খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর সাথে সখ্যতায়, কাজপায় কাজল,অনিয়মের অভিযোগ

সিরাজুল ইসলাম-লালমনিরহাট।
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ
হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর সাথে সখ্যতায়, কাজপায় কাজল,অনিয়মের অভিযোগ

লালমনিরহাটের

হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর আখতার হোসেনের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিনা টেন্ডারে একের পর এক কাজ বাগিয়ে নিচ্ছেন সেই কাজল। এমন অভিযোগ ও ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে সাধারণ ঠিকাদারদের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়,হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন ২০২৪ সালে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করার পর থেকে আজ অবদি পূর্বের ন্যায় ফ্যাসিস্ট সরকারের তালিকাভুক্ত ও নিজের পরিচিত ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে একের পর এক কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ঠিকাদার কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। এ ঘটনার পর থেকে হাতীবান্ধার উপজেলা প্রশাসনের বিনার টেন্ডার কাজ প্রকৌশলীর মাধ্যমে বাগিয়ে নিচ্ছেন কাজল। এতে মোটা অংকের লেনদেনের কথাও উঠে আসছে।
হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলী মাধ্যমে প্রভাতীর দুইটি কাজ দইখাওয়া বাজার ও সিন্দুর্না হাটের সংস্কার কাজ করছেন। পাশাপাশি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
হাতীবান্ধা উপজেলার ৩৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা সরবরাহ করেন।

হেনা এন্টারপ্রাইজের পরিচারক কাজল হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগিমারী ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে মৃত মনছুর আলী ছেলে।

জানা গেছে,লালমনিরহাট ১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মোতাহার হোসেনে ছেলে ও হাতীবান্ধা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান সোহাগ ও হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন বাচ্চুর সাথে ঘনিষ্ঠতার কারণে বিগত আওয়ামীলীগের ১৭ বছর হাতীবান্ধা উপজেলা প্রশাসনের সকল প্রকার ঠিকাদারি করে আসছেন। এতে তার হেনা ট্রেডার্স নামে লাইসেন্স টিও ভারী হয়ে ওঠেন। কাজল হোসেন নিজেকে হাতীবান্ধা উপজেলা প্রকৌশলীর একজন কর্মকর্তা পরিচয়ে সকল ঠিকাদারি কাজ সম্পন্ন করেন। পাশাপাশি উপজেলা প্রকৌশলীর সকল প্রকার কাজ বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখভাল করেন হাতীবান্ধা প্রকৌশলীর মাধ্যমে। কাজল হোসেন প্রশাসনের বিভিন্ন কাজ পাওয়া ইউএনওর কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সাথেও সখ্যতা গড়ে তোলেন।

হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়ক, ব্রীজ কালভার্ট ও উন্নয়ন প্রকল্প গুলো কাজের গুণগত মান খারাপ। ঠিকাদারদের সাথে আতাত করে উন্নয়ন প্রকল্প কাজগুলো সম্পন্ন করছেন প্রকৌশলী। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার উন্নয়ন প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও এখনো সেই কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। অপরদিকে হাতীবান্ধা উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন পরিষদের সংস্কারে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকার টেন্ডার হলেও প্রথম পক্ষের নাম ঘোষণা করতে আপত্তি করেন উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেন। এতেই সন্দেহ সৃষ্টি হয়। প্রথম পক্ষের কাছ থেকে কাজটি নিয়ে প্রকৌশলী অন্য ঠিকাদারদের মাধ্যমে করার বিষয়টি প্রকাশে আসে।

হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন সড়কের কার্পেটিং ও সিলকোড করলেও সম্পূর্ণ হওয়ার এক মাস আগেই তা উঠে যাচ্ছে। এমন অভিযোগ করছে এলাকাবাসীরা।

নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন ঠিকাদার বলেন,টেন্ডারের মাধ্যমে কাজ পেলেও এই প্রকৌশলী সবসময় ঠিকাদারদের সাথে দুর্ব্যবহার ও দ্রুত কাজ করার চাপ প্রদান করেন। অপরদিকে কিছু ঠিকাদারের কাজ সম্পন্ন হলেও বিল আটকে রাখেন।

হেনা ট্রেডার্স এর ঠিকাদার কাজল হোসেন বলেন, প্রভাতীর কাজ আমি পাইনি এটি প্রকৌশলীর কাজ। আমি শুধু মিস্ত্রি সাপ্লাই দিয়েছি। প্রকৌশলের সাথে সখ্যতা বিষয়টি তিনি এড়িয়ে গিয়ে বলেন,আমার লাইসেন্স খুবই ভারী রন্টুর লাইসেন্স আমার সাথে পারেনা । সিস্টেমের বাইরে কেউ কাউকে কাজ দিতে পারে না। বিষয়গুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

হাতীবান্ধা উপজেলার প্রকৌশলী আখতার হোসেন বলেন,কোন ঠিকাদার কে কাজ দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই। কাজলের সাথে গভীর সম্পর্কের বিষয়টি এড়িয়ে বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের কাজ গুলো চেয়ারম্যান সাহেবরা কাজলের মাধ্যমে করে থাকেন। এখানে আমার করার কিছুই নেই।
প্রভাতীর কাজ প্রকৌশলী ও এল সি এস করছে। আনিত বিষয়গুলো তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। কৌশলী হিসেবে সব জায়গায় আমাকে জবাবদিহি করতে হয়।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আফরিন হক বলেন, ঠিকাদার কাজল সাহেব কিভাবে কাজগুলো পান সে বিষয়গুলোর আমরা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

মাহামুদুল হাসান রনি মাদারীপুর প্রতিনিধি,
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

 

আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাইর প্রাইভেট কারে অগ্নিসংযোগ।

টেকেরহাটে পীরের বাড়িতে গ্যারেজে রাখা প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটে গ্যারেজে রাখা একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ৬ সেপ্টম্বর ২০২৬, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে টেকেরহাটের পীর সাহেব মরহুম দেলোয়ার হোসেন আনসারীর বাড়ির গ্যারেজে থাকা তার ছোট ছেলে আসাদ আনসারীর প্রাইভেটকারে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে।

আসাদ আনসারী,আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাই।

আগুনে গাড়িটির বিভিন্ন অংশ পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কারা এবং কী কারণে গাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি। কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন