লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের পূর্ব ফকিরপাড়া ৩নং ওয়ার্ডে আবুল হোসেনের বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের আফজাল হোসেন ও তার লোকজনের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ একাধিকবার বৈঠক করলেও এখনো কোনো সমাধান হয়নি।
আবুল হোসেন দাবি করেন, তিনি প্রায় ৩৫ বছর ধরে ওই জমিতে বসবাস করে আসছেন। সম্প্রতি তাকে উচ্ছেদের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জামালপুর প্রতিনিধি : জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় চিনারচর গ্রামের মাদক সম্রাট জুয়াড়ি ও নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগে দুই যুবদল নেতার শাস্তির দাবি ও বহিস্কার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে স্থানীয় জনপদ।
স্থানীয়দের অভিযোগ অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন আবদুল কুদ্দুস এলাকার ‘শীর্ষ মাদক সম্রাট’ ও শাহানুর রহমান পলাশ একজন ‘শীর্ষ জুয়াড়ি’ এবং ‘নারী কেলেঙ্কারির হোতা’ হওয়ার গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। উভয়
ব্যক্তিই চরপুটিমারী ইউনিয়নে যুবদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত মানববন্ধনে বলা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধারণ মানুষ অভিযোগ করেন যে,এই দুই ব্যক্তির অপকর্মে এলাকার সামাজিক পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পড়ছে।
এ সময় সমবেত জনতা প্রশাসনের কাছে প্রধান দুটি দাবি তুলে ধরেন অভিযুক্তদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা ও চরপুটিমারী ইউনিয়নে যুবদল থেকে তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা।
চিনারচর এলাকায় আয়োজিত এই মানববন্ধনে চরপুটিমারী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অংশ গ্রহণ কারীদের হাতে থাকা ব্যানারে অভিযুক্তদের ছবি এবং তাদের কর্মকাণ্ডের বর্ণনা দিয়ে প্রতিবাদ জানানো হয়।
বক্তারা বলেন,”দলে থেকে যারা মাদক ও চারিত্রিক স্খলনের মতো অপরাধে লিপ্ত,তাদের কোনো ছাড় নেই। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত তাদের গ্রেপ্তার করুক এবং দল থেকেও তাদের চিরস্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হোক।”
এ ব্যাপারে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শেখ হেলাল বলেন,তাহারা যদি প্রকৃত দোষী হন,আমরা জেলা নেতাকর্মীদের অবগত করে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নওগাঁর মান্দা উপজেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে রানার্সআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে পাজরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা দল। ছাত্রীদের এই কৃতিত্বের স্বীকৃতি দিতে এবং তাদের খেলাধুলায় আরও উৎসাহ জোগাতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. ইকরামুল বারী টিপু-এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার হিসেবে জার্সি প্রদান করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে এসব জার্সি হস্তান্তর করা হয়। সংসদ সদস্যের পক্ষে উপহার তুলে দেন সাবেক ছাত্রদল নেতা নূর এনায়েত নুরুজ্জামান হারুন। তিনি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন -এর হাতে খেলোয়াড়দের নতুন জার্সি সেট তুলে দেন। জার্সি গ্রহণকালে প্রধান শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন সংসদ সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, আমাদের ছাত্রীদের এই সাফল্যকে সম্মান জানানোর জন্য মাননীয় সংসদ সদস্যকে ধন্যবাদ।
এ ধরনের অনুপ্রেরণা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের খেলাধুলায় আরও আগ্রহী করে তুলবে। ভবিষ্যতে তারা উপজেলার গণ্ডি পেরিয়ে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকবৃন্দ ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত নৈপুণ্য প্রদর্শন করে পাজরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মহিলা দল রানার্সআপ হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করায় এলাকায় প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পশ্চিম সারডুবী ০১ নং ওয়ার্ডের গাইটবান এলাকার এক অসহায় দিনমজুর পরিবারের হৃদয়বিদারক চিত্র চোখে পড়েছে। জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করে চলা মোছাঃ রোজিফা বেগমের পরিবার আজ প্রকৃতির নির্মম আঘাতে আরও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
দিনমজুরের সামান্য আয়ে কোনোভাবে পাঁচ সন্তানের সংসার চালিয়ে আসছিলেন রোজিফা বেগম। কিন্তু সম্প্রতি টানা কয়েক দিনের ঘূর্ণিঝড় ও বৈরী আবহাওয়ায় তাদের একমাত্র বসতঘরটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ে পরিবারটি।
বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে পলিথিন টানিয়ে অস্থায়ীভাবে বসবাস করছেন তারা। বৃষ্টির পানি, ঝড়ো হাওয়া আর অনিশ্চয়তার মধ্যে ছোট ছোট শিশুদের নিয়ে দিন কাটছে চরম কষ্টে। পরিবারটিতে রয়েছে ৫ জন সন্তান, যার মধ্যে একজন প্রতিবন্ধী যার যত্ন ও চিকিৎসা ব্যয় পরিবারের জন্য বাড়তি বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
পরিবারের কর্তা আঃ জলিল দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। অসুস্থতার কারণে তিনি কোনো ধরনের শ্রমমূলক কাজ করতে অক্ষম। ফলে সংসারের পুরো দায়িত্ব এসে পড়েছে রোজিফা বেগমের কাঁধে। তার পিতা জহির উদ্দিন। সীমাহীন দারিদ্র্য আর প্রতিকূলতার মধ্যেও সন্তানদের বাঁচিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যাচ্ছেন তিনি।
তাদের নিজস্ব প্রায় ১০ শতক বাডিভিটা থাকলেও নতুন করে ঘর নির্মাণ বা মেরামতের মতো কোনো আর্থিক সামর্থ্য নেই। দিন এনে দিন খাওয়া এই পরিবারটির কাছে এখন একটি নিরাপদ আশ্রয়ই সবচেয়ে বড় চাওয়া।
এমন মানবেতর পরিস্থিতিতে পরিবারটি সমাজের বিত্তবান, দানশীল ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে জরুরি সহায়তার আকুল আবেদন জানিয়েছেন। সামান্য সহায়তাই পারে একটি অসহায় পরিবারকে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাতে।
সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ:
বিকাশ: 01737400928
নগদ: 01746454820
আপনার মতামত লিখুন