খুঁজুন
বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

একদিকে প্রচন্ড প্রত্যাশা অপরদিকে আস্থার অভাব: রংপুরে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

পাবলিক বাংলা :
প্রকাশিত: রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫, ৭:২৪ অপরাহ্ণ
একদিকে প্রচন্ড প্রত্যাশা অপরদিকে আস্থার অভাব: রংপুরে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর : সরকারের ভেতর একটা সংস্কার বিরোধী মনোভাব ক্রমান্বয়ে কোন জায়গা থেকে বের হচ্ছে তো আমরা দেখতে পাচ্ছি বলে মন্তব্য করেছেন বেসরকারি সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

আজ শনিবার নগরীর আরডিআরএস মিলনায়তনে নাগরিক প্লাটফর্ম এর নির্বাচনী উদ্যোগে আঞ্চলিক পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) জবাবদিহির বাইরে রাখা অভিযোগ তুলে টিআইবির বিবৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইফতেখার ভাইয়ের আজকের স্টেটমেন্ট দেখেছেন কিনা। উনি তো মারাত্মক কথা বলেছেন উনি বলেছেন কেবিনেটের মধ্যে সাতজন উপদেষ্টা এটার বিরোধিতা করেছেন। আমরা বাইরের মানুষ তবুও ভিতরের কিছু খবর জানি। এটা খুবই হতাশাব্যঞ্জক বিষয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে আছে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের পেশাজীবিরা নির্বাচন চায়,ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগকারীরা নির্বাচন চাই নির্বাচন চায়, অন্যান্য ব্যবসায়ী গোষ্ঠীরা নির্বাচন চায়, বিদেশিরা নির্বাচন চায়। আমরা দেখেছি প্রবাসীরা নির্বাচন চায় এবং আমলাতন্ত্রের ভেতরে যে অস্বস্তি সেটা কাটানোর জন্য তারা নির্বাচন চায়। পুলিশ বলে যে নির্বাচন দরকার শুধু আমাদের কাপড়-জামা বদলালে হবে না। সেনাবাহিনী ও মূল মূল রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন চায়।

যারা নির্বাচন নিয়ে একটু গাইগুঁই করছে তারা আসলে দরকষাকষি করছে। সেতু এই নির্বাচনের দিকে তাকাচ্ছি কিন্তু একইসাথে আবার অদ্ভুত দেখি মানুষের আস্থার খুব ঘাটতি। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা তা নিয়ে তারা আস্থা পাচ্ছি না। নির্বাচনের পথে সহিংসতা বাড়বে কিনা একইভাবে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা আছে কিনা।

তিনি বলেন, স্থানীয় পর্যায়ে এইরকম একটা পরিস্থিতি রয়েছে এবং আস্থার ঘাটতি আছে। একটা বৈপরীত্যের মধ্যে অবস্থান করছি একদিকে প্রচন্ড প্রত্যাশা অপরদিকে আস্থার অভাব।

তিনি আরও বলেন, আপনারা মনে করেন এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপের ভিতরে ঢুকতে পারেনি। এবং স্থানীয় পর্যায়ে এটা আরো বেশি আপনাদের ভিতরে এমনকি মিডিয়াও এটি বলছে বলে মনে করি। এই পরিস্থিতিটা আগামী কয়েক ভিতরে কিভাবে কাটবে সেটি এখন দেখার বিষয়।

দেবপ্রিয় বলেন, আর যে প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে আমরা একটা ইস্তেহারের দিকে আগাবো এটা এক দিনের ব্যাপার না এটা অনেক সিরিয়াসলি নিয়ে প্রতিশ্রুতি হিসেবে নাগরিকদের প্রত্যাশা ও রাজনীতিবিদদের প্রতিশ্রুতি এটা কি আমরা একটা বন্ধনের মধ্যে আনতে চাচ্ছি। যাতে করে তাদের মধ্যে জবাবদিহিতার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে। তাদের দলের ভিতরে যেন থাকে যৌথভাবে এবং ব্যক্তি হিসেবে তার ভোটারের সাথেও থাকে এটাকে কিভাবে বাধ্য করতে নেওয়া যায় এবং এটার সাথে আমাদের আগামী সংসদ হবে সেই সংসদে কিভাবে প্রতিপালন করা যায় এটা এটার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

রিফর্ম ট্রাকারে আমরা কতগুলো বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়ে সামনে নিয়ে। সংস্কারের পদক্ষেপ হলে বাস্তবায়িত হলো কি হলো না, তুমি যেমন কমিশন নির্বাচন মিডিয়া ও শ্রম।

এ সময় ড দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সুধীজনের কাছে জানতে চান, নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্হা আছে কি না? সুষ্ঠু হবে কি না? এ সময় অনেকে বলেন, এখনও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হয় নি। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ ভুমিকা পালন করছে না।পেশিশক্তির ব্যবহার এখনও হচ্ছে বলে মনে করেন বক্তারা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দুটি বিষয়ে অনলাইনে মতামত মতামত প্রদান করেন সুধীজন ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি।এ সময়ে নির্বাচন কমিশনের জবাবদিহিতা এবংউত্তরবঙ্গের বিদেশ যাত্রায় সহজিকরণ নিয়ে আলোচনা হয়।
আলোচনার এক পর্যায়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) এর জেলা সভাপতি ফখরুল আনাম বেনজু বলেন, ‘দেশের জনগণ এবং রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচন কমিশনকে সেই আস্থার জায়গায় এখনো দেখেনা। ভোটের দিন নিরাপদে ভোট দিতে পারবে কিনা এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। নির্বাচনের সাথে যারা সংশ্লিষ্ট থাকে তারা বিগত দিনে নিরপেক্ষ থাকতে পারেনি এবং আগামী দিনেও নিরপেক্ষতা রাখার মত কিছু আমরা দেখতে পাচ্ছি না। নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর যে কার্যক্রম,আন্তরিকতা ও সমন্বয় থাকা দরকার সে জায়গায় ঘাটতি রয়ে গেছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড তানজিউল ইসলাম বলেন, ‘এমপিদের এলাকায় ৭ দিন থাকার বাধ্যবাধকতা রাখতে হবে।

