খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

নাসিরপুর গ্রামের নুরের খুনীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
নাসিরপুর গ্রামের নুরের খুনীদের গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

Oplus_131072

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউপির নাসিরপুর গ্রামের আব্দুন নুর মিয়া নামে এক মৎস্যজীবি ভাসান পানিতে মাছ ধরার কারণে তাকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় খুনীদের গ্রেপ্তার করে ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এলাকাবাসীর আয়োজনে স্থানীয় মিলনবাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার চার শতাধিক লোকজন অংশগ্রহন করেন।

এ সময় বক্তব্য রাখেন,ইদ্রিছ আলী,নিহতের ছেলে শিপন মিয়া,আমীর হোসেন,মুক্তার হোসেন মুক্তা,আলী হায়দার,সিরাজ মিয়া ও আব্দুল কাইয়ূম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন,গত ১২ই সেপ্টেম্বর সকালে দিরাইয়ের চরনাররচর ইউপির নাসিরপুর গ্রামের মৃত বাদশা মিয়ার ছেলে দিনমুজুর মৎস্যজীবি ও লৌলারচর নাসিরপুর গ্রামের জামে মসজিদের সাবেক ক্যাশিয়ার আব্দুন নুর মিয়া গ্রামের পশ্চিম পাশে একটি সরকারী ডোবায় ভাসান পানিতে মাছ ধরতে যান।

এ সময় একই গ্রামের মৃত জবর আলীর ছেলে সুরুজ আলীর নির্দেশে তার ৭ ছেলে আব্দুন নুর মিয়াকে মাছ ধরতে নিষেধ করলে তিনি বাড়িতে চলে আসেন। কিছুক্ষণ পর খুনী সুরুজ আলী তার ৭ ছেলেকে নিয়ে আব্দুন নুরের বাড়িতে গিয়ে তাকে মাঠিতে ফেলে দাড়াঁলো অস্ত্র দা,রামদা,ছুলফি দিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করলে তিনি অধিক রক্তখননে মাটিতে লুঠিয়ে পড়েন।

পরবর্তীতে তার স্বজনরা তাকে দ্রুত দিরাই উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্ম এ নিয়ে যাওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সাথে সাথে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হলে শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হয়। পরবর্তীতে তাকে গত ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে আশংঙ্কাজনক অবস্থ্ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর গত ২২ সেপ্টেম্বর তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় নিহতের ভাতিজা আক্কল আলীর ছেলে আব্দুল কাইয়ূম বাদি হয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর একই গ্রামের হত্যাকারী সুরুজ আলী ও তার ৭ ছেলে ফিরোজ আলী,দুলা মিয়া,রাজা মিয়া,সামাদ মিয়া,ছালাই মিয়া,ছাইবুর মিয়া,ছাদ মিয়া ,মৃত বানু মিয়ার দুই ছেলে একাদুল মিয়া ও আমিনুরসহ ১০জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫জনকে আসামী করে দন্ডবিধির ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩২৬//৩০৭/৪২৭/৫০৬/১১৪/৩৪ ধারায় দিরাই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-০৮ ।

মামলা দায়েরের দিন পেরিয়ে গেলেও আসামীপক্ষ প্রকাশ্যে দিবালোকে ঘুরে বেড়ালে ও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার না করায় বাদিপক্ষ হতাশাসহ শংঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। বরং আসামীরা প্রভাবশালী হওয়াতে মামলা তুলে নিতে বিভিন্নভাবে প্রাণনাশের হুমকি দামকী দিচ্ছেন বলে তারা অভিযোগ করেন। অবিলম্বে আব্দুন নুর মিয়ার সকল খুনীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে ফাসিঁর রায় কার্যকরের জন্য বর্তমান অন্তবর্তী সরকার ও পুলিশ সুপারের নিকট দাবী জানান।

এ ব্যাপারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক জানান,এই আব্দুন নুর হত্যাকান্ডের মামলায় ৪ জন বিজ্ঞ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন এবং বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ##

 

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০১.১০.২০২৪

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

 

​মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে কুমার নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুজন হোসেন এর বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ায় মোঃ সুজন হোসেন এর পৈত্রিক ভিটা ও বসতঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় আসবাবপত্রসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

​ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ সুজন হোসেন জানান ​”চোখের সামনেই নিজের ভিটেমাটি নদীতে চলে যেতে দেখলাম, কিছুই করার ছিল না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, তা জানি না। সব হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।”

​শুধু মোঃ সুজন হোসেন নন, ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকার আরও বহু পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ার আরও অনেক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি কুমার নদে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
​প্রশাসনের ভূমিকা
​এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণ নয় বরং স্থায়ী সমাধান হিসেবে নদী শাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
​সব হারিয়ে মোঃ সুজন হোসেন এই চরম দুর্দশা নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে