খুঁজুন
শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২০ ভাদ্র, ১৪৩৩

কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন

গাজীপুর থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১০:২৪ অপরাহ্ণ
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে কালীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের শ্রদ্ধা নিবেদন

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ :  ১৪ ডিসেম্বর ‘‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস” উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কালীগঞ্জে শহীদদের স্মরণে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয় ও তাদের আত্বার মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে (১৪ ডিসেম্বর) শনিবার সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে শহীদ মিনারে উপজেলা প্রশাসন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে উপজেলা সম্মেলন কক্ষে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) নূরী তাসমিন ঊর্মির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তনিমা আফ্রাদ। এসময় অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আলাউদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ এস এম মনজুর এ- এলাহী, প্রানীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ ইউসুফ হাবিব, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা তাসলিম, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নুর-ই-জান্নাত, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা শাহানাজ আক্তার, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন ভূইয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তর প্রধানগণ ও সাংবাদিকসহ প্রমুখ। পরে শহীদের আত্মর মাগফেরাত কামনায় দোয়া করা হয়।
একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময়জুড়ে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে পাকিস্তানী বাহিনী। ডিসেম্বরের মধ্যভাগে মুক্তিযুদ্ধের বিজয় যখন নিশ্চিত ঠিক তখনই রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করে বাংলাদেশের প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীদের। উদ্দেশ্য ছিল দেশকে পঙ্গু করে দেওয়া। ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,চিকিৎসক,শিল্পী, লেখক,সাংবাদিকসহ বহু খ্যাতিমান বাঙালিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে। স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

01553354284
কালীগঞ্জ,গাজীপুর
১৪/১২/২৪ইং

রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৫ অপরাহ্ণ
রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার ছালাপাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগে স্থানীয়দের বিক্ষোভ ও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করার ঘটনার পর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১ আগস্ট পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীর সঙ্গে সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলাম যৌন হয়রানিমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরে ছাত্রীর অভিভাবক বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগমকে জানান। অভিযোগ পাওয়ার পরও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এরই জেরে ২ সেপ্টেম্বর স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। খবর পেয়ে গঙ্গাচড়া মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাও ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও অবরুদ্ধ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

স্থানীয় বাসিন্দা রনি বলেন, শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শিক্ষা বিভাগের অন্যতম দায়িত্ব। কোনো শিক্ষক শিক্ষার্থীর সঙ্গে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ করলে তা মেনে নেওয়া যায় না।

লিমন বলেন, শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছে অভিভাবকের মতো। তাঁদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিষয়টি ধামাচাপা না দিয়ে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

স্থানীয় মাহাতাব বলেন, আগেও একই ধরনের অভিযোগ থেকে থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা উচিত। শুধু এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলি করে দিলে সমস্যার সমাধান হয় না।

অভিযোগের বিষয়টি গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, রংপুরকে জানান। পরে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, রংপুরের ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ছালাপাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বিরুদ্ধে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে ‘ইধফ ঃড়ঁপয’ করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনসাধারণ বিক্ষুব্ধ হয়ে সংশ্লিষ্টদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৯(১) ধারা অনুযায়ী মো. রেয়াজুল ইসলামকে ২ সেপ্টেম্বর থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা প্রাপ্য হবেন।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মো. রেয়াজুল ইসলামের বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রধান শিক্ষক মাহমুদা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি আজ বসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক ছুটি নিয়ে চলে গেছেন। পরে স্থানীয়রা আমাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন এবং গালিগালাজ করেন।

গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শায়লা জেসমিন সাঈদ বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে গেলে আমাদেরও অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানানো হয়। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের পর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে সাময়িক বরখাস্তের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক

 

পটুয়াখাটির কুয়াকাটায় পল্লী বিদ্যুতের বিল নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। পরিশোধিত বিল পরবর্তী মাসে পুনরায় যুক্ত হওয়া, মিটার না দেখে অনুমাননির্ভর বিল তৈরি, বিল পৌঁছাতে দেরি এবং ভুল বিল সংশোধনে অফিসে একাধিকবার দৌড়ঝাঁপের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, জুলাই মাসের বিল পরিশোধ করার পরও আগস্টের বিলে অনেকের আগের বিলের টাকা পুনরায় যুক্ত হয়েছে। এতে কারও কারও বিল স্বাভাবিকের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে অফিসে যোগাযোগ করে বিল সংশোধন করতে হচ্ছে।
আলীপুরের ব্যবসায়ী মো. আবুল কালামের আগস্টের বিল এসেছে ২ হাজার ৭৮৬ টাকা, যদিও তাঁর দাবি প্রকৃত বিল ১ হাজার ৩৬১ টাকা। একইভাবে মিজানুর রহমানের বিল এসেছে ১ হাজার ৬৪০ টাকা, সংশোধিত হিসাবে যা হওয়ার কথা ১ হাজার ২০৬ টাকা।
এছাড়া শত শত গ্রাহকের বিলেও অতিরিক্ত অর্থ যুক্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। মিটার না দেখে রিডিং দেওয়ার অভিযোগও করেছেন কেউ কেউ। পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের শেষ দিনে বিল পৌঁছানোয় বিলম্ব মাশুল দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
গ্রাহকদের অভিযোগ, সমস্যা সমাধানে অফিসে গেলে এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে ঘুরতে হয়। এতে সময় ও অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন তারা।
এদিকে নতুন সংযোগ ও মিটার স্থাপন নিয়েও স্থানীয়দের নানা অভিযোগ রয়েছে।

শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৮ অপরাহ্ণ
শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু

 

সকালটা অন্য দিনের মতোই শুরু হয়েছিল। জীবিকার তাগিদে টমটম নিয়ে সড়কে বেরিয়েছিলেন আব্দুল মান্নান। কিন্তু কয়েক মুহূর্তের একটি দুর্ঘটনা কেড়ে নিল তার প্রাণ। বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের পেছন থেকে দেওয়া সজোরে ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পর মারা যান তিনি।

বৃহস্পতিবার সকালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ঢাকা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের সুরমাভ্যালী এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আব্দুল মান্নান উপজেলার গাজীপুর আটঘর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বালুবাহী একটি ড্রাম ট্রাক দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় সামনে থাকা টমটমটিকে পেছন থেকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে টমটমটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি চালক আব্দুল মান্নান ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনায় তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং অপর পা মারাত্মকভাবে জখম হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা আহত মান্নানকে উদ্ধার করেন। পরে তাকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ড্রাম ট্রাকের চালক জোনায়েদ ও হেলপার রানা মিয়াকে আটক করেছে সাতগাঁও হাইওয়ে থানা পুলিশ।

সাতগাঁও হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান বলেন, দুর্ঘটনার ঘটনায় ড্রাম ট্রাকের চালক ও হেলপারকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

রংপুরে স্কুল ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত কুয়াকাটা পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিলে নাজেহাল গ্রাহক শ্রীমঙ্গলে বালুবাহী ড্রাম ট্রাকের চাপায় টমটম চালকের মৃত্যু ঠাকুরগাঁওয়ে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভিওডি বাংলার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন কালীগঞ্জে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উৎযাপন