খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০ বৈশাখ, ১৪৩৩

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. স্টাফ রিপোর্টারঃ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৪, ৭:৩০ অপরাহ্ণ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ. স্টাফ রিপোর্টারঃ খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। আজ শনিবার ২৩ নভেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়নে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভার শুরুতে উপাচার্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধসহ সকল শহিদ, কটকা ট্র্যাজেডিতে শাহাদাৎবরণকারী শিক্ষার্থীদের স্মরণ এবং তাঁদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করেন। একই সাথে ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থানে যে সকল শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন তাদের আশু সুস্থতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। সভায় উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সকল রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও বিভিন্ন সংগঠনসহ আপামর সকল শ্রেণি-পেশার মানুষদের এবং বিশেষ করে সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।
উপাচার্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা যে গবেষণাগুলো করবো, তা বাংলাদেশের উন্নয়নে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা এমনভাবে দক্ষ হয়ে উঠবে, তারা যেখানে যে কাজই করুক- তারা তাদের একটি গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতে পারবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন এমনভাবে পরিচালিত হবে, যেন তা সমাজের এবং জাতির টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে। আমি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আপনাদের সকলের সহযোগিতা এবং বর্তমান প্রশাসনের গতিশীলতা দিয়ে ‘ইমপ্যাক্টফুল বিশ্ববিদ্যালয়’ এ পরিণত করতে চাই।
উপাচার্য আরও বলেন, গত ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে বিগত সরকারের পতন হলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে গত ২০ আগস্ট খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভাইস-চ্যান্সেলর, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর, ট্রেজারার, রেজিস্ট্রার, প্রভোস্টবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালক, বিভিন্ন বিভাগের পরিচালকসহ প্রায় ৭০ জন প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেন। তখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। দায়িত্ব নেওয়ার পর অগ্রাধিকারভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনাসহ শিক্ষা ও সহশিক্ষা কার্যক্রম স্বাভাবিক করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সংকটময় ওই সময়টাতে দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার স্থিতিশীল পরিবেশ না থাকলেও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ব্যতিক্রম। শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতায় এ সংকট দ্রুত কেটে যায়। ক্লাসের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে খুবই অল্প সময়ের মধ্যে স্বরূপে ফিরে আসে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।
উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে গত এক মাসে বর্তমান প্রশাসনের বেশকিছু পদক্ষেপ এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঙ্ক্ষিত অভিলক্ষ্য পূরণে শিক্ষা ও গবেষণা, আন্তর্জাতিক কোলাবরেশন ও র‌্যাঙ্কিং, দক্ষতা বৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রশাসনিকভাবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে সুসংহতকরণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে সকল ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে, অচিরেই তা দূর করতে বিভিন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি সংকটের চ্যালেঞ্জ রয়েছে, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
মতবিনিময় সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান বলেন, আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম স্বাভাবিক করাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ইতোমধ্যে আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। আমরা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে নিতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করি। এ ছাড়াও তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
মতবিনিময় সভায় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। সভা সঞ্চালনা করেন ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ডিসিপ্লিন প্রধান, প্রভোস্ট ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সদস্য সচিব মোঃ রফিউল ইসলাম টুটুল, ইউএনবির ব্যুরো প্রধান শেখ দিদারুল আলম, মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মোঃ রাশেদুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের ব্যুরো প্রধান এইচ এম আলাউদ্দিন, সময়ের খবরের স্টাফ রিপোর্টার আশরাফুল ইসলাম নূর, দিনকালের খুলনা প্রতিনিধি সোহরাব হোসেন, বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কমের ব্যুরো এডিটর মাহবুবুর রহমান মুন্না, দৈনিক প্রবাহের চিফ রিপোর্টার মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, দেশ টিভির খুলনা প্রতিনিধি নূর ইসলাম রকি ও দৈনিক কালবেলার খুলনা প্রতিনিধি বশির হোসেন। এ সময় সাংবাদিকদের মধ্য থেকে বিগত সরকারের আমলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘটিত বিভিন্ন অনিয়মের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য ব্যাপারগুলো খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভায় খুলনার বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ন্যাশনাল পেট্রোল পাম্পে তেল পাচারের গুঞ্জনের সংবাদ প্রচারের জন্য গেলে সেখানে তাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করা করে স্থানীয় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী, ভাংচুর করা হয় মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ৪০ হাজারের অধিক টাকা। এই ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক। উপজেলার এই সিনিয়র সাংবাদিকের গায়ে হামলার প্রতিবাদে ফুসে ওঠে ধামইরহাটের সাংবাদিক সমাজ, তীব্র প্রতিবাদে সরগড়ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

জানা গেছে, ধামইরহাট পুর্ব বাজারে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম এন্ড ফিলিং স্টেশনে তেলবাহী লড়িতে পাম্প মালিক কর্তৃক কিছু তেল রেখেই তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন খবরের গুঞ্জনে ও স্থানীয়দের আহবানে ২২ এপ্রিল সকাল ৮ টায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান দৈনিক ভোরের দর্পন ও সকালের সময়ের ধামইরহাট প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক। সেখানে স্থানীয়দের বক্তব্য প্রচার করছিলেন তিনি। এ সময় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী বড় চকগোপাল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু সুফিয়ান পান্না সাংবাদিক এম এ মালেকের উপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকে, এক পর্যায়ে হামলাকারি পান্নার নেতৃত্বে আরও ৮/৯ জন তাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয় ও তার কাছে থাকা প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এম এ মালেক বাদী হয়ে  ধামইরহাট থানায়  এজাহার দায়ের করেন।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আজ বুধবার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে

বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট একাউন্টেন্ট গোলাম মোস্তফা।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