খুঁজুন
শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২৬, ১২ আষাঢ়, ১৪৩৩

মান্দা উপজেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন মান্দা ইউনিয়ন 

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ জুলাই, ২০২৫, ৬:২০ পূর্বাহ্ণ
মান্দা উপজেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চ্যাম্পিয়ন মান্দা ইউনিয়ন 

নওগাঁয় মান্দা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে কুসুম্বা ইউনিয়ন একাদশকে পেনাল্টিতে ৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে মান্দা ইউনিয়ন একাদশ।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেল ৪ টায় বড়পই জাগরণী ফুটবল মাঠে এ ফাইনাল খেলা শুরু হয়। অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচটি ছিল টানটান উত্তেজনাপূর্ণ।

নির্ধারিত সময়ে খেলা গোলশূন্য (০-০) ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ফলাফল নির্ধারিত হয়। যা মান্দা ইউনিয়ন একাদশের খেলোয়াড়রা দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে ৪টি গোল করে, অপরদিকে কুসুম্বা ইউনিয়ন একাদশ ২টি গোল করতে সক্ষম হয়।

খেলায় মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহ আলম মিয়ার সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নওগাঁ জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল।

এসময় তাঁর বক্তব্যে বলেন, খেলাধুলা যুবসমাজকে সুপথে পরিচালিত করে এবং শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মান্দা উপজেলা প্রশাসন গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর মতো আয়োজন গুলো আমাদের তরুণদের মেধা বিকাশে এবং তাদের সুস্থ জীবন গঠনে সহায়তা করবে। এই টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন প্রমাণ করে, মান্দা উপজেলা ক্রীড়াঙ্গনে কতটা সক্রিয়।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই ফাইনাল ম্যাচ শুধু একটি খেলার মঞ্চ নয়, এটি আমাদের তারুণ্যের শক্তি এবং ক্রীড়াপ্রেমের এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। আমি আশা করি, আজকের এই ম্যাচটি ফুটবলের সৌন্দর্য তুলে ধরবে এবং দর্শকরা একটি উপভোগ্য খেলা দেখতে পাবেন।

উপস্থিত সকলের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি খেলোয়াড়দের শুভকামনা জানান এবং একটি সফল ও সুন্দর ফাইনাল ম্যাচের প্রত্যাশা করেন।

এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এম এ মতীন, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বাবুল, বিএনপির সাবেক সভাপতি মোঃ মোখলেছুর রহমান মকে, বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু, মান্দা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ তোফাজ্জল হোসেন, কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ নওফেল ইসলাম, মান্দা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ আরিফুল ইসলাম প্রমুখ।

এ সময় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল এবং অন্যদিকে টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনের জন্য উপজেলা প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, হার-জিত খেলারই অংশ, তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অংশগ্রহণ এবং খেলার প্রতি ভালোবাসা। আগামীতেও এমন আয়োজন অব্যাহত থাকবে, যা মান্দার ক্রীড়াঙ্গনকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

খেলা শেষে প্রধান অতিথিবৃন্দ চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।

গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

কুয়াকাটা ( পটুয়াখলী ) প্রতিনিধি: 
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ণ
গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায়

 

পটুয়াখালীর মহিপুর থানার গঙ্গামতি উপকূলের গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর কুয়াকাটা থেকে এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত জেলে শাহাবুদ্দিন মাঝি (৬০) লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর থানার চর গাছিয়া এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।

জানা গেছে, গত ২৩ জুন ভোর ৫টার দিকে ধূলাসার ইউনিয়নের গঙ্গামতি মৎস্যঘাট থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। এ সময় জাল তোলার সময় প্রবল ঢেউয়ের আঘাতে জালাল মুন্সির ট্রলার থেকে শাহাবুদ্দিন মাঝি সমুদ্রে ছিটকে পড়ে তলিয়ে যান।

ঘটনার পর সহকর্মী জেলেরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়।

আজ ( ২৫ জুন ) বৃহস্পতিবার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় শাহাবুদ্দিন মাঝির মরদেহ দেখতে পান লেম্বুর বনঘাট এলাকার কয়েকজন জেলে। তারা বিষয়টি স্বজনদের জানালে নিহতের পরিবারের সদস্যরা অন্য একটি নৌকার সহযোগিতায় ঘটনাস্থলে যান। পরে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে গভীর সমুদ্র থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে আসেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় নৌ-পুলিশ, থানা পুলিশ ও টুরিস্ট পুলিশ   ঘটনাস্থলে পৌঁছে আইনগত কার্যক্রম শুরু করেছে।

এ ঘটনায় জেলে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘদিন ধরে জীবিকার তাগিদে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে এমন দুর্ঘটনায় জেলেদের প্রাণহানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:২১ অপরাহ্ণ
তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি

 

উজানের ঢল ও টানা বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যার আশঙ্কা কিছুটা কমলেও কুড়িগ্রামে এখন নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ভয়াবহ নদীভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন এলাকায় শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন। কুড়িগ্রাম জেলার অন্তত ৩০টি পয়েন্টে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও গাছপালা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল থেকে কুড়িগ্রাম জেলার নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বিভিন্ন নদীর পানি ৫ থেকে ১৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে পানি কমলেও নিচু এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি এখনো পানির নিচে রয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের কালির মেলা এলাকার কৃষক মোঃ রব্বানী ও মোঃ রহিউদ্দিন জানান, তিস্তার পানি ঢুকে তাদের এক বিঘা জমির বাদাম ক্ষেত তলিয়ে গেছে। দ্রুত পানি না নামলে পুরো ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের সবজি ও আউশ ধানেরও ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে জানান স্থানীয় কৃষকরা।

এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে নদীপারের মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদের তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বাড়ছে। অনেক পরিবার ঘরবাড়ি হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে বসতঘর ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনকবলিত মানুষের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।

কুড়িগ্রাম জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোঃ ময়দুল ইসলাম রনি বলেন, গতকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। স্থানীয়ভাবে নতুন করে অতিবৃষ্টি না হলে আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই।

অন্যদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, দ্রুত পানি নেমে গেলে নিমজ্জিত ফসলের বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা কম থাকবে। কৃষকদের জমিতে পানি নেমে যাওয়ার পর বিশেষ পরিচর্যা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

নদীবেষ্টিত কুড়িগ্রামের ভাঙনকবলিত মানুষ এখন জরুরি সরকারি সহায়তা ও টেকসই নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।

রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন

মেহেদী হাসান সোহাগ-কলাপাড়া,কুয়াকাটা-প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন

 

পটুয়াখালীর মহিপুরে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পৈত্রিক ও ক্রয়কৃত জমি দখল, প্রাণনাশের হুমকি, চাঁদাবাজি এবং হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক প্রবাসী পরিবারের সদস্যরা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) মহিপুরে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো. মুসা গাজী। তিনি জানান, তার বাবা মো. মজিবুর রহমান গাজী দীর্ঘ ২৩ বছর ধরে মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটাচ্ছেন। প্রবাসে অর্জিত অর্থে ২০২৪ সালে তিনি ৪০ নং ইউসুফপুর মৌজার বিএস ৮১৬ খতিয়ানের ২৩০৩ ও ২৩০৭ দাগের জমি ক্রয় করেন এবং বৈধভাবে ভোগদখলে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, সম্প্রতি ইমরান হাওলাদার ও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তির সহযোগিতায় ওই জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা চালান। বিষয়টি নিয়ে মহিপুর থানায় সালিশ বৈঠকে চূড়ান্ত সমাধান না হওয়া পর্যন্ত জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়। তবে গত ১২ জুন ইমরান হাওলাদার মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেল্লাল ইসলাম গালিব (মাইকেল), মহিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আইউব আলী আকন ফিরোজ, ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক তাউয়াব সরদার ও রাসেল মাহমুদ ভেকুকে দিয়ে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

মুসা গাজী দাবি করেন, তাদের স্বজনরা বাধা দিতে গেলে মারধরের শিকার হন, প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করা হয়। এ ঘটনায় তার চাচা আব্দুল মতিন গাজী মহিপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি নং-আর ১১৬/২৬) করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন কলাপাড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আবেদন করা হলেও বিবাদীরা ২৩ জুন পুনরায় জমিতে স্থাপনা নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল মতিন গাজী, শহিদুল গাজী ও দেলোয়ার দুয়ারির ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আব্দুল মতিন গাজী গুরুতর আহত হন। পরে তাকে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

পরিবারটির দাবি, তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হাওলাদার বলেন, আমার জমিতে আমি কাজ করেছি। কারও কাছে কোনো টাকা-পয়সা চাওয়া হয়নি। আদালতের কোনো নোটিশও আমি পাইনি।

মহিপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক বেলাল গালিব বলেন, বাজারে যাওয়ার পথে বিরোধপূর্ণ জমিতে লোকজনের ভিড় দেখে সেখানে যাই। পরে আমাদের জড়িয়ে আদালতে মামলা ও থানায় জিডি করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত।

এ বিষয়ে মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, এটি জমিজমা সংক্রান্ত আদালতের বিষয়। মালিকপক্ষ আদালতে স্বপক্ষে প্রমাণ উপস্থাপন করে ফয়সালা করবেন। বিএনপির কোনো নেতাকর্মী জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হাওলাদার বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

গভীর সমুদ্রে নিখোঁজ জেলের মরদেহ উদ্ধার কুয়াকাটায় তিস্তার ৩০ পয়েন্টে তীব্র ভাঙন, বিলীন হচ্ছে ভিটেমাটি ফসলি জমি রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এক প্রবাসীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছ, মহিপুরে সংবাদ সম্মেলন গাজীপুরে ডিবি পুলিশের অভিযানে ১২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার, উদ্ধার কাভার্ড ভ্যান ভ্যান হারিয়ে দিশেহারা ভ্যানচালক মোরশেদ, ভাঙা ঘরে পরিবার নিয়ে কাটাচ্ছে মানবেতর জীবন