খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ণ
পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে গারো পাহাড়

পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে পর্যটকদের বরণে প্রস্তুত শেরপুরের উত্তর সীমান্তজুড়ে বিস্তৃত গারো পাহাড়। জেলার তিনটি উপজেলার সীমান্ত ঘেঁষে বিস্তৃত এই পাহাড়ি এলাকা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজ বনভূমি ও নান্দনিক পর্যটনকেন্দ্রের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই ভ্রমণপিপাসু মানুষের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য।

গারো পাহাড় এলাকায় রয়েছে জেলার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশকেন্দ্র ও মধুটিলা ইকোপার্ক। এ ছাড়া পানিহাটা ও রাজার পাহাড়ও পর্যটকদের কাছে বেশ পরিচিত দর্শনীয় স্থান। প্রতিবছর শীতকাল, ঈদ ও বিভিন্ন সরকারি ছুটির দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসেন এই পাহাড়ি এলাকায়। পাহাড়, বন আর প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই অঞ্চল ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা এনে দেয়।

ঈদ সামনে রেখে ইতোমধ্যে গারো পাহাড়ের পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ধোয়া-মোছা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও রঙের কাজ শেষ করে নতুন রূপে সাজানো হয়েছে পর্যটনকেন্দ্রগুলো। দর্শনার্থীদের স্বাগত জানাতে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন আয়োজন।

 

রমজান মাসের কারণে এক মাস ধরে এসব পর্যটনকেন্দ্রে দর্শনার্থীর উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তবে ঈদের ছুটি শুরু হলে আবারও পর্যটকের ঢল নামবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। পাহাড়ের মনোরম পরিবেশ, শীতল বাতাস ও সবুজ প্রকৃতির টানে এবারও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লক্ষাধিক পর্যটক এখানে ভিড় করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

গজনী বোটক্লাবের ইজারাদার এরশাদ হোসেন বলেন, ‘শীত মৌসুমে পর্যটকের সংখ্যা বেশ ভালো ছিল। কিন্তু রমজান মাসে সাধারণত মানুষ ঘোরাঘুরি কম করায় গত এক মাস দর্শনার্থী কম এসেছেন। এতে কিছুটা ব্যবসায়িক ঘাটতি হয়েছে। তবে ঈদের ছুটিতে আবার পর্যটকের চাপ বাড়বে বলে আশা করছি। সে অনুযায়ী সব রাইড নতুন করে রং করা হয়েছে এবং পর্যটকদের নিরাপদে বিনোদনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।’

গজনী অবকাশ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন বলেন, রমজান মাসে সাধারণত পর্যটকের সংখ্যা কম থাকে। তবে ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে মানুষ গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেন। তাই ব্যবসায়ীরা নতুন মালামাল আনছেন এবং বিভিন্ন রাইড ও বিনোদন ব্যবস্থাগুলো নতুনভাবে সাজিয়ে তুলছেন। ঈদ উপলক্ষে ভালো সাড়া পাওয়ার আশা করছেন তারা।

গজনী অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রটি গারো পাহাড়ের অন্যতম আকর্ষণ। এখানে রয়েছে ভাসমান সেতু, ওয়াটার পার্ক, ওয়াটার কিংডম, প্যারাডোবা, ঝুলন্ত ব্রিজ, রোপওয়ে, জিপলাইনার, ক্যাবল কার, প্যাডেল বোট, সাম্পান নৌকা, আলোকের ঝরনাধারা, মিনি চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্কসহ নানা ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা। এ ছাড়া ওয়ার্চ টাওয়ারে উঠে সীমান্তের পাহাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ রয়েছে, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে বিবেচিত।

অন্যদিকে মধুটিলা ইকোপার্কও গারো পাহাড় অঞ্চলের একটি জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। এখানে রয়েছে স্টার ব্রিজ, ওয়াচ টাওয়ার, প্যাডেল বোট, ঝরনা, মিনি চিড়িয়াখানা ও শিশুপার্ক। পাশাপাশি সুউচ্চ টিলায় ওঠার জন্য নির্মিত দীর্ঘ সিঁড়ি পর্যটকদের কাছে বাড়তি রোমাঞ্চের সৃষ্টি করে। টিলার চূড়ায় উঠে চারপাশের সবুজ পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করা যায়, যা দর্শনার্থীদের জন্য এক অনন্য অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।

এ ছাড়া গারো পাহাড়ের পানিহাটা ও রাজার পাহাড় এলাকায় রয়েছে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পরিবেশ, যা পর্যটকদের মুগ্ধ করে। পাহাড়ি বন, নীরব পরিবেশ ও শীতল আবহাওয়ার কারণে এসব এলাকায় ভ্রমণ করতে আসা মানুষ প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর সুযোগ পান।

শেরপুর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও ঈদ উপলক্ষে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও অন্যান্য সুবিধা।

শেরপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. শাকিল আহম্মেদ বলেন, জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশ কেন্দ্রসহ গারো পাহাড়ের অন্যান্য দর্শনীয় স্থান ঈদকে সামনে রেখে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। ঈদের ছুটিতে এখানে বরাবরই প্রচুর পর্যটকের সমাগম ঘটে। দর্শনার্থীরা যাতে নিরাপদে ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরে বেড়াতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য একটি সুন্দর ও আনন্দময় পরিবেশ বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ফলে এবার ঈদে গারো পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভ্রমণ করতে আসা দর্শনার্থীরা নিশ্চিন্তে সময় উপভোগ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

মাহামুদুল হাসান রনি মাদারীপুর প্রতিনিধি,
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি।

 

আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাইর প্রাইভেট কারে অগ্নিসংযোগ।

টেকেরহাটে পীরের বাড়িতে গ্যারেজে রাখা প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগ, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার টেকেরহাটে গ্যারেজে রাখা একটি প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়িটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় , ৬ সেপ্টম্বর ২০২৬, শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে টেকেরহাটের পীর সাহেব মরহুম দেলোয়ার হোসেন আনসারীর বাড়ির গ্যারেজে থাকা তার ছোট ছেলে আসাদ আনসারীর প্রাইভেটকারে দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ করে।

আসাদ আনসারী,আন্তর্জাতিক ইসলামিক বক্তা কামরুল ইসলাম সাঈদ আনসারীর ছোট ভাই।

আগুনে গাড়িটির বিভিন্ন অংশ পুড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কারা এবং কী কারণে গাড়িটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

রাজৈর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা পুড়িয়ে দিল ২৫ লক্ষ টাকার প্রাইভেট কার গাড়ি। কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন