্রাহক সেবা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ গ্রাহক সমাবেশে ব্যাংকের বিভিন্ন আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর সেবা, নিরাপদ লেনদেন এবং গ্রাহক সুবিধা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিতি ছিলেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিতি ছিলেন মোঃ রোকনউদ্দিন সিনিয়র সেলস ম্যানেজার
মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার
মোঃ হুমায়ুন কবির সেলস ম্যানেজার নওগাঁ।
মোহাম্মদ এশিয়ার হোসেন স্বপন, মাস্টার এজেন্ট, নওগাঁ সদর।

​সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার শরিফুল ইসলাম তিনি বলেন, “ডাচ্-বাংলা ব্যাংক সর্বদাই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকদের সর্বাত্তম সেবা প্রদান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গ্রাহকদের আস্থা ও ভালোবাসাই আমাদের মূল চালিকাশক্তি।”
​অনুষ্ঠানে ব্যাংকের রকেট সেবা, এটিএম/সিআরএম বুথ ব্যবহার, মোবাইল অ্যাপস এবং সহজ শর্তে ঋণ প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের সচেতন করা হয়। একই সঙ্গে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে আসা বিভিন্ন পরামর্শ ও প্রস্তাব গুরুত্বের সাথে শোনো হয় এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
​উক্ত সমাবেশে ব্যাংকের স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সংখ্যক গ্রাহক উপস্থিত ছিলেন।

মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ৯জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ৯জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা থানার (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্ল্যা কর্তৃক মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আলেচিত পাইকুরহাটি ইউপির সুনই গ্রামের নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে মূল আসামী মেহেদী হাসান ডালি ও আনুসহ ০৯ জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভোক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

বুধবার দুপুরে সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটি’র হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক্র মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় লিখিত বক্তব্যে পাঠ করেন নিহত নাসিমের সহধর্মিনী রূপসা আক্তার।

নিহত নাসিমের স্ত্রী রূপসা আক্তার কান্নাজড়িত কণ্ঠে তার লিখিত বক্তব্যে সাংবাদিকদের বলেন,ধর্মপাশা থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম কর্তৃক মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিমিয়ে আসামীদের পক্ষে মামলার চার্জশিট দাখিল করেছেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, আমার স্বামী হত্যাকান্ডের পর ন্যায় বিচারের আশায় আমি থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে প্রথমে ওসি মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করেন। হত্যাকান্ডের মূল অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ডালি ও অলির নাম কেটে দিলে তিনি মামলা নিবেন বলে জানান।

পরবর্তীতে স্থানীয় এমপির নির্দেশে মামলা নিলেও মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে তিনি ১১ জন আসামীর মধ্যে মূল আসামীসহ ০৯ আসামীর নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিল করেন। আমি এ মামলাটি পুনঃতদন্তের জন্য সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সুনামগঞ্জের পুুিলশ সুপারের নিকট দাবী জানান। যারা আমার ছোট ছোট ৪টা সন্তানকে এতিম করেছে মামলার চার্জশিট থেকে বাদ পড়া প্রকুত খুনীদের চাজশিটে অন্তুভূক্ত করে তাদের অবিরম্বে গ্রেফতার করে ফাসিঁ কার্যকরের জন্য বর্তমান সরকারসহ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন নিহতের বড়ভাই আলামিন ও স্বজনসহ স্বআরো অনেকেই।

এ ব্যাপারে ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্ল্যার নিকট মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে চার্জশিট থেকে মূল আসামীদের নাম বাদ দিয়ে চার্জশিট দাখিলের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে সম্পূর্ণ মিথ্যা আখ্য দিয়ে বলেন,পুলিশ তদন্ত করে নাসিম হত্যাকান্ডের সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে তাদের নামে চার্জশিট দেয়া হয়েছে। তাছাড়া বাদিপক্ষ তো আদালতের শরনাপন্ন হতে পারতেন এবং চার্জশিট দেয়ার আগে আমাদেরকে বলতে পারতেন বা জানতে চাইতে পারতেন ওদের নাম বাদ দিয়ে কেন চার্জশিট দেয়া হচ্ছে তখন আমরা তাদের তদন্তের পুরো বিষয়টি ব্যাখা দিতে পারতাম।

উল্লেখ্য গত ৬ জুন ২০২৬ ইং তারিখে ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরহাটি ইউনিয়নের সুনই গ্রামের মেহেদী হাসান ডালি ও আনু মিয়া গংরা নাসিম মিয়ার চাচাতো বোনকে একা পেয়ে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিসহ শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন। এই ঘটনায় নাসিম প্রতিবাদ করলে নামাংঙ্কিত ব্যাক্তিরা নাসিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়। নাসিমের স্ত্রী রূপসা আক্তার বলেন,ঘটনার দু”দিন পূর্বে ডালি ও আনু গংরা তার দেবর জসিমের মোটর সাইকেল আটকিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে কবর খুড়ে রাখার হুমকি দেন এবং ৬ই জুন তার ভাসুর,স্বামী নাসিম,দেবর জসিমসহ বেশ কয়েকজনকে হত্যার চেষ্টায় আক্রমন করে এবং গত ৭ই জুন ডালি ও আনু গংরা তার স্বামী নাসিমের সাথে পূর্ববিরোধের জেরে প্রথমে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে নাসিমকে গিল,ঘুষি লাথি ও পাইপ দিয়ে পিঠিয়ে মারাত্মকভাবে রক্তাক্তজখম করে এবং পরবর্তীতে নাসিম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মামলা দায়েরের পর মূল আসামীদের চার্জশিট থেকে বাদ দিলেও বাকি আসামীরা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়ে এসে নিহতের সহধর্মিনী রূপসা আক্তারসহ স্বজনদের মামলা তুলে আনার জন্য হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

ইসলামপুরে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতা মলিনের বিরুদ্ধে

হোসেন শাহ্ ফকির
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ২:৫৩ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতা মলিনের বিরুদ্ধে

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির, ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি : জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে উপজেলা সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আব্দুল লতিফ মিয়াকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত যুবদলের ওই নেতার নাম হামিদুর রহমান মলিন। তিনি উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। মারধরের শিকার আব্দুল লতিফ মিয়া উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উচ্চমান সহকারী পদে কর্মরত।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিকেল উপজেলা প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে উপজেলা পরিষদের সাঁট-মুদ্রাক্ষরিক ও প্রশাসক গোপনীয় সহকারীর (সিএটু) কক্ষে এঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের বেনুয়ারচর আব্দুল মালেক মণ্ডল এতিমখানার পরিচালনা কমিটিসংক্রান্ত স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছে। এরই একপক্ষের লোকজন
সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মচারী আব্দুল লতিফ মিয়াকে মারধর করেছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ জুন এতিমখানার পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। পুনরায় কমিটির অনুমোদনের জন্য এতিমখানার আগের কমিটির লোকজন উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে আবেদন করেন। এই খবর পেয়ে পরবর্তীতে অপরপক্ষ কমিটির অনুমোদন চান। এনিয়ে সমস্যা সৃষ্টি হলে দুই পক্ষের আবেদনই জেলা কার্যালয়ে প্রেরণ করেন কর্তৃপক্ষ।

ভুক্তভোগী আব্দুল লতিফ মিয়া বলেন, ‘আজ বিকেলে ফ্যামিলি কার্ড জরিপ কাজে সুপারভাইজার পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ইউএনও স্যারের কার্যালয়র আমার পেশাগত দায়িত্ব ছিলো। আমি যথা সময়ে উপস্থিত হয়ে ইউএনও স্যারের কার্যালয়ের পাশে সিএটু সুমন মণ্ডলের কক্ষে অবস্থান করি। এসময় আমার মোবাইল ফোনে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে কল আসে। কল রিসিভ করা মাত্রই অপরিচিত ব্যক্তি আমাকে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে যাওয়ার জন্য ডাকেন। আমি নিয়োগ পরীক্ষার কাজে থাকার বিষয়টি তাঁকে জানাই।

আব্দুল লতিফ মিয়া আরও বলেন, যুবদল নেতা হামিদুর রহমান মলিনের নেতৃত্বে একদল অপরিচিত লোক এসে এতিমখানার কমিটি অনুমোদন কেন হচ্ছে না; তা আমার কাছে জানতে চায়। বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা মাত্রই গালাগালি করাসহ তাঁরা আমার ওপর হামলা করে। আমাকে কিল-ঘুষি দেয়। খবর পেয়ে পাশে অবস্থান করা আনসার সদস্য এবং সরকারি কর্মচারীরা আমাকে উদ্ধার করে। পরে বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা এবং ইউএনও স্যাকে অবগত করেছি।’

অভিযুক্ত যুবদল নেতা হামিদুর রহমান মলিন বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে অযথা অভিযোগ তোলা হচ্ছে। মূলত এতিমখানার কমিটি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আমি বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। এখন উল্টো আমার বিরুদ্ধেই মনগড়া অভিযোগ করা হচ্ছে। যিনি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন, তিনি কমিটি অনুমোদনের জন্য ২০ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে।’

ইউএনও শাহ্ মো. জুবায়ের বলেন, ‘ভুক্তভোগীর পক্ষে লিখিত অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি জেলা প্রশাসক স্যার জানেন। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মারধরের ঘটনা ঘটেছে কি না; এমন প্রশ্নের জবাবে ইউএনও বলেন, ‘আমি ঘটনা সময় বাইরে ছিলাম। কার্যালয়ে গিয়ে অবগত হয়েছি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে।

ঘাটাইলে সড়ক দখল করে বসছে হাট-বাজার

পাবলিক বাংলা নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৩ অপরাহ্ণ
ঘাটাইলে সড়ক দখল করে বসছে হাট-বাজার

মোঃ সবুজ সরকার সৌরভ, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক সড়ক ও মহাসড়ক দখল করে নিয়মিত বসছে হাট-বাজার। হাটের নিজস্ব জায়গা থাকা সত্ত্বেও সড়কের ওপর বাজার পরিচালিত হওয়ায় প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থী, রোগী ও বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী যাত্রীরা।
সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির চিত্র দেখা যায় উপজেলার পাহাড়ি অঞ্চলের গারোবাজার, সাগরদীঘি, জোড়দীঘি, ধলাপাড়া ও চাপড়ি হাটে। এছাড়া টাঙ্গাইল–ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাকুটিয়া, ব্রাহ্মণশাসন, কদমতলী ও হামিদপুর হাটেও একই চিত্র বিরাজ করছে। হাটের নির্ধারিত জায়গা ফাঁকা রেখেই সড়কের ওপর বসানো হচ্ছে আনারস, কাঁঠাল, কলা, ধান, সবজি ও অন্যান্য পণ্যের বাজার।
বিশেষ করে গারোবাজার ও সাগরদীঘি হাটে সাপ্তাহিক দুই দিনের হাট ছাড়াও বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিনই ফল ও কৃষিপণ্যের বাজার বসে। ফলে বাজারসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকে বিভিন্ন যানবাহন।
সরেজমিনে গারোবাজার এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সড়কের মাঝেই চলছে কেনাবেচা। বাজারে আসা ক্রেতা-বিক্রেতা ও পরিবহন একসঙ্গে চলাচল করায় পুরো এলাকায় অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। এতে অ্যাম্বুলেন্স, বাস, ট্রাক, সিএনজি ও মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহন দীর্ঘ সময় আটকা পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ঘাটাইল, মধুপুর ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সংযোগস্থলে অবস্থিত গারোবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যকেন্দ্র। বাজারটির সঙ্গে পাঁচটি পাকা সড়কের সংযোগ রয়েছে। গারোবাজার–পোড়াবাড়ি এবং গারোবাজার–ফুলবাড়িয়া সড়ক বাজারটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করেছে। একই সময়ে সিরাজনগর গারোবাজার ও সুনামগঞ্জ গারোবাজার নামে দুটি পৃথক হাট বসে।
সুনামগঞ্জ গারোবাজারের প্রায় আট একর সরকারি সম্পত্তি থাকলেও এর অনেক অংশ প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে সড়কের ওপরই বসছে ফল ও কৃষিপণ্যের বাজার। চলতি অর্থবছরে এ হাটের ইজারা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ লাখ ৫১ হাজার ৫০০ টাকা। অপরদিকে সিরাজনগর গারোবাজার অংশের প্রায় ৩৭৭ শতাংশ সরকারি জমিরও বড় একটি অংশ দখলে রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এ অংশের ইজারা মূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা।
যানজটে আটকে পড়া যাত্রী ফজলুল হক বলেন, “আমাদের দুর্ভোগ দেখার কেউ নেই। যারা হাটের ইজারা দিয়েছে এবং যারা নিয়েছে, তারাই সড়ক দখল করে বাজার বসিয়ে খাজনা আদায় করছে। সাধারণ মানুষের কষ্টে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই।”
স্থানীয় কবি ও কৃষক ইদ্রিস কাজল বলেন, “এই এলাকায় কোনো গুরুতর অসুস্থ রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিতে হলে বড় ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। দীর্ঘ যানজটে রোগীর জীবনও বিপন্ন হতে পারে। জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত বিকল্প সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।”
এক পথচারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “মানুষের দুর্ভোগ বা রোগীর মৃত্যুঝুঁকি—কোনো কিছুরই যেন গুরুত্ব নেই। দ্রুত এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।”
মুরাইদ সিরাজনগর গারোবাজার পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুল ইসলাম তরফদার বলেন, “ইজারাদারদের সঙ্গে নিয়ে আমরা বাজারকে নির্ধারিত জায়গায় স্থানান্তরের চেষ্টা করি। কিন্তু ব্যবসায়ী ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনীহার কারণে তা পুরোপুরি সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, “সমস্যাটি দীর্ঘদিনের। জনদুর্ভোগ নিরসনে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।”
দীর্ঘদিন ধরে চলমান এ সমস্যার দ্রুত ও স্থায়ী সমাধানে হাটকে নিজস্ব জায়গায় স্থানান্তর, সড়ক দখলমুক্ত রাখা এবং বিকল্প সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মান্দার জোতবাজার ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের উদ্যোগে বিশেষ গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ৯জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন ইসলামপুরে সরকারি কর্মচারী কল্যাণ পরিষদের সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতা মলিনের বিরুদ্ধে ঘাটাইলে সড়ক দখল করে বসছে হাট-বাজার মাদারগঞ্জে চেয়ারম্যান প্রার্থী'র বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন