খুঁজুন
রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ২২ ভাদ্র, ১৪৩৩

রূপসায় বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

শেখ শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ, খুলনা থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
রূপসায় বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

শহিদুল্লাহ আল আজাদ. খুলনা থেকে : খুলনা জেলায় রূপসা বাগমারা বাজার বণিক সমিতি নিয়ে অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ এবং ফুটপথের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় পূর্ব রূপসাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বণিক সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা আলহাজ্ব আরাফাত হোসাইন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হোসাইন, সহ-সভাপতি হাসানাত, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, প্রচার সম্পাদক মোঃ হাসান শেখসহ সাধারণ সদস্যবৃন্দ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পূর্ব রূপসায় একই স্থানে সামন্য দূরত্বে দু’টি বাজার রয়েছে। এর একটি হলো পূর্ব রূপসা বাজার ও অপরটি হলো বাগমারা বাজার। এই দু’টি বাজারের রেজিস্ট্রেশনও আলাদা আলাদা। পূর্ব রূপসা বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য আলাদা স্থান ও মাছের চান্দি (মাছ বিক্রির স্থান) থাকলেও বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ীদের তেমন আলাদা জায়গা ও মাছের চান্দি নেই। বাগমারা বাজারটির মূল অংশ বা সীমানা হলো খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সমিল থেকে পেট্রোল পাম্প এবং ব্যাংকের মোড় হতে রূপসা-বাগেরহাট পুরাতন সড়কের সংযোগ সড়কের বাগমারা দারুস সালাম জামে সমজিদ মার্কেট পর্যন্ত। ব্যংকের মোড় হতে বাগমারা দারুস সালাম জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ফুটপাতে বেশ কিছু ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা করে আসছে। এদের মধ্যে মাছ ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী রয়েছেন।
সম্প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ ও উপজেলা প্রশাসন আমাদের বাজার তদারকি করতে এসে ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার আলোকে আমরা বাজার বণিক সমিতির নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ কয়েকদিনের সময় নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান ঘর নিয়ে যারা ব্যবসা করেন তারা তাদের দখলে থাকা ফুটপাত ছেড়ে দিলেও ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা পড়েন মারাত্মক বিপাকে। এমতাবস্থায় আমরা সবার সাথে পরামর্শ করে ব্যাংকের মোড়ে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশের ৫০ ফুট জায়গার ১০ ফিট ফুটপথ রেখে বাকী স্থানে বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত তাদের অস্থায়ীভিত্তিতে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ব্যবসা করার পরিবেশ সৃষ্টি করি। এরপর থেকে ওই সব ফুটপথের মাছ ও কাঁচা তরিতরকারি বিক্রেতারা কোন প্রকার ভাড়া প্রদান ছাড়া খুব আনন্দের সাথে ব্যবসা করছেন। এতে বাজার সড়কটি যানজট মুক্ত হয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে ফুটপথের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের এই বিষয়টি মানতে পারছেনা বাজারের কয়েকজন ঘর মালিকসহ কতিপয় ব্যক্তি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রকার অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে ফুটপথের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে বাগমারা বাজারের কতিপয় দোকান ঘর মালিক ও পূর্ব রূপসা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রকার অপপ্রচার করে আমাদের কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করে চলেছেন। ব্যবসায়ীদের পক্ষে ৪ জন অভিযোগকারী হলেন পূর্ব রূপসা বাজার বণিক সমিতির সদস্য মীর ফিরোজ, খায়রুল আলম খোকন এবং বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সদস্য ইশারাত শেখ ও মহসিন শেখ।
এই চার জনের মধ্যে মীর ফিরোজ ও খায়রুল আলম খোকন হলেন পূর্ব রূপসা বাজার বণিক সমিতির সদস্য। আমাদের বণিক সমিতি কিভাবে চলবে বা সমিতিভুক্ত ব্যবসায়ীদের কিভাবে পুনর্বাসিত করা হবে তা একান্ত নির্বাচিত কমিটির ব্যাপার। এখানে তাদের মাথা ব্যাথার কোন কারণ নেই। অপর দু’জন হলেন আমাদের বাজারের ইশারাত শেখ ও মহসিন শেখ। এই দু’জনের মধ্যে ইশারাত হোসেন আমাদের বণিক সমিতির সদস্য হলেও তার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই। তিনি একজন দোকান ঘর মালিক। অপরজন মহসিন শেখ বাজারের নতুন ব্যবসায়ী ও দোকানঘর মালিক। যিনি এখনো আমাদের বণিক সমিতির সদস্যপদ লাভ করেননি। প্রেস ব্রিফিংয়ে অপপ্রচারকারীদের মিথ্যাচারে লিপ্ত না হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সাংবাদিকদের সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক সঠিক তথ্য জনসম্মুখ্যে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩১ অপরাহ্ণ
কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে মাতোয়ারা বেগমকে সভাপতি এবং সোনিয়া বেগমকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে।

কমিটি গঠন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুয়াকাটা পৌর মহিলা দলের সভাপতি হামিদা বেগম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল আজিজ মুসল্লী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান হাওলাদার। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামীসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দলীয় কর্মকাণ্ডকে আরও সুসংগঠিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নবনির্বাচিত সভাপতি মাতোয়ারা বেগম ও সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, আগামী দিনে ওয়ার্ড পর্যায়ে মহিলা দলের কার্যক্রম আরও শক্তিশালী ও সক্রিয়ভাবে পরিচালনা করা হবে।

কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৪৬ অপরাহ্ণ
কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা

মুঃ সোহরাব আলী সরকার, কালীগঞ্জ (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা ( ফ্যামেলী প্লানিং ) সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের সংকট দেখা দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা। সেবা নিতে আসা প্রত্যন্ত এলাকার নিম্ন আয়ের মানুষসহ অনেকেই কাঙ্খিত পরিবার পরিকল্পনা (ফ্যামেলী প্লানিং) সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সরঞ্জামের সংকটে প্রয়োজনীয় উপকরণ না পেয়ে তারা বেসরকারি ক্লিনিক কিংবা ফার্মেসির ওপর নির্ভর করতে বাধ্য হচ্ছেন।
স্থানীয় সেবা প্রার্থীদের অভিযোগ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন ধরনের সেবা নিতে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে অনেকে প্রয়োজনীয় সামগ্রী না পাওয়ায় তাদের ফিরে যেতে হচ্ছে। বিশেষ করে দরিদ্র ও নি¤œআয়ের মানুষের জন্য সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রের এসব সেবা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরঞ্জাম সংকট তাদের দুর্ভোগ আরোও বাড়িয়ে দিয়েছে।
সেবা প্রার্থী উত্তর সোম এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, সরