খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১ আষাঢ়, ১৪৩৩

তারেক জিয়াকে বরণ করতে রংপুর প্রস্তুত

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ণ
তারেক জিয়াকে বরণ করতে রংপুর প্রস্তুত

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভাকে ঘিরে উজ্জীবিত রংপুরের নেতাকর্মীরা। রংপুর জেলায় বৃহৎ জনসভা করার লক্ষ্যে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে দলটি। তারেক রহমানের রংপুর বিভাগে আগমনে পাল্টে যেতে পারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের হিসেব-নিকেশ বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে জনসভাস্থল কালেক্টরেট ঈদগা মাঠ পরিদর্শন করেন, বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু, জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম, মহানগরের আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু, সদস্য সচিব অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডনসহ অন্যরা। এ সময় নেতারা মাঠ পরিদর্শন করে সমাবেশ সফলভাবে সম্পন্ন করতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের দিক-নির্দেশনা দেন।

ঢাকা থেকে আসা ‘রাজ সাউন্ড’র অপারেটর মেহেদী হাসান বলেন, মঞ্চ, মাঠ এবং মাঠের বাইরে দুইশো মাইক টাঙানোর প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া অতিরিক্ত আরও ২০টি মাইক প্রস্তুত থাকবে।

রংপুর মহানগর ওলামা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাওলানা আজিজুল ইসলাম বলেন, প্রিয় নেতার জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় ছিলাম। অবশেষে আমাদের কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত ঘনিয়ে আসছে।

বিএনপি নেতাকর্মীরা বলছেন, রংপুরের জনসভায় তারেক রহমানের আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত। আগামীতে বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং রংপুরকে বৈষম্যমুক্ত করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় নিয়ে যাবেন তারেক রহমান। রংপুরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা-স্বাস্থ্যসহ সার্বিক উন্নয়নে বিএনপি রংপুর বিভাগের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের কাছে নানা দাবি তুলে ধরা হবে।

এদিকে জনসভায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইন শৃঙ্খলাবাহিনী ব্যাপক তৎপর রয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার জনসভাস্থল, বিভিন্ন সড়ক, নগরীর প্রবেশ মুখে পোষাকধারী ও সাদাপোষাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। এছাড়া পুরো নগরীতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

জিয়া সংসদের কেন্দ্রীয় নেতা রাজিব চৌধুরী বলেন, বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রংপুরে আগমনকে ঘিরে নেতাকর্মীরা উজ্জীবিত হয়েছে। রংপুর বিভাগের ৮ জেলা থেকে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষ দলে দলে এ জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন। তারেক রহমানের আগমনে আমরা অনেক আনন্দিত।

সাবেক এমপি সাহিদার রহমান জোসনা বলেন, তারেক রহমান রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফা বাস্তবায়নে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে সেই সংস্কার বাস্তবায়ন করবেন। তিনি নারীদের অধিকার রক্ষা ও এগিয়ে নিতে বিশেষ গুরুত্ব দেবেন বলে প্রত্যাশা করছি। আমরা অধীর আগ্রহে তাঁর আগমনের জন্য অপেক্ষা করছি।

মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক সামসুজ্জামান সামু ও সদস্য সচিব অ্যাড. মাহফুজ-উন-নবী ডন বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভার মাধ্যমে রংপুর বিভাগে ভোটের সমীকরন পাল্টে যাবে। তার আগমনের কারণে নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। জনসভাকে জনসমুদ্রে পরিণত করতে আমরা প্রস্তুতি নিয়েছি।

বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবীব দুলু বলেন, রংপুর বিভাগে তিস্তা মহাপরিকল্পনাসহ নানা সমস্যা, উন্নয়ন বঞ্চনা নিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে একাধিকবার কথা হয়েছে। তিনি আমাদের সমস্যা সম্পর্কে অবগত। তিনি জনসভায় রংপুরের উন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে যাবেন। এ জনসভা সফলভাবে সম্পন্ন করতে আমরা যাবতীয় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জনসভায় নিরাপত্তা দিতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে। আশা করছি পুলিশী তৎপরতার কারণে জনসভাকে ঘিরে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।

বিএনপির চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার জানান, নির্বাচনী সফরে শুক্রবার রংপুরে জনসভাস্থলে যাবার পথে বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর জাফরপাড়ায় শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন। সেখান থেকে তিনি রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ মাঠে বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেবেন। ওইদিন রাতে রংপুর থেকে বগুড়ায় ফিরবেন। সেখানে রাতযাপন করে পরদিন শনিবার সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে জনসভায় অংশ নেবেন তারেক রহমান।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

 

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমলেও নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালির মেলা এলাকার কৃষক মোঃ রব্বানী ও মোঃ রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানি ঢুকে তাদের এক বিঘা জমির বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও আউশ ধানেরও ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে। কৃষকদের জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ এখন জরুরি সরকারি সহায়তা ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন

মেহেদী হাসান সোহাগ-কলাপাড়া,কুয়াকাটা-প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মহিপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. মুসা গাজী। তিনি জানান, তার বাবা মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের জমি ক্রয় করেন এবং বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মুসা গাজী দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।

মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান

স্টাফ রিপিটার ( গাজীপুর) মোঃ লোকমান হোসেন পনির
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ২:২৬ অপরাহ্ণ
গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান

গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যানও জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৬ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) ভোর ৩টা ৪০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের একটি দল বাসন থানার ভোগড়া এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ কামরুল হাসান ও এএসআই (নিরস্ত্র) মোঃ আলামিন হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের সদস্যরা জনৈক কামাল হোসেনের গাড়ির ওয়ার্কশপের সামনে অবস্থানরত কয়েকজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে নজরদারিতে রাখেন।
একপর্যায়ে মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানকালে দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি চালিয়ে সর্বমোট ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি কাভার্ড ভ্যান (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: ঢাকা মেট্রো-ড-১৪-০৩৬১) জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন কুমিল্লা জেলার তিতাস উপজেলার দাসকান্দি এলাকার হুমায়ুন কবিরের ছেলে মোঃ ইমন শাহরিয়ার (২৮) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘোড়াশাল এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে মোঃ শরিফ (২৮)।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পূর্বেও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ইমন শাহরিয়ারের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা এবং শরিফের বিরুদ্ধে একটি দস্যুতা মামলা রয়েছে।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মহানগর গোয়েন্দা (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) অশোক কুমার পাল, পিপিএম-এর দিকনির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালিত হয়।
এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে মহানগর এলাকায় মাদক চোরাচালান ও ব্যবসার বিরুদ্ধে তাদের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক মোরশেদ, ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন নাচোলে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত