খুঁজুন
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্বনির্ভর ঐক্যবদ্ধ হতে হবে রূপসায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হেলাল 

স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে রূপসায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হেলাল 

খুলনা থেকে :
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে রূপসায় কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হেলাল 

শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ : খুলনা জেলার রূপসায় কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে শিক্ষিত জাতি গঠন করতে হবে। দেশ ও জাতির সামগ্রিক উন্নয়নে শিক্ষার গুণগত মান এবং মানসম্মত শিক্ষা একান্ত দরকার। দেশের বিদ্যমান শিক্ষা ব্যবস্থায় পাসের হার প্রতি বছর বাড়লেও শিক্ষার্থীর মেধা সঠিকভাবে বিকশিত হচ্ছে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে দেশের ও সমাজের অনেকেরই। বৃহস্পতিবার ৫ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় রূপসার আলাইপুর কলেজের প্রতিষ্ঠাতা নূর মোহাম্মদ শিকদারের স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরে বিএনপির এমন কোনো নেতাকর্মী নেই যে তাদের হামলা মামলা দিয়ে ঘরছাড়া করেনি ঐ স্বৈরাচারী সরকার। তারপরও আমরা সবকিছু ভুলে কোনো সহিংসতার পথে যায়নি। বিএনপি সবসময়ই শান্তিপূর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। তিনি আরো বলেন, বিএনপি জনগণের দল। বিএনপি দেশের উন্নয়ন নিয়ে ভাবে আর ফ্যাসিবাদী সরকার দেশের অর্থ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেশকে দেউলিয়া করেছে। উন্নয়নের সকল কাজ করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে দেশের স্বার্থে উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করে যেতে হবে। সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে দিন-রাত কাজ করছে বিএনপি। তাই আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আবু হোসেন বাবু, জুলফিকার আলী জুলু, আব্দুর রশিদ শেখ, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, এনামুল হক সজল। আলাইপুর কলেজের সভাপতি শামীম মোহাম্মদ শিকদারের সভাপতিত্বে বক্তৃতা করেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচীব জাবেদ হোসেন মল্লিক, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিএম কামরুজ্জামান টুকু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান রুনু, শিক্ষক আল মামুন সরকার, নুরনাহার, সুধাংশু গাইন, দিবা কর্মকার, দীপঙ্কর হালদার, সুজন বিশ্বাস, বিশ্বজিৎ শীল, তরিকুল ইসলাম, মনি শংকর নাগ, বিএনপি নেতা আনিসুর রহমান,ইউনুস আলী সিকদার, বিকাশ মিত্র, হুমায়ুন কবীর শেখ, এসএম এ মালেক, আব্দুস সালাম মল্লিক, গোলাম মোস্তফা তুহিন, আনোয়ার হোসেন খান, দিদারুল ইসলাম, মিকাইল বিশ্বাস, সৈয়দ নিয়ামত আলী, কামরুল ইসলাম কচি,সাইফুল পাইক, প‍্যানেল চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম নন্দু, মিন্টু শেখ, আব্দুল্লাহ সিকদার, মুন্না সরদার, সৈয়দ কামরুজ্জামান নান্টু, আবু সাঈদ, হালিম হাসান, মাসুদ খান, জহিরুল হক সারাদ, ইফতেখার আহমেদ, শাহিনুর রহমান, নাসির শেখ, মোরশেদ আলম, হাকিম গাজী, রউপ শিকদার, মনির লস্কর, শিবলু লস্কর, ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমান, ইসরাইল বাবু প্রমৃখ। অনুষ্ঠানে সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন কলেজ ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো: আনোয়ার হোসেন, শিক্ষক আবুল বাশার ও খান কবীর হোসেন।

সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফের নির্বাচনী উঠান বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ণ
সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফের নির্বাচনী উঠান বৈঠক

আলহাজ হোসেন, সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নাটোরের সিংড়া উপজেলার ১২ নং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জোরদার হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য, রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম আরিফের উদ্যোগে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টায় ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের ভোগা গ্রামের মায়ার বাজারে এ উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এতে ভোগা গ্রাম ও আশপাশের এলাকার প্রায় দুই শতাধিক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

উঠান বৈঠকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আরিফুল ইসলাম আরিফ উপস্থিতদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একজন নিবেদিত কর্মী। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ১৭ বছরে রাজপথে দলের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থেকেছি এবং নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছি।তিনি আরও বলেন, আমার একমাত্র লক্ষ্য স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনুর হাতকে আরও শক্তিশালী করা এবং অবহেলিত ১২ নং রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নের জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সেবক হয়ে কাজ করা।

আরিফুল ইসলাম আরিফ জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির কাছে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশা করবেন। দল তাকে মনোনয়ন দিলে এবং ইউনিয়নবাসী ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করলে রামানন্দ খাজুরা ইউনিয়নকে একটি মডেল, নির্যাতনমুক্ত ও সুশাসিত ইউনিয়নে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।উঠান বৈঠকে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

চরপুটিমারী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সরকার আলী মেম্বার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২০ অপরাহ্ণ
চরপুটিমারী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সরকার আলী মেম্বার

মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে মাঠে সরব হয়েছেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি সদস্য সরকার আলী মেম্বার।
দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর সমর্থনে বিভিন্ন পোস্ট, ছবি, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রকাশ করা হচ্ছে। এসব প্রচারণায় আসন্ন নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে সরকার আলী মেম্বারকে দেখতে চেয়ে দোয়া ও সমর্থন কামনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় সরকার আলী মেম্বার বর্তমানে ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমে তাঁর উপস্থিতি রয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন।
সরকার আলী মেম্বারের সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে চান।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে সরকার আলী মেম্বার বলেন, “দল আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দিলে এবং জনগণ আমাকে নির্বাচিত করার সুযোগ দিলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে মানুষের সেবা করে যেতে চাই। চরপুটিমারী ইউনিয়নের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। ভবিষ্যতেও ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চাই। এ জন্য ইউনিয়নবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি।”
এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে চরপুটিমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবখানেই চলছে সম্ভাব্য প্রার্থী ও দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নানা আলোচনা। তবে শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপরই নির্ভর করবে কে কোন প্রতীকে বা কীভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
ইসলামপুর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরকার আলী মেম্বার বর্তমানে দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি চরপুটিমারী ইউনিয়নবাসীর কাছে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেছেন।

সি বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের সারথী

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
সি বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের সারথী

Oplus_131072

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ সেন্ট মেরী’স গার্লস স্কুল ও কলেজের প্রধান সি. বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও (সিস্টার মেরী খ্রীস্টিনা) শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ছাত্রীদের গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। উপজেলার তুমিলিয়া মিশন এলাকায় ঐতিহ্যবাহী সেন্ট মেরী’স গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অবস্থান। মেয়েদের শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানের গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় ২০০৯ সন হতে অত্র প্রতিষ্ঠানের প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ২০১৫ সালে কলেজ শাখা চালু হলে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পান। তিনি শ্রেনীকক্ষে পাঠদান করা থেকে শিক্ষার আলো ছড়াতে ও আলোকিত প্রজন্ম বুননের নীরব কারিগর। শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের সারথি হয়ে, কখনো শিক্ষার্থীর অভিভাবক, কখনো পথপ্রদর্শক, আবার কখনো হয়ে ওঠেন অনুপ্রেরণার বাতিঘর। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে এমনই এক দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসাকে ধারণ করে এগিয়ে চলেছেন সেন্ট মেরী’স গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সি. বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সি. বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও উপজেলার পৌরসভার বাঙ্গালহাওলা গ্রামের বাসিন্দা। অত্র প্রতিষ্ঠান হতে মাধ্যমিক পর্যায় অধ্যয়ন ে শেষে ঢাকার তেজগাঁও কলেজ থেকে প্রথম শ্রেনীতে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে মাষ্ট্রার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষকতা পেশা দিয়েই ১৯৮৪ সাল থেকে দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ তিনি শিক্ষকতা পেশায় ‍রয়েছেন। কলেজের সাইন্সল্যাব ও গার্লস গাইড পরিচালনা ও ওয়াইসিএস এর মডারেটর হিসেবে গত ১০ বছর যাবৎ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। কর্মজীবনের শুরুতে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার ধানজুড়ি সেন্ট ফ্রান্সসিস উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পূরস্কার। জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক, আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শিক্ষা ব্যক্তিত্ব, নেপাল-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পুরস্কার, মাদার তেঁরেসা স্বর্ণ পদকসসহ বিভিন্ন সম্মাননা পূরষ্কারে ভুষিত হোন। তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সেবার জন্য জীবন উৎসর্গ (সন্যাস জীবন) করেন।
অত্র বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক-শিক্ষিকা বলেন, প্রিন্সিপাল ম্যাডাম আমাদের একজন অভিভাবকের মত। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতে এবং শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে আন্তরিক। দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনে বিনা ম্যাডাম অত্যন্ত দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেন। এক কথায় তিনি একজন দূরদৃষ্টি সম্পন্ন, বিচক্ষন, কর্মঠ ও নীতিবান শিক্ষক এবং সকল সময় আমাদের দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন। শিক্ষকরা আরোও বলেন, এস্কুলে যোগদানের পর থেকেই তিনি শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল করাই শুধু তাঁর মূল লক্ষ্য ছিল না, বরং তাদের সৎ, দায়িত্বশীল ও মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই তাঁর মূল উদ্দেশ্য ছিল।
একান্ত সাক্ষাতকারে সি.বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও প্রতিবেদককে বলেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান হিসেবে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকি করা তাঁর প্রধান দায়িত্ব। শুধু প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে শুরু করে শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে সমন্বয় সাধন, শিক্ষা কার্যক্রমে ছাত্রীদের পাঠদানের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধের ওপর গুরুত্ব¡ দিয়ে থাকেন। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি, পাঠদানের মান, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সম্পর্ক, পরীক্ষার ফলাফল এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমসহ সকল ক্ষেত্রেই তদারকি করেন তিনি। তার আমলে প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়নে, স্কুল শাখাকে কলেজে উন্নিতকরণ করা হয়। বর্তমানে সেন্ট মেরী’স গার্লস হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান হিসেবে তিনি প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ হিসেবে শিক্ষা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বিতর্ক প্রতিযোগীতা, পাঠচক্র, বই পড়া, সাংষ্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করাও তার উদ্যোগেই চালু হয়। নারী শিক্ষার প্রসারে মেয়েদের জন্য নিরাপদ ও অনুকূল শিক্ষার পরিবেশ তৈরি করাই একমাত্র লক্ষ্য।
তথ্যে জানা যায়, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে প্রায় এক হাজার ৭০০শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত এবং শিক্ষক ও কর্মচারীর সংখ্যা প্রায় ৬০ জন। এবারের এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২৭ জন, যার পাশের শতকরা হার প্রায় ৯৭ ভাগ। মেয়েদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রাচীর বেষ্ঠিত গেইট, কিশোরীদের মধ্যে মাদক, মোবাইল আসক্তি ও ফেইসবুকের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে অবহিতকরণ, মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরি, মাদক সেবনের কুফল সম্পর্কে নিয়মিত কাউন্সিলিং এর ব্যবস্থা করা, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড ও সৃজনশীল কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের কীভাবে উৎসাহিত প্রদান করা সে বিষয়ে নজরদারী করে থাকেন সি.বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও।
কালীগঞ্জ, গাজীপুর।

সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফের নির্বাচনী উঠান বৈঠক চরপুটিমারী ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় সরকার আলী মেম্বার সি বীনা খ্রীস্টিনা রোজারিও শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন পূরণের সারথী জুলাই আন্দোলন বিরোধী হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামী সন্ত্রাসী অন্তরের প্রকাশ্যে যুবদল নেতা পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার অপহরণের নাটক সাজিয়ে আত্মগোপন, সাড়ে চার বছর পর উদ্ধার