খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

নওগাঁয় প্রজন্মের উদ্যোগে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস পালিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:০১ অপরাহ্ণ
নওগাঁয় প্রজন্মের উদ্যোগে জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস পালিত

নওগাঁ প্রতিনিধি: “জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক ব্যবসা থেকে সরকারের অংশীদারিত্ব প্রত্যাহার করা হোক” এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মানববন্ধন ও আলোচনা সভার মাধ্যমে ৯ অক্টোবর জাতীয় তামাকমুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে নওগাঁর উকিলপাড়াস্থ ন্যাশনাল মডেল স্কুল মিরনায়তনে প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্র এর উদ্যোগে বাংলাদেশ তামাক বিরোধী জোট, ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট, সাপ্তাহিক প্রজন্মরে আলো ও প্রজন্মের মেলার সহযোগিতায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রের সভাপতি, প্রগতিশীল শিক্ষা পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও প্রজন্মের আলোর সম্পাদক অধ্যক্ষ আব্দুর রহমান রিজভীর সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসাবে ন্যাশনাল মডেল স্কুলের পরিচালক সহিদ প্রামানিক উপস্থিত ছিলেন। এ সময় ধূবতার যুব সংগঠনের সভাপতি শাকিল হোসেন, ন্যাশনাল মডেল স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক মঞ্জুর এলাহী মোঃ আহসান হাবিব, মোঃরায়হান বাবু, রুবিনা ইয়াসমিন, ফারহানা আক্তার ,শাহেদ হাসেম, সবুজ হোসেন,প্রসন্জিত সাহা,মোয়াজ্জেম হোসেন, আবু বক্কর সিদ্দিক, সোহাগ হোসেন, ডি এম কুদ্দুস, কাশেম, ফয়নূর খাতুন, মারুফ হোসেন, আজাদুল ইসলাম,প্রজন্ম মানবিক অধিকার উন্নয়ন কেন্দ্রে ও প্রজন্মের আলোর নির্বাহী সম্পাদক তাহেরা এনায়েত করিম, প্রজন্মের আলো ও প্রজন্মের মেলার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আলমাস বিন রহমান তানভীর, প্রজন্মের আলো ও প্রজন্মের মেলার ডিজিটাল কন্টেন্ট এডিটর আব্দুল্লাহ আল মাসুদ বিন রহমান তন্ময় বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় ন্যাশনাল মডেল স্কুলের শিক্ষক মন্ডলী, অভিভাবক, এনজিও কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ব্রিটিশ-আমেরিকান ট্যোবাকো’ কোম্পানীতে ৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ বাংলাদেশ সরকারের যে শেয়ার রয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবী জানান। তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে অবিলম্বে ক্ষতিকর এই খাত থেকে সরকারের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করা উচিৎ।
এ ছাড়া কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদে সরকারের উচ্চপদস্থ কয়েকজন রয়েছেন। তামাক কোম্পানিতে সরকারের অংশীদারত্বের সুযোগে কোম্পানিগুলোর জন্য তামাক নিয়ন্ত্রণের পদক্ষেপে হস্তক্ষেপ করা সহজ হয়েছে। এতে জনস্বাস্থ্য ক্ষতির মুখে পড়ছে। তারা এসব ব্যবসা থেকে সরকারের অংশীদারত্বের প্রত্যাহারের দাবি জানান।
আলোচনা সভায় জানানো হয়,দেশে অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ তামাক। অসংক্রামক রোগে প্রতিবছর ৫ লাখ ৭২ হাজার মানুষ মারা যায়। এর মধ্যে শুধু তামাকজনিত রোগের কারণে মারা যায় ১ লাখ ২৬ হাজার। তাই এ খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যু এক-তৃতীয়াংশে নামিয়ে আনা সম্ভব নয়। এছাড়াও তামাক খাতে সরকারের আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি। তামাকজনিত রোগে চিকিৎসা ব্যয় ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। অথচ তার বিপরীতে রাজস্ব আয় ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তাই এ রকম ক্ষতিকর ও অলাভজনক খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখা সম্পূর্ণরূপে অযৌক্তিক। অবিলম্বে ক্ষতিকর ও অলাভজনক তামাক খাত থেকে সরকারেরশেয়ার প্রত্যাহার করার জোর দাবী জানান বক্তারা।
এর আগে ন্যাশনাল মডেল স্কুল সংলগ্ন মেইন রোডে ঘন্টাকাল ব্যাপী মাননবন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

 

​মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে কুমার নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুজন হোসেন এর বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ায় মোঃ সুজন হোসেন এর পৈত্রিক ভিটা ও বসতঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় আসবাবপত্রসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

​ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ সুজন হোসেন জানান ​”চোখের সামনেই নিজের ভিটেমাটি নদীতে চলে যেতে দেখলাম, কিছুই করার ছিল না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, তা জানি না। সব হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।”

​শুধু মোঃ সুজন হোসেন নন, ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকার আরও বহু পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ার আরও অনেক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি কুমার নদে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
​প্রশাসনের ভূমিকা
​এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণ নয় বরং স্থায়ী সমাধান হিসেবে নদী শাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
​সব হারিয়ে মোঃ সুজন হোসেন এই চরম দুর্দশা নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে