খুঁজুন
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১ বৈশাখ, ১৪৩৩

নওগাঁর ধামইরহাটে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক

ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
নওগাঁর ধামইরহাটে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক

ধামইরহাট নওগাঁ প্রতিনিধি: নওগাঁর ধামইরহাটে বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) উপজেলার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন নওগাঁ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো. আব্দুল আউয়াল । বিকেল সাড়ে পাঁচটা থেকে শুরু হওয়া এ পরিদর্শনে তিনি তিনটি মণ্ডপ ঘুরে দেখেন।

এসময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সোহেল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সৈকত ইসলাম, ধামইরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসমা খাতুন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সরদার এবং তথ্য সেবা কর্মকর্তা ইসতিকা আফরিনসহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তা ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ।

প্রথমে জেলা প্রশাসক ধামইরহাট পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ধামইরহাট বাজার শিব মন্দির পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে তিনি বারোয়ারী দূর্গা মন্দির এবং টি এন্ড টি সার্বজনীন দুর্গা মন্দির পরিদর্শন করেন। প্রতিটি মণ্ডপে উপস্থিত পূজা উদযাপন কমিটির সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের কাছ থেকে পূজার আয়োজন ও নিরাপত্তা বিষয়ে খোঁজখবর নেন। তিনি পূজার আয়োজন সম্পর্কে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, “সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের জন্য নওগাঁ জেলা প্রশাসন সব ধরনের সহযোগিতা করছে। মণ্ডপগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যাতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় থাকে এবং সকলে উৎসবটি নির্বিঘ্নে উদযাপন করতে পারেন।”

জেলা প্রশাসকের এ পরিদর্শনকে ঘিরে স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দের ছোঁয়া দেখা যায়। মণ্ডপগুলোতে তার উপস্থিতি দেখে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা জানান, জেলা প্রশাসকের এই পরিদর্শন তাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পূজা উদযাপনে তাদের আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় করেছে।

পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা জেলা প্রশাসনের এমন আন্তরিকতা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তারা বলেন, “জেলা প্রশাসকের উপস্থিতি আমাদের মনোবল বাড়িয়ে দিয়েছে এবং আমরা আশাবাদী যে এবারের পূজা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হবে।”

ধামইরহাটের প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে জেলা প্রশাসকের পরিদর্শনের মাধ্যমে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেছেন।

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর।
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৫ অপরাহ্ণ
যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড়

 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ফুয়েল কার্ডের ছবির সঙ্গে চেহারার মিল না থাকায় এক মোটর সাইকেল গ্যারেজ কর্মচারীকে চপেটাঘাত করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহানের বিরুদ্ধে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের চাপারহাট বাজারের ‘লুবানা ফিলিং স্টেশনে’ এ ঘটনা ঘটে। এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলাজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চাপারহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক গোলক চন্দ্র অসুস্থ থাকায় তার মোটরসাইকেলে তেল নিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। পরে তিনি গ্যারেজ মালিক প্রদীপের সহায়তা চাইলে, প্রদীপ তার কর্মচারী নদীকে (১৮) ফুয়েল কার্ডসহ তেল নেওয়ার জন্য লাইনে পাঠান। নদী যখন লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন, তখন সেখানে তদারকিতে থাকা কালীগঞ্জ ইউএনও শামীমা আক্তার জাহান তার হাতের কার্ডটি পরীক্ষা করেন। কার্ডের ছবির সঙ্গে নদীর চেহারার মিল না থাকায় কোনো কিছু জিজ্ঞাসা না করেই ইউএনও তাকে চপেটাঘাত করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এ ঘটনায় উপস্থিত স্থানীয় জনতা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের তোপের মুখে ইউএনও বিষয়টি পুনরায় খতিয়ে দেখেন। পরবর্তীতে অসুস্থ কলেজ শিক্ষকের মোটরসাইকেল ও ফুয়েল কার্ডের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রায় ঘণ্টাখানেক পর ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযোগকারী নদী বলেন, “আমি গ্যারেজ মেকানিক। মালিকের কথায় অসুস্থ এক শিক্ষকের কার্ড ও টাকা নিয়ে তেল নিতে লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। ইউএনও কার্ড চেক করার সময় কোনো কথা না বলেই আমাকে কয়েকটি থাপ্পড় মারেন। আমি কোনো অন্যায় করিনি, বিনা অপরাধে আমাকে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা আক্তার জাহান চপেটাঘাতের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, “আমি শুধু তার গাড়ির চাবি নিয়েছিলাম, গায়ে হাত তুলিনি। সম্ভবত তার কাছে সঠিক কার্ড ছিল না। নিয়ম না মেনে লাইনে দাঁড়ানোর কারণে চাবি নিয়ে পরে অফিসে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। পরবর্তীতে তার অভিভাবকরা এলে চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:৪৪ পূর্বাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

Oplus_131072

জুবায়ের আহমেদ রাসেল : শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা

নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ন্যাশনাল পেট্রোল পাম্পে তেল পাচারের গুঞ্জনের সংবাদ প্রচারের জন্য গেলে সেখানে তাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করা করে স্থানীয় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী, ভাংচুর করা হয় মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ৪০ হাজারের অধিক টাকা। এই ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক। উপজেলার এই সিনিয়র সাংবাদিকের গায়ে হামলার প্রতিবাদে ফুসে ওঠে ধামইরহাটের সাংবাদিক সমাজ, তীব্র প্রতিবাদে সরগড়ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।

জানা গেছে, ধামইরহাট পুর্ব বাজারে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম এন্ড ফিলিং স্টেশনে তেলবাহী লড়িতে পাম্প মালিক কর্তৃক কিছু তেল রেখেই তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন খবরের গুঞ্জনে ও স্থানীয়দের আহবানে ২২ এপ্রিল সকাল ৮ টায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান দৈনিক ভোরের দর্পন ও সকালের সময়ের ধামইরহাট প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক। সেখানে স্থানীয়দের বক্তব্য প্রচার করছিলেন তিনি। এ সময় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী বড় চকগোপাল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু সুফিয়ান পান্না সাংবাদিক এম এ মালেকের উপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকে, এক পর্যায়ে হামলাকারি পান্নার নেতৃত্বে আরও ৮/৯ জন তাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয় ও তার কাছে থাকা প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এম এ মালেক বাদী হয়ে  ধামইরহাট থানায়  এজাহার দায়ের করেন।

ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।

যুবককে থাপ্পর দিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিন্দার ঝড় শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ধামইরহাটে প্রেস ক্লাবের সভাপতি মালেকের উপর হামলা নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা