খুঁজুন
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২৬, ১৩ আষাঢ়, ১৪৩৩

ঘুষ বাণিজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতা'র অভিযোগ

নাটোরে বিএডিসির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগ

নাটোর / বড়াইগ্রাম থেকে :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫, ৭:২৮ পূর্বাহ্ণ
নাটোরে বিএডিসির প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্য ও স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগ

Oplus_131072

মোঃ রেজাউল করিম মৃধা
নাটোর প্রতিনিধি : 

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার আহম্মদপুর এলাকায় সেচ প্রকল্প স্কীম স্থানান্তর করণের জন্য বিএডিসির প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনকে তার চাহিদা মতো ঘুষ না দেওয়ায় , প্রকৃত কৃষককে সেচ প্রকল্পের স্কীম বরাদ্ধ না দিয়ে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বড়াইগ্রাম উপজেলার বরাদ্দকৃত প্রকল্পটি অন্য উপজেলায় স্থাপন করার অভিযোগ উঠেছে।
বিএডিসির সেচ প্রকল্প স্কীম স্থানান্তর বিষয়ে ভুক্তভোগী হুমায়ুন কবির জানান, আহমেদপুর আমার নিজ মৌজায় আমি সেচ প্রকল্প স্কীমের জন্য ২০২০ সালে আবেদন করি ।আবেদনের পর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে বলেন, আমাদের আন অফিসিয়ালি অনেক খরচ আছে, ঊর্ধ্বতন অফিসারদের টাকা দিতে হয়। তিনি কাজ শুরুর পূর্বেই আমার কাছে দুই লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরে আমি এক লক্ষ টাকায় তার প্রস্তাবে রাজি হই এবং তার ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে টাকা প্রদান করতে চাইলে তিনি পরের দিন সন্ধ্যায় আমাকে নাটোরের মাদ্রাসা মোড়ে বিসমিল্লাহ হোটেলে দেখা করতে বলেন। ঐ সময় তাকে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা দেই এবং দশ দিন পূর্ণ হলে বাকি ৫০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলি । আমার বাবা অসুস্থ অবস্থায় মেডিকেলে থাকার কারণে টাকা দিতে বিলম্ব হওয়ায় তিনি প্রচন্ড রেগে গিয়ে বলেন, তোমার প্রকল্প হবে না। ভুক্তভোগী হুমায়ুন আরও বলেন, পরবর্তীতে তিনি আমার পার্শ্ববর্তী নাটোর সদর উপজেলার দিয়াড় সাতুরিয়া মৌজায় মামদুদ হোসেনের গভীর নলকুপে ৮০ হাজার টাকা নিয়ে ১৬’শ ফিট পাইপ লাইন বরাদ্দ দেন। যেন আমার স্কীম ক্ষতিগ্রন্থ হয়। আমি যেন কোনো ভাবেই প্রকল্প না পাই এজন্য তিনি আহমেদপুরের সেলিম রেজার কাছ থেকে একটি ড্রাগ ওয়েল করে দেওয়ার জন্য এক লক্ষ টাকা নেয়। সেখানে ড্রাগওয়েল করার মতো পর্যাপ্ত জমিও তার নেই । কিন্তু আমার স্কীম ক্ষতিগ্রন্থ করার জন্য তিনি বিভিন্ন সময় মামদুদ হোসেন ও সেলিম রেজাকে দিয়ে আমার স্কীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করে আসছে যা এখন পর্যন্ত চলমান আছে। নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন আমাদের আহমেদপুর পশ্চিমপাড়া এলএলপি সেচ প্রকল্পটি না হওয়ার জন্য অদ্যাবধি তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছেন । ঐ নির্বাহী প্রকৌশলীর ঘুষের চাহিদা মিটাতে না পারায় ও বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় আজও আমাদের ভাগ্যে এলএলপি সেচ স্কীম জোটেনি। ২০২০ সালে পার্টিসিপেশন ফি জমা দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত হয়রানীর স্বীকার হতে হচ্ছে। শুধু তাই নয় ঐ নির্বাহী প্রকৌশলী টাকার বিনিময়ে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে নাটোর সদর উপজেলা থেকে শরিফুল ইসলাম ও বাগাতিপাড়া উপজেলা থেকে বাবুল হোসেনকে ১.৫ কিউসেক এলএলপি সেচ প্রকল্প বড়াইগ্রাম বড়াইগ্রাম উপজেলার আটঘরিয়া মৌজায় বরাদ্দ দেন । যা সম্পূর্ণ সেচ নীতিমালার বিরোধী। এ বিষয়ে আমি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ( বিএডিসি) চেয়ারম্যান বরাবর গত ১০/৩/২৪ ইং তারিখে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। বড়াইগ্রাম উপজেলায় সেচ কমিটির অনুমোদন ব্যতিত কিভাবে অন্য উপজেলা হতে সেচযন্ত্র স্থাপন করা হলো তা আমাদের বোধগম্য নয়। তার এসব
অনিয়ম ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, নাটোর বিএডিসি’র প্রকৌশলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানান, অভিযোগকারী হুমায়নের বিরুদ্ধে মামলা জটিলতার কারনে সেচ প্রকল্প স্কীমের স্থানান্তর কার্যক্রম সম্ভব হয়নি। উক্ত বিষয়টি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন ( বিএডিসি) র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অবগত রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, আমার বিরুদ্ধে ঘুষ লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ৯:১২ অপরাহ্ণ
জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধি : শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব এ কে এম ফজলুল হক মিলন এ কথা বলেন।
আজ ২৬/০৬/২০২৬ শুক্রবার কালীগঞ্জ আর আর এন পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়া মাঠে অনুষ্ঠিত হলো শিক্ষার মানোন্নয়নে মাধ্যমিক পর্যায়ে অধ্যয়নরত অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের ও দুস্থ নারীদের মাঝে বাইসাইকেল ও সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান ২০২৬
অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ টি এম কামরুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর ৫ থেকে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলন। অনুষ্ঠানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ রেজাউল হক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে শিক্ষার গুনগত মানোন্নয়নে কাজের উদাহার হিসাবে আজকের এই আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন, তিনি বলেন আমি স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় কর্তৃক বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচীর আওতায় বরাদ্দ থেকে যে অর্থ পেয়েছি তা অন্য কোন খাতে খরচ না করে শিক্ষা খাতে খরচ করেছি যাতে দুস্থ অসহায় ছাত্র / ছাত্রীরা সময় মত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকতে পারে যাতে করে তাদের পড়াশোনা কোন ক্ষতি না হয়। অসহায় দরিদ্র নারীরা ঘরে বসে উপার্জন করতে পারে। আমি বিভিন্ন বিদ্যলয়ে ক্রীড়া সামগ্রীর ব্যবস্থা করেছি ভবিষ্যতে আরও করব ইনশাআল্লাহ আমার কাছ থেকে ইনসাফ পাবেন আপনাদের সন্তুষ্টি আমার সন্তুষ্টি।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ,বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র/ ছাত্রী শিক্ষকগণ,অভিভাবকবৃন্দ মিডিয়ার সাংবাদিকগণ ও এলাকার সাধারণ জনগন।

গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

কুয়াকাটা ( পটুয়াখলী ) প্রতিনিধি: 
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

 

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার গঙ্গামতি উপকূলের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুয়াকাটা থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি (৬০) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চর গাছিয়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, গত ২৩ জুন ভোর ৫টার দিকে ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি মৎস্যঘাট থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। এ সময় জাল তোলার সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে জালাল মুন্সির ট্রলার থেকে শাহাবুদ্দিন মাঝি সমুদ্রে ছিটকে পড়ে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর সহকর্মী জেলেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়।

আজ ( ২৫ জুন ) বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় শাহাবুদ্দিন মাঝির মরদেহ দেখতে পান লেম্বুর বনঘাট এলাকার কয়েকজন জেলে। তারা বিষয়টি স্বজনদের জানালে নিহতের পরিবারের সদস্যরা অন্য একটি নৌকার সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে যান। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশ   ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ ঘটনায় জেলে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে এমন দুর্ঘটনায় জেলেদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

 

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমলেও নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালির মেলা এলাকার কৃষক মোঃ রব্বানী ও মোঃ রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানি ঢুকে তাদের এক বিঘা জমির বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও আউশ ধানেরও ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে। কৃষকদের জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ এখন জরুরি সরকারি সহায়তা ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

জনগনের সন্তুষ্ঠিই আমার সন্তুষ্টি সাধারন মানুষ পাবে ইনসাফ এ,কে,এম ফজলুল হক মিলন এমপি গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায় তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান