খুঁজুন
শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২ বৈশাখ, ১৪৩৩

সুনামগঞ্জে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এড.নুরুল ইসলামের সমর্থনে সুরমা ইউপির ৩নং ওয়ার্ডে মতবিনিময়

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এড.নুরুল ইসলামের সমর্থনে সুরমা ইউপির ৩নং ওয়ার্ডে মতবিনিময়

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জ-৪( সদর ও বিশ্বম্ভরপুর) আসনে ভোটারদের কাছে টানতে এবং পরিচিত হতে বিভিন্ন দলোর সম্ভাব্য প্রার্থীদের শুরু হয়েছে মতবিনিময় সভা।

সেই লক্ষ্যে বসে নেই এই আসনে ধানের শীষের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে সবার পরিচিত মুখ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল আহবায়ক,বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক,সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম নুরুলের পক্ষে প্রচারান ও মতবিনিমিয় সভা শুরু হয়ে গেছে। এই দুটি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ১৩৫টি ওয়ার্ড স্থানীয় বিএনপি,যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ছাত্রদল ও অঙ্গ সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যে স্ব স্ব এলাকায় ভোটারদের নিকট নুরুল ইসলাম নুরুলের পক্ষে প্রচার প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বুধবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুরমা ইউপির ৩নং সভাপতি আব্দুল হাই এর সভাপতিত্বে সুজন মিয়ার পরিচালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন, সাবাজ আলী,লিটন মিয়া,জহুর মিয়া,শাহজাহান মিয়া ও আরসব আলী প্রমুখ।

বক্তারা বলেন,বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে হামলা, মামলার শিকার হয়ে সাধারন মাুনষের দাবী আদায়ের লক্ষ্যে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও বর্তমান আহবায়ক কমিটির অন্যতম সদস্য এড. নুরুল ইসলাম নুরুল রাজপথে লড়াই সংগ্রাম করেছেন। তার নামে বেনামে বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকার একাধিক মিথ্যা মামলা দিয়েছিল নুরুল ইসলামকে জেল জুলুম আর নির্যাতন করে জনগন থেকে দূরে রাকতে। কিন্তু এড. নুরুল ইসলাম কল মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে দাবী আদায়ের জন্য দলের কেন্দ্রীয় নির্দেশ পালনে হাজারো নেতাকর্মীদের নিয়ে রাজপথ দখলে রেখেছিলেনকিন্তু একটি কুচক্রী মহল নুরুল ইসলামের জনপ্রিয়তার ঈষান্বিত হয়ে তাকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করতে উঠেপড়ে লেগেছে। কিন্ত সাম্প্রতিক এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের জনপ্রিয়তা দেখে একটি স্বার্থানেষী মহল গোলা পানিতে মাছ শিকার করতে একের পর এক বানোয়াট মিথ্যা সংবাদ ও অপ্রচারসহ নানান ষড়যন্ত্র করেই চলেছে। তারা আরো বলেন,একজন রাজনৈতিক নেতা বা কর্মীর মূল চালিকা শক্তিই হলো সমাজের তৃণমূল গরীব,দুঃখী মেহনতি,কৃষক শ্রমিক জনতা।

এই আসনের সর্বস্তরের ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকল স্তরের মানুষের সাথে এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের আত্মার সম্পর্ক সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই কেউ ষড়যন্ত্র করে নুরুলের আগামীদিনের স্বঁেপ্নর সুনামগঞ্জ গড়ার কাজে কেউ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নুরুল ইসলাম নুরুল একজন শহীদ রাষ্টপ্রতি জিয়াউর রহমানের আর্দশের লড়াকু সৈনিক এবং তিনবারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একজন কর্মী হিসেবে যেকোন নির্দেশ পালনে রাজপথ খেকে সরে যাননি। তাই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ৪ আসনে কর্মবাবন্ধব তৃণমূলের নেতা এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের কোন বিকল্প নেই। যা এই দুটি উপজেলা ও একটি পৌরসভার ১৩৫ ওয়ার্ডের তৃণমূলের বিএনপি,যুবদল,স্বেচ্ছাসেবক দল,ছাত্রদলসহ অঙ্গও সহযোগি তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৪ আসনে এড. নুরুল ইসলাম নুরুলকে ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রদানে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের নিকট দাবী জানান।

হিলি স্থলন্দর পরির্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ

জনী শেখ, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০১ অপরাহ্ণ
হিলি স্থলন্দর পরির্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ

 

 

বন্দরের ব্যবসা-বাণিজ্য আরও ত্বরান্বিত করতে হিলি স্থলবন্দরে পরির্শন করেছেন সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

আজ শনিবার (২৫এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি হিলি স্থলবরে পৌঁছান। এ সময় কাস্টমস ও পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষ তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

পরে মন্ত্রী বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন এবং বন্দরের অভ্যন্তরে ব্যবসায়ী, কাস্টমস ও পানামা পোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় তিনি বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন এবং ব্যবসায়ীরে বিভিন্ন সমস্যা ও অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

এময়  উপস্থিত ছিলেন হাকিমপুর উপজেলা   নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা,উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরৗেস রহমান, সাধারণ সম্পাক শাখাওয়াত হোসেন শিল্পী, যুগ্ম সম্পাক রেজা আহম্মে বিপুল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাক নাজমুল হোসেন, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরমান আলীসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় ব্যবসায়ীরে মুখে বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে মন্ত্রী হিলি স্থলন্দরের একটি ব্যবসা বান্ধব বন্দর  হিসেবে গড়ে তোলার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, বন্দর কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সরকার প্রয়োজনীয় পক্ষেপ গ্রহণ করবে।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৭ অপরাহ্ণ
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে

 

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১ নম্বর ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পুনরায় ৪৮ ঘন্টা পর উৎপাদনে ফিরেছে।

কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিট পুনরায় শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১০টার থেকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে, বিকাল ৪ টা থেকে ফায়ারিং কাজ চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কতৃপক্ষ।

তিনি জানান, কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার কারণে গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত ১০টার বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। মেরামত কাজ শেষে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে বয়লারে ফায়ারিং শুরু করা হয় এবং রাত ১০টার দিকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরা সম্ভব হবে।

তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে এবং তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট। দ্বিতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে।

কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, প্রথম ইউনিটে কয়লার সাথে পাথর আসার কারনে গত ২২ এপ্রিল রাত ১০টা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট পুনরায় উৎপাদনে আসায় পার্বতীপুর উপজেলাসহ উত্তরাঞ্চলের ৮ জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন কিংবা লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে আসবে।

বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি, প্রাণের সঞ্চার কালীগঞ্জের গ্রামীণ অর্থনীতিতে

মুঃ সোহরাব আলী সরকার কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫২ অপরাহ্ণ
বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি, প্রাণের সঞ্চার কালীগঞ্জের গ্রামীণ অর্থনীতিতে

 

গাজীপুরের কালীগঞ্জে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি। বর্তমানে কাঁচা ও আধাপাকা ধানের শীষ দুলছে বাতাসে। বোর মৌসুমের শুরুতে কৃষকরা ধানের চারা রোপণ করায় কালীগঞ্জে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। ক্ষেত জুড়ে দুলছে আধা-পাকা সোনালী ধানের শীষ। সারা বছরের জমাটবাঁধা দুঃখ কষ্ট পেরিয়ে এখন ফসল ঘরে তোলার পালা। তাই কৃষকের মুখে হাসি ফুটে ওঠেছে। বাম্পার ফলনে পাকা সোনালি ধান গোলায় তোলার স্বপ্নে বিভোর কৃষকরা। বৈশাখের শুরুতেই ধান কাটার মৌসুম।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবছর এঅঞ্চলে, ব্রিধান-৮৯, ব্রিধান-৯২, ব্রিধান-১০০, ব্রিধান-১০১, ব্রিধান-১০২, ব্রিধান-১০৫, ব্রিধান-১০৮, (ঝখ৮ঐ), লালতীর-৪ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। ব্রিধান-২৮ এর পরিবর্তে স্বল্প জীবনকালের ব্রিধান-৮৮, ব্রিধান-৯৬ চাষ করা হয়েছে। বোর উফশী জাতের জন্য ৮৪০ জন কৃষককে প্রণোদনা হিসেবে জন প্রতি ৫ কেজি বীজ, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার এবং বোর হাইব্রীড ২ কেজি করে বীজ দেয়া হয়েছে। উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ২৮৭৫ হেক্টর ও উফশী জাত ৬৯৩৫ হেক্টর জমিতে বোর ধানের আবাদ করা হয়েছে।

উপজেলার সাতটি ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভা জোড়ে রয়েছে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। যা এখন নতুন ধানের গন্ধে মাতোয়ারা। তুমলিয়া ইউনিয়নের কৃষি জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় থাকায় এই এলাকায় পর্যায়ক্রমে বছরে তিনবার চাষাবাদ হয়ে থাকে। বন্যার পানি উঠায় অন্যান্য এলাকার জমি এক ফসলি হিসেবে পরিচিত। বৈশাখ মাসে ধান গোলায় উঠাতে পারলেই কৃষক পরিবারের আনন্দ।
পৌরসভার বড়নগর এলাকার কৃষক মো. রোমেল বলেন, ডাঙ্গির বিলে ধান এখন আধাপাকা হয়ে আসছে। মৌসুমের শুরুতে এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় নেই কোন উৎকণ্ঠা। সাড়ে তিন বিঘা জমিতে ব্রাক-২ জাতের ধানের আবাদ করেছি। বিঘা প্রতি প্রায় ২২ মন ফলন হয়েছে। ভারী বৃষ্টিপাতের আশঙ্কায় আগে থেকেই ধান কাটার প্রস্তুতি রয়েছে।
তুমলিয়া ইউনিয়নের টিওরী গ্রামের কৃষক মো. আলী হোসেন খোকন বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভিতরে ধানের চারা রোপন একটু দেরীতে হওয়ায় ধান কাটতেও কিছুটা দেরী হবে। ধানের শীষে মাত্র কেবল সোনালি রঙ ধরেছে। আগামী সপ্তাহে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে। শস্য কর্তনের মাধ্যমে ব্রিধান-৯৬ প্রতি বিঘাতে প্রায় ২৫ মণ ফলন পাওয়া যাবে। বোরো ধান এলাকার খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শাহরিয়ার মোরসলিন মেহেদী প্রতিবেদককে বলেন, এবার উপজেলায় ৯৮১০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৮০৫ হেক্টর। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর বোর ধানের ফলন ভাল হয়েছে এবং ফলন নিয়ে কৃষকরা খুশি। আগাম জাতের ধানগুলো কৃষকরা কর্তন শুরু করেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপজেলা শাখা সব সময়ই কৃষকদের প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগীতা করে থাকে ও বালাইনাশক বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। প্রতি হেক্টরে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা (চালে) হাইব্রিড ৫.২ মেট্রিক টন এবং উফশী জাত ৪.১ মেট্রিক টন ধরা হয়েছে। শস্য কর্তনের মাধ্যমে ব্রিধান-৯৬ প্রতি বিঘাতে প্রায় ২৫ মণ ফলন পাওয়া যাচ্ছে। ফসলের ব্লাস্টার আক্রমন থেকে সুরক্ষা করতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় কিটনাশক ও পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

হিলি স্থলন্দর পরির্শন করেছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ১ নম্বর ইউনিটটি উৎপাদনে ফিরেছে বোরো ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি, প্রাণের সঞ্চার কালীগঞ্জের গ্রামীণ অর্থনীতিতে নওগাঁর মান্দায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন প্রচণ্ড গরমে হাঁসফাঁস হিলি, লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত