খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

দনিয়া-মাতুয়াইল ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের গডফাদার কর্মকর্তা সঞ্জীব ও আসাদুজ্জামান ‎সেবা নিতে বাধ্যতামূলক দালাল ধরতে হয়,

স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৫ অপরাহ্ণ
দনিয়া-মাতুয়াইল ভূমি অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের গডফাদার কর্মকর্তা সঞ্জীব ও আসাদুজ্জামান ‎সেবা নিতে বাধ্যতামূলক দালাল ধরতে হয়,

তারাই নিয়ন্ত্রণ করছে পুরো প্রক্রিয়া সাংবাদিকের ‎ক্যামেরার সামনে ভড়কে গেলেন সঞ্জীব,উত্তেজিত আচরণ করলেন আসাদুজ্জামান ভূমি সেবা নিতে আসা জনগণকে হয়রানি করে প্রতি মাসেই কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি টাকা।

‎‎রাজধানীর শ্যামপুর থানাধীন ধোলাইপাড় এলাকায় অবস্থিত মতিঝিল রাজস্ব সার্কেলের দনিয়া ভূমি অফিস এবং ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের মাতুয়াইল ভূমি অফিসকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ করে আসছেন সেবা প্রত্যাশীরা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ভূমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে হলে নির্দিষ্ট দালালের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের অর্থ প্রদান করতে হয়, অন্যথায় ফাইল আটকে রাখা বা হয়রানির শিকার হতে হয়।

‎অনুসন্ধানে দেখা যায়, অফিস প্রাঙ্গণের ভেতর-বাইরে সক্রিয় কিছু দালাল সেবা নিতে আসা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কাজ পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা আদায় করছে। সূত্র জানায়, এসব দালাল সরাসরি সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ পরিচালনা করে এবং পুরো ঘুষ লেনদেনের ‘চাবিকাঠি’ হিসেবে কাজ করে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত দালাল ছাড়া কাজ করতে গেলে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ ও হয়রানির শিকার হতে হয়।

ভূমি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামানের সহযোগিতায় দালালচক্রের মাধ্যমে রেকর্ড রুমের কার্যক্রম পরিচালনা, ঘুষ বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তথ্য সংগ্রহ গিয়ে দেখা যায় দালালদের মাধ্যমে সাধারণ সেবা গ্রহীতাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে পর্চা ও খতিয়ানের কাজ সম্পন্ন করা হয়। সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকলেও রেকর্ড রুমে দালালদের অবাধ যাতায়াত রয়েছে। চিত্র ও তথ্য ধারণের সময় বহিরাগত দালাল ও সন্ত্রাসীরা সাংবাদিকদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে তাদের সঙ্গে থাকা ক্যামেরা ও সরঞ্জাম ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় ।

কর্মকর্তা সঞ্জীবের কাছে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দৃশ্যত বিব্রত হয়ে পড়েন এবং স্পষ্ট কোনো জবাব দিতে পারেননি বলে ফুটেজে দেখা যায়। এ সময় পাশে থাকা ডেমরা রাজস্ব সার্কেলের মাতুয়াইল ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান হঠাৎ উত্তেজিত আচরণ করেন, যা ভিডিওচিত্রে ধারণ হয়েছে।

‎‎একটি বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ভূমি অফিস দুটিতে প্রতিটি সেবা ঘিরেই অঘোষিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে এবং স্থানীয় কিছু দালালকে ব্যবহার করে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ রয়েছে, দালালদের মাধ্যমে অনেক সময় সেবা প্রত্যাশীদের ভয়ভীতি দেখানো বা চাপ প্রয়োগের ঘটনাও ঘটে।

‎‎সূত্র আরও জানায়, ভূমি সহকারী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান এর আগে বাড্ডায় কর্মরত থাকাকালীন সময়েও তার বিরুদ্ধে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেখানে সাংবাদিকদের কাজ বাধাগ্রস্ত করতে স্থানীয় লোকজন দিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠে। সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, বর্তমান কর্মস্থলেও একই ধারা অব্যাহত রয়েছে এবং ঘুষ বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে তিনি আরও সক্রিয় হয়েছেন।

‎‎এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে
নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল সোমবার গভীর রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামে হত্যাকাণ্ডের এ ঘটনা ঘটে। নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
নিহতরা হলেন, বাহাদুরপুর গ্রামের নমির উদ্দিনের ছেলে হাবিবুর রহমান (৩২) তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং মেয়ে সাদিয়া আক্তার (৩)।এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), বোন ডালিমা বেগম (৪৫) ও শিরিনা বেগম (৪০) এবং ভাগনে সবুজ রানাকে (২৫) হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, হত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধের জেরে ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, বাড়ির দরজা-জানালা অক্ষত থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকারীরা পরিবারের পরিচিত কেউ হতে পারেন।
এদিকে আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি শামীম আহমেদ ও নওগাঁর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম। এ সময় র‌্যাব, সিআইডি ও পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় বাসিন্দা বলছেন, ভোর ৬টার দিকে এ ঘটনা জানাজানি হয়। বাড়ির সদর দরজাসহ সব জানালা-দরজা অক্ষত রয়েছে। তাহলে হত্যাকারীরা কীভাবে ভেতরে প্রবেশ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। পারিপাশি^কতা দেখে তারা ধারণা করছেন নিজেদের লোকেরাই এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, হাবিবুর রহমানের মরদেহ ঘরের বিছানায় পড়ে ছিল। অন্য একটি ঘরে পাওয়া যায় তাঁর ছেলে ও মেয়ের লাশ। বাড়ির আঙিনায় পড়ে ছিল পপি সুলতানার মরদেহ। ঘটনাটি জানাজানি হয় ভোরের দিকে, যখন হাবিবুরের বাবার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। নৃশংস এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বজনদের আহাজারিতে এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে ফাঁসির দাবি করেন তারা।
নিহত হাবিবুর রহমানের প্রতিবেশী খলিলুর রহমান বলেন, হাবিবুর স্ত্রী-সন্তানসহ তার বাবা নমির উদ্দিনকে নিয়ে বাড়িতে বসবাস করেন। রাতের কোন সময় এ ঘটনা ঘটেছে কিছুই বলতে পারছি না। রাতে কোনো চিৎকার চেঁচামেচিও শোনা যায়নি। সকাল ৬টার দিকে তাঁর বাবার চিৎকারের পর এলাকার লোকজন জানতে পারেন।নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে পারিবারিক বিরোধ দীর্ঘদিন ধরে চলছিল। নমির উদ্দিন প্রত্যেক মেয়েকে ১০ কাঠা করে সম্পত্তি দিয়ে অবশিষ্ট সম্পত্তি হাবিবুরের নামে লিখে দেন। এনিয়ে বোনদের সঙ্গে ভাই হাবিবুরের বিরোধ সৃষ্টি হয়।
হাবিবুরের স্ত্রীর মামা আবুল কালাম আজাদ দাবি করেন, ঈদের আগে একবার খাবারের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁদের অচেতন করার ঘটনাও ঘটেছিল, যা এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হতে পারে।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
এ প্রসঙ্গে নওগাঁ পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘এটি ডাকাতির ঘটনা নয়। অন্য কোনো কারণে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

পাবলিক বাংলা নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ পূর্বাহ্ণ
রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর : সিজার করার পর থেকেই পেটে অসহ্য যন্ত্রণা। ওষুধ খেয়েও রোগীর মিলছে না সুফল। অতঃপর সিটিস্ক্যান রিপোর্টে জানা গেল, পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। প্রসূতির সিজারের পর পেটে গজ কাপড় রেখেই সেলাই দেওয়ার এ অভিযোগ উঠেছে রংপুরের এক গাইনি চিকিৎসকের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ওই চিকিৎসকের দায়িত্বশীল আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

জানা যায়, ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবীবা জান্নাতের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ৩নং ইউনিয়নের বড় আমবাড়ি গ্রামে। গেল ৪১ দিন ধরে পেটের অসহনীয় যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি।

‎ভুক্তভোগী গৃহবধূ হাবিবা জান্নাত বলেন, গত ৮ মার্চ নগরীর বন্ধন জেনারেল হাসপাতালে আমার সিজার করেন গাইনি চিকিৎসক রাজিয়া বেগম মুক্তা। অপারেশনের পর থেকেই তীব্র পেটব্যথা ও জটিলতায় ভুগছি। এখন ওই ডাক্তারের কাছে আসলে ওনাকে বিষয়টি জানাই। উনি বলেন, আল্ট্রা করতে। আমি আল্ট্রা করে নিয়ে আসি, কিন্তু উনি দ্বায় স্বীকার করে না। আমি আবার গাইনি ডাক্তার মৌসুমী হাসানের কাছে যাই, তিনি সিটি স্ক‍্যান করে আমার শরীরে গজ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

‎ভুক্তভোগীর স্বামী শাওন মিয়া বলেন, বিষয়টি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তাকে অবগত করি, কিন্তু তিনি গুরুত্ব না দিয়ে এড়িয়ে যান। পরে অন্য চিকিৎসকের দারস্থ হলে পরামর্শ দেন সিটি স্ক্যান করতে। এতে ধরা পরে পেটে রয়েছে কাপড় জাতীয় বস্তু। আমরা আবার সান ডায়োগনস্টিকে অপারেশন করতে গেলে গাইনি ডাক্তার রাজিয়া বেগম মুক্তার স্বামী আতিক আমাদেরকে হুমকি দেন ও ডাক্তারকেও হুমকি দেন। এখন ভয়ভীতির মাধ্যমে অসহায়ভাবে ঘুরছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অপেক্ষা না করে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতাল থেকে পুনরায় অপারেশনের মাধ্যমে গজটি বের করাই। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।

‎রোগীর দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ওই চিকিৎসকের কাছে বিষয়টি জানতে গেলে সান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে থাকা তার চেম্বারে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে তার মোবাইলে ফোন দিলে একজন সহযোগী কল রিসিভ করে বলেন, ‘ম‍্যাডাম রোগী দেখছেন, পরে কথা বলবেন।’ এরপর ফোন কেটে দেন তিনি।

অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস জেলা সিভিল সার্জনের।

‎এ নিয়ে রংপুরের জেলা সিভিল সার্জন ডা. শাহীন সুলতানা বলেন, তদন্ত করে জানতে হবে যে দ্বায়িত্বে অবহেলা ছিল কিনা। যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তিনি আমাদের বরাবর একটা দরখাস্ত করলে আমরা তদন্ত করে ব‍্যবস্থা নেবো। আমি আপনার মুখে বিষয়টি শুনলাম। এটা খুব দুঃখজনক বিষয়। একজন সহকারী গাইনী চিকিৎসকের দ্বারা এটি কখনো কাম‍্য নয়।

আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:০৫ অপরাহ্ণ
আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

সোমবার শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে
বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ (২০ এপ্রিল) নওগাঁর আত্রাই উপজেলার শলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট একাউন্টেন্ট গোলাম মোস্তফা।

নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে রংপুরে সিজারের পর পেটে কাপড় রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ১০ চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, চোর চক্রের ৯ সদস্য গ্রেফতার মান্দায় ১৪০ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আমিনুল ইসলাম আমিন গ্রেফতার