খুঁজুন
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ, ১৪৩৩

রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২১ অপরাহ্ণ
রংপুর ৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও ভোট গননার দাবিতে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফল ছিনতাইয়ের অভিযোগ তুলে রংপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসানকে আঙুল উঁচিয়ে শাসিয়েছেন রংপুর—৪ (পীরগাছা—কাউনিয়া) আসনের বিএনপির পরাজিত প্রার্থী এমদাদুল হক ভরসা। আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় ডিসি কার্যালয়ে তাকে এভাবে শাসান তিনি। এ সময় এমদাদুল হক ভরসা ডিসিকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘আপনার বউ—বাচ্চারাও রাস্তায় নামবে।

এদিন রংপুর—৩, ৪ ও ৬ আসনের পরাজিত বিএনপির প্রার্থীরা নেতাকর্মীদের নিয়ে ডিসি অফিস ঘেরাও করেন। পরে পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, সামসুজ্জামান সামু ও এমদাদুল হক ভরসা ডিসির রুমে গিয়ে আবারও ভোট গণনার দাবিতে স্মারকলিপি দেন। এ সময় ডিসি ভোট পুনর্গণনার অনুমতি আইন অনুযায়ী তার হাতে নেই উল্লেখ করে ইলেকশন ট্রাইবুনালে মামলার কথা বললে এমদাদুল ভরসা ডিসিকে উদ্দেশ করে দুই আঙুল উঁচিয়ে উঁচিয়ে কথা বলেন এবং বিভিন্ন অভিযোগ আনেন।

এমদাদুল হক ভরসা ডিসিকে উদ্দেশ করে বলেন, আমরা তো অভিযোগ দিয়েছি, ভোট পুনর্গণনা করতে কত দিন লাগবে? ৫ বছর পরে ২ বছর? নাকি কালকে? আপনি আমাদের টাইম ফ্রেম বলেন। আপনি যদি এখন আমাকে সিস্টেম দেখান, যখন ভোটটার অনিয়ম করেছেন তখন তো সিস্টেমে করেন নাই। তখন তো অনিয়মে করছেন। এখন যদি আমাকে সিস্টেমে ফেলান, আমি এটা মানব না। আমার কথা হল, আমার গণনা আমি দ্রুত চাই। কবে নিষ্পত্তি হবে?

তিনি বলেন, ভাই আমার কথাটা হল আপনি যখন অনিয়ম করলেন তখন তো কোন সিস্টেম ছিল না। আমার কপালে আপনি সিস্টেম আনছেন। আমি এটা মানতে রাজি নই। আপনি আমাকে বলেন, কয়দিন লাগবে। আমি দুইভাবে রাস্তায় হাটব ভাই। আমি আন্দোলন করব। আমি আইনি মাধ্যমেও হাত দিব। আপনার হাতে সব আছে, আপনার হাতে ব্যালট আছে, আপনি টাইম কিল করে ব্যালট চেঞ্জ করে দিবেন সে ক্ষমতাও আপনার আছে। আমার জনগনকে বলেন কবে নাগাদ, কয়দিন লাগবে।

দুই আঙুল উঁচিয়ে এমদাদুল হক ভরসা ডিসিকে আরও বলেন, আপনি জানেন না। আমরা ১৭ বছর জীবনযুদ্ধ করেছি। আপনি এখন সিস্টেমের কথা বলেন, ভাই আমার অভিশাপ লাগবে। আমার বাল—বাচ্চারা কানতেছে। আল্লাহর তরফ থেকে আপনার বাল—বাচ্চারা রাস্তায় নামবে। এটা আমার অভিশাপ। আপনি আমার ফলাফল ছিনতাই করেছেন। এর জবাব আল্লার পক্ষ থেকে পাবেন। আপনার ফ্যামিলি পাবে। আমার বউ—বাচ্চাকে আপনি কষ্ট দিচ্ছেন। আমার বউ—বাচ্চার যে চোখের পানি আপনি ফেলাইছেন। আল্লাহর তরফ থেকে আপনার বিচার হবে। আপনার বিচার হবে। আপনার বিচার হবে।

পরে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও ৬ আসনে পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাস এবং মহানগর আহ্বায়ক ৩ আসনের পরাজিত প্রার্থী সামসুজ্জামান সামু এমদাদুল ভরসাকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন। এ সময় ডিসির কক্ষেই এমদাদুল ভরসার নেতাকর্মীদের ‘ডিসির দুই গালে জুতা মারো তালে তালে’ বলে স্লোগান দিতে দেখা যায়। তারা গালিগালাজও করেন।

দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত ডিসি অফিস ঘেরাও করে সমাবেশ ও বিক্ষোভ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ‘ভোট চোর ভোট চোর, ডিসি ভোট চোর’, ‘ভোট চোর ভোট চোর, এসপি ভোট চোর’, ভোট চোর ভোট চোর, আখতার ভোট চোর’, ‘ভোট চোর ভোট চোর জামায়াত—শিবির ভোট চোর’, ‘জামায়াত শিবির রাজাকার, এ মুহূর্তে বাংলা ছাড়’, ‘ডিসির দুই গালে জুতা মার তালে তালে’, ‘এসপির দুই গালে জুতা মার তালে তালে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

পরে এক ব্রিফিংয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, রংপুর—৩, ৪ ও ৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ভোট পুনঃগণনার জন্য আবেদন দিয়েছে। সে আবেদনগুলো আমরা যথাযথভাবে গ্রহণ করেছি। আমরা দ্রুত নির্বাচন কমিশন সচিবলায়ে প্রেরণ করব।

তিনি বলেন, নির্বাচনী আইন—১৯৭২ এর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ফলাফল ও গেজেট প্রকাশের পর নির্বাচনী ট্রাইবুনাল কিংবা উচ্চ আদালতের আদেশ ছাড়া ভোট পুনঃগণনার কোন অনুমতি দেওয়ার ক্ষমতা আমার নেই। তারপরেও আজ আমার সাথে কি ভাষায় বলা হয়েছে, তা মব তৈরির চেষ্টা, এই জাতীয় মব কন্ট্রোলের জন্য আমাদের যে সিআরপিসি ধারা রয়েছে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রংপুরে অত্যন্ত আনন্দমুখর উৎসবের আমেজে সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ভোট হয়েছে। ৬৫ ভাগ ভোটার ভোট প্রদান করেছেন। এটাকে বিতর্কিত করার কোন সুযোগ নেই।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০১ অপরাহ্ণ
চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের কান্দারচর ও সাজালের চর এলাকার যৌথ উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা আনুষ্ঠানিকভাবে পানিতে ভাসানো হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ১০১ হাত আনন্দতরী বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা বিএনপির সদস্য ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুর রহমান মলিন।

এ সময় দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নৌকাবাইচপ্রেমী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলার হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ গ্রামীণ সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই ১০১ হাত দীর্ঘ বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসানোর মাধ্যমে এলাকার ঐতিহ্য সংরক্ষণ এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে এলাকার সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।

প্রধান অতিথি হামিদুর রহমান মলিন বলেন, “নৌকাবাইচ শুধু একটি খেলা নয়, এটি বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। চরাঞ্চলের এই ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে নতুন প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করতে হবে। চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের মানুষের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। ভবিষ্যতেও গ্রামীণ ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে আমি সবসময় পাশে থাকব।”

নৌকাটি পানিতে ভাসানোর সময় উৎসুক জনতার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। স্থানীয়দের উচ্ছ্বাস ও করতালির মধ্য দিয়ে নৌকাটির শুভ যাত্রা শুরু হয়।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের লক্ষ্যে নৌকাটি প্রস্তুত করা হয়েছে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্থানীয়দের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণ ছিল উল্লেখযোগ্য।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আকবর, সিরাজ মেম্বার, রমজান আলী, ১১নং চরপুটিমারী ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি শহিদুল্লাহ বেপারী, বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীন, চরপুটিমারী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম লেবু ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নুরনবীসহ চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আত্রাই প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্পের উদ্যোগে রচনা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৭ জুলাই) বেলা ১১ টায় শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘‘জলবায়ু পরিবর্তন ও বাংলাদেশের প্রভাব” বিষয়ক রচনা প্রতিযোগিতা এবং “অসহনীয় তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য অপরিকল্পিত নগরায়নই দায়ী” বিষয়ের উপর বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: শহিদুল ইসলাম, ইউনিট ম্যানেজার আব্দুর রউফ মিলন, সহকারী শিক্ষক মো: সাজেদুর রহমান, মো: মামুনুর রশীদ, অনামিকা কর্মকার, বিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ ও স্কুলের শতাধিক ছাত্র-ছাত্রীগণ।
অনুষ্ঠানটি সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন প্রকল্পের এ্যাডভোকেসী ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী।
শেষে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের সকলকে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬, ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ
কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী

Oplus_131072

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি:
খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার ১ নং আমাদী ইউনিয়ন পরিষদের সম্ভাব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন মহলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সমাজসেবা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি বর্তমানে খান সাহেব কমরউদ্দীন ডিগ্রি কলেজে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। শিক্ষকতা পেশায় দায়িত্বশীলতা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধের কারণে তিনি শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সাধারণ মানুষের কাছে একজন পরিচিত মুখ।

রাজনৈতিক পরিচয়ের দিক থেকেও তিনি এলাকায় সুপরিচিত। তিনি আমাদী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক (সেক্রেটারি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্থানীয়দের মতে, রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি একজন শিক্ষাবিদ হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা তাকে সম্ভাব্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

এলাকাবাসীর জানান, আমাদী ইউনিয়নে নদীভাঙন, সুপেয় পানির সংকট, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি, মৎস্য খাত এবং শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। তাদের বিশ্বাস, প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ নির্বাচিত হলে এসব সমস্যা সমাধানে পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে পারবেন।

একাধিক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “আমরা এমন একজন চেয়ারম্যান চাই, যিনি সৎ, শিক্ষিত, অভিজ্ঞ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক থাকবেন। প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে কাজ করছেন। তাই তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।”

এ বিষয়ে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমি সবসময় মানুষের কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। এলাকার মানুষ যদি আমাকে ভালোবাসা ও সমর্থন দেন এবং ভবিষ্যতে কোনো দায়িত্ব অর্পণ করেন, তাহলে আইন ও নীতিমালার আলোকে সকলকে সঙ্গে নিয়ে আমাদী ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে কাজ করব। শিক্ষা, স্বচ্ছতা, সুশাসন ও জনসেবাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানুষের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা থাকবে।”

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সততা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং উন্নয়নের পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিষয় বিবেচনায় এনে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদের নাম ইতোমধ্যে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় আলোচনায় এসেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখনো কোনো রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা ও মতবিনিময় অব্যাহত রয়েছে।

চরপুটিমারী ও চরগোয়ালিনী ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ১০১ হাত বাইছেল নৌকা পানিতে ভাসলো আত্রাই ডাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কয়রার ১ নং আমাদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে প্রফেসর আবুল কালাম আজাদকে দেখতে চান এলাকাবাসী কলাপাড়ার শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কমিটি ঘোষণা, সভাপতি রফিকুল ও সম্পাদক দ্বীপ ঢালী মাদারগঞ্জের বালিজুড়ী বাজারে গিফট কর্নারে অগ্নিকান্ড'১৫ লক্ষ টাকা ক্ষয়ক্ষতির দাবী কর্তৃপক্ষের