হরিজন সম্প্রদায়ের আনোয়ারা ইসলাম রানি বলেন, ‘আমাদের এখনও অনেকে ভোট লেখাতে পারেন নি। আলাদা করে দেখা হয়।কোন এনজি আমাদের ভোট লেখার ব্যাপারে কথা বলেন না।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিডির ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের কোর গ্রুপ সদস্য অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান।বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন।

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ, নোয়াখালী প্রতিনিধি :-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

 

গ্রাম আদালতের জন সচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা নোয়াখালীর সেনবাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদের হল রুমে কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম। এতে সভাপতিত্ব করেন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা কো অডিনেটর মোঃ মোছলে উদ্দিন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা খুরশিদ আহম্মদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা উপনাস চন্দ্র দাস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা পম্পা কর, সেনবাগ প্রেস ক্লাবের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর পাটোয়ারী সহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা।##

নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

মোঃ ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ(রিপন) নোয়াখালী প্রতিনিধি:-
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৮ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা।

 

নোয়াখালীর সেনবাগে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং নির্ধারিত ভাড়ার মূল্যতালিকা প্রদর্শন না করার অভিযোগে তিনটি যাত্রীবাহী বাস কাউন্টার মালিককে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহসিয়া তাবাসসুম এ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় এবং কাউন্টারে ভাড়ার মূল্যতালিকা না থাকার সত্যতা পাওয়ায় কে কে পরিবহন, শাহী পরিবহন এবং জোনাকি পরিবহন কাউন্টার কে মোট ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ঈদকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। একই সঙ্গে যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করতে পরিবহন কাউন্টারগুলোকে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহসিয়া তাবাসসুম বলেন, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় প্রতিরোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কোনো পরিবহন কর্তৃপক্ষ নিয়ম লঙ্ঘন করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ অভিযানে স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

বিশেষ প্রতিনিধি।।
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।।

 

বাংলাদেশের অন্যতম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আজ নানা সংকটে জর্জরিত। একদিকে উপকূলীয় ভাঙন, অন্যদিকে কিছু অসচেতন মানুষের অবহেলা, দখল ও পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের কারণে দিন দিন সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে সৈকতের বেলাভূমি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সৈকত রক্ষায় বিভিন্ন সময় প্রকল্প ও বরাদ্দের কথা শোনা গেলেও বাস্তবে টেকসই ও দৃশ্যমান উদ্যোগের ঘাটতি রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কুয়াকাটার উপকূল দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জলোচ্ছ্বাস, উচ্চ জোয়ার এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সৈকতের বিভিন্ন অংশে ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের পরিবেশ ও অর্থনীতি উভয়ই হুমকির মুখে পড়ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সৈকতের বিভিন্ন এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলা,গাছপালা ধ্বংস এবং পরিবেশের প্রতি উদাসীনতার কারণে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। এসব কারণে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে কুয়াকাটার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য।

পর্যটননির্ভর এ অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও সচেতন মহল মনে করেন, কুয়াকাটাকে রক্ষা করতে হলে শুধু প্রকল্প গ্রহণ নয়, বরং কার্যকর বাস্তবায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। অন্যথায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কুয়াকাটার অপার সৌন্দর্য কেবল স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সম্মানিত সাধারণ সম্পাদক জনাব মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন,কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি দেশের পর্যটন শিল্পের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। মাননীয় সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন কুয়াকাটার উন্নয়ন, সৈকত সংরক্ষণ, পরিবেশ রক্ষা এবং পর্যটন শিল্পকে আরও সমৃদ্ধ করতে ইতোমধ্যে বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন।

উপকূলীয় ভাঙন প্রতিরোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণ, ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠন এবং পর্যটকদেরও সচেতন হতে হবে। কুয়াকাটার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই কুয়াকাটাকে আরও পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ, আধুনিক ও আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলমান উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়িত হলে কুয়াকাটা দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নেবে এবং পর্যটকদের কাছে একটি বিশ্বমানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

প্রশ্ন এখন একটাই— কুয়াকাটার প্রকৃত অভিভাবক কে? প্রকৃতি, মানুষ ও পর্যটনের এই অনন্য সম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সম্মিলিত উদ্যোগই পারে কুয়াকাটাকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে।
মোহাম্মদ রুমী শরীফ।।
বিশেষ প্রতিনিধি।।
01911145091
3/5/2026

সেনবাগে গ্রাম আদালতের জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত। নোয়াখালীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৩ বাস কাউন্টারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত ধ্বংসের মুখে: অবহেলা, অপরিকল্পিত কর্মকাণ্ডে হারাচ্ছে সৈকতের  বেলাভূমি।। শ্বশুরবাড়িতে আম পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জামাইয়ের মৃত্যু আলোকিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গঠনে বই পড়ার বিকল্প নেই: প্রাথমিক শিক্ষাস্তরেই প্রয়োজন বই পড়ার অভ্যাস