খুঁজুন
মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ, গাজীপুর প্রতিনিধি : তরুণ প্রজন্মের মাঝে সততা, নৈতিকতা ও দুর্নীতি বিরোধী চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমজমাট পরিবেশে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ১১ আগষ্ট (মঙ্ঙ্গলবার) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের মিলনায়তনে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সমন্বিত জেলা কার্যালয়, গাজীপুর এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং কালীগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) এর আয়োজনে এ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। উপজেলার মোট ১৪ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দল এতে অংশ নেয়। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতায় চুপাইর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন এবং বালিগাও উচ্চ বিদ্যালয় রানার্স-আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
প্রতিযোগিতার মূল বিষয় ছিল ‘আইনের শাসনের কঠোর প্রয়োগের মাধ্যমেই দুর্নীতি দমন সম্ভব’। এই বিষয়ের ওপর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পক্ষে-বিপক্ষে তাদের তথ্যসমৃদ্ধ বক্তব্য ও যুক্তি উপস্থাপন করে। তার্কিকদের ক্ষুরধার যুক্তি, পাল্টা-যুক্তি এবং চমৎকার বাচনভঙ্গি উপস্থিত বিচারক ও দর্শকদের মুগ্ধ করে। প্রতিযোগিতা শেষে শ্রেষ্ঠ বক্তাকে বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্নীতি একটি দেশের উন্নয়নের প্রধান অন্তরায়। শুধু আইন প্রয়োগ করে বা শাস্তি দিয়ে সমাজ থেকে দুর্নীতি পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না।  বক্তারা শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বাস্তব জীবনে সততার চর্চায় নিজেদেরকে আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মোঃ নায়েবুর রহমান মাসুদ, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আল‌ আমিন‌ হাওলাদার।
কালীগঞ্জ উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন মোড়ল এবং কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাব এর সভাপতি জাকারিয়া আল মামুন এর যৌথ সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত গাজীপুর জেলা কার্যালয় এর সহকারী পরিচালক মো এনামুল হক, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কমকর্তা মোঃ আতিকুর রহমান খান, কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুল ইসলাম, কালিগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নোমান, মানব কল্যাণ সংস্থা কালীগঞ্জ এর সহ-সভাপতি সানাউল্লা তালুকদার, কালীগঞ্জ উপজেলা ভূমি কানুনগো উমর ফারুক, কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ ম্যানেজিং কমিটির অন্যতম সদস্য মাহাবুবুর রহমান সুরুজ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানা প্রেসক্লাবের সদস্য মামুন মোড়ল প্রমূখ। অনুষ্ঠানে মডারেটরের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির উপদেষ্টা জয়নাল আবেদিন। বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালীগঞ্জ মহিলা ডিগ্রী কলেজ তিনজন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালিগঞ্জ দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সহ-সভাপতি ফিয়ারা বেগম, সদস্য ফরহাদ উদ্দিন ফুলু, মামুন অর রশীদ, মুফতি ফাহিমুল ইসলাম ফাহাদ, মহিলা সদস্য শান্তা ইসলাম, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, আমন্ত্রিত সুধীজন, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ এবং স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী ও বিজিত দলের হাতে স্ক্রেষ্ট ও সনদপত্র তুলে দেন। সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : ৯০-এর দশকের তুখোড় ছাত্রনেতা, দৈনিক সিলেটের সমাচারের চেয়ারম্যান ও দিরাই প্রেসক্লাবের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক তৃতীয় মাত্রা পত্রিকার যুক্তরাজ্য প্রতিনিধি ,মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকে ব্যুরো চিফ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুনামগঞ্জের দিরাইয়ের কৃতি সন্তান, সিনিয়র সাংবাদিক হারুন মিয়া।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গে সম্পৃক্ত হারুন মিয়া দিরাইয়ের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি পরিচিত নাম। ৯০-এর দশকে তিনি ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। ছাত্রজীবন থেকেই নেতৃত্বের গুণাবলি ও সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে পরবর্তীতে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমকে পেশা হিসেবে বেছে নেন।

বর্তমানে তিনি দৈনিক সিলেটের সমাচার-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দিরাই প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের কর্মকাণ্ডেও তাঁর সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে।

সাংবাদিক হারুন মিয়া যুক্তরাজ্যস্হ দিরাই প্রবাসীদের সর্ববৃহৎ চ্যারেটি রেজিস্ট্যাড সামাজিক সংগঠন “দিরাই থানা ডেভেলাপমেন্ট অর্গেনাইজেশন,ইউকের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করেন এবং যুক্তরাজ্যস্হ প্রবাসীদের মানবতার কল্যাণে নিয়োজিত সামাজিক সংগঠন “দিরাই-শাল্লা কালচারাল এন্ড ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন ইউকের প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।
দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, পেশাগত দক্ষতা ও গণমাধ্যমের প্রতি দায়বদ্ধতার স্বীকৃতি হিসেবে মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকে ব্যুরো চিফের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় দিরাইসহ সুনামগঞ্জের সাংবাদিক মহল ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, নতুন দায়িত্বে হারুন মিয়া যুক্তরাজ্যে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জীবনযাপন, সাফল্য, সমস্যা ও সম্ভাবনার পাশাপাশি দেশের সঙ্গে প্রবাসের যোগাযোগ ও সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় বস্তুনিষ্ঠভাবে গণমাধ্যমে তুলে ধরবেন।
নতুন দায়িত্বে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে মানব চাহিদা পত্রিকার পাঠকদের জন্য ইউকে থেকে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ ও তথ্য তুলে ধরবেন এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। ##কুলেন্দু শেখর দাস

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৬ পূর্বাহ্ণ
আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

মেহেদী হাসান সোহাগ, কুয়াকাটা প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় আদালতের স্থিতাবস্থা (Status Quo) আদেশ থাকা একটি বিরোধীয় জমিতে ফের দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জমির মালিক দাবিদার মো. মজিবুর রহমানের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেছেন তার চাচি ফাতেমা বেগম।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম অভিযোগ করেন, আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে নতুন করে স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কলাপাড়া উপজেলার ইছবপুর মৌজার জে.এল. নং-২৭, বি.এস. দাগ নং-৩৭২ ও ৮১৬ এবং খতিয়ান নং-১২৯, ২৩০৩ ও ২০৭-এর অন্তর্ভুক্ত মোট ১ দশমিক ২৫ একর জমি নিয়ে কলাপাড়া সিনিয়র সিভিল জজ আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
ফাতেমা বেগমের দাবি, মামলায় অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলে গত ২২ জুলাই আদালত উভয় পক্ষকে বিরোধীয় জমির ওপর স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন। তবে আদালতের ওই আদেশের পরও মো. ইমরান হাওলাদার, হানিফ, ইব্রাহিমসহ কয়েকজন এবং তাদের সহযোগীরা জমিতে প্রবেশ করে টিন ও কাঠ দিয়ে পাটাতন নির্মাণ করে দুটি ঘর তোলেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, এর আগে স্থানীয়ভাবে সালিশ-মীমাংসার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি। পরবর্তীতে আবারও বিরোধীয় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের গালিগালাজ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে, একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আরও ১০ জনকে আসামি করে একটি চাঁদাবাজির মামলা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মামলার আসামি মাহাতাব মাওলানা ও শাহীন মীর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে তাদের বিরুদ্ধে করা মামলাটি ‘মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও ষড়যন্ত্রমূলক’ বলে দাবি করেন। তাদের অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে হয়রানি করার উদ্দেশ্যেই তাদের মামলায় আসামি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগে বিরোধীয় জমিতে নির্মাণ করা দুটি ঘর মহিপুর থানা বিএনপির উদ্যোগে উচ্ছেদ করা হয়েছিল। সম্প্রতি ওই জমিতে আবারও দুটি টিনের স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। স্থাপনা নির্মাণে স্থানীয় বিএনপির এক নেতার সহযোগিতা ছিল বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহজাহান পারভেজ বলেন,উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হবে।তবে স্থাপনা নির্মাণের পেছনে বিএনপির কোনো ইন্ধন রয়েছে—এমন অভিযোগের বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
ঘটনাস্থলে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও মজিবুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করেছে।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন,বিষয়টি আদালতের। আদালত স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় তারা ঘর উত্তোলনের চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।
আদালতের স্থিতাবস্থা আদেশের পরও বিরোধীয় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ, পাল্টাপাল্টি মামলা এবং রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আদালতের আদেশ যথাযথভাবে বাস্তবায়ন, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত উভয় পক্ষকে আইন নিজের হাতে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
####

গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:১৩ পূর্বাহ্ণ
গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত

কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জে তীব্র বিদ্যুৎ সংকটে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। দিনে প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকলেও এ সময়ের মধ্যে ২০ থেকে ২৫ বার পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানাগেছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ আসা যাওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও শিল্পকারখানায় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকে। হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা সেবা ও স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনাতেও নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চলমান এইচএসসি পরীক্ষা সহ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পরীক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় বিঘ্ন ঘটছে। অনেক শিক্ষার্থী বাধ্য হয়ে মোমবাতি, চার্জার লাইট কিংবা মোবাইলের আলো ব্যবহার করে পড়াশোনা করছে। বিদ্যুৎ সংকটের প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ওপরও। দোকানপাট ও ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ফ্যান, লাইট, ফ্রিজসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ঠিকমতো চালানো যাচ্ছে না। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। একই সঙ্গে অটোরিক্সা ও ইজিবাইক চালকেরাও সমস্যায় পড়েছেন। চার্জিংয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় তাদের আয় কমে যাচ্ছে।

গোপালগঞ্জের শিল্পকলকারখানাগুলোতেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে এবং বাড়ছে উৎপাদন খরচ। এভাবে চলতে থাকলে শিল্প ও ব্যবসা খাতে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ার কারণে দৈনন্দিন কাজের কোনো নির্দিষ্ট সময়সূচি রাখা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে রাতে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় মানুষের দুর্ভোগ আরো বেড়ে
যায়। গোপালগঞ্জবাসী বিদ্যুৎ বিভ্রাটের দৌরাত্ম্য থেকে বাঁচতে গোপালগঞ্জের মাননীয় তিন এমপি মহোদয়ের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) -এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাঈন উদ্দিনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ হলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, গোপালগঞ্জে প্রায় ১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এর চাহিদা রয়েছে এর মধ্যে আজ সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে জাতীয় গ্রিড থেকে মাত্র সাড়ে ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমরা পেয়েছি আবার দুপুরে মাত্র ৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমরা পেয়েছি। বিদ্যুৎ এমন একটা জিনিস আমরা এখানে তা সংরক্ষণ করে রাখতে পারি না। আমরা যা পাই তা সমস্ত জেলায় বিতরণ করে থাকি। তবে চলমান এইচএসসি ও ডিগ্রী পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে ও হাসপাতাল সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি।

দুদকের বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটি তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন মাত্রা মানব চাহিদা পত্রিকার ইউকের ব্যুরো চীফ হলেন দিরাইয়ের সন্তান সাংবাদিক হারুন মিয়া আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিরোধীয় জমিতে ফের স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ গোপালগঞ্জে মাত্রারিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত পরিচয় চাই মর্যাদার, অধিকার চাই ভূমির’শ্রীমঙ্গলে বিশ্ব আদিবাসী দিবসে পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশনের দাবি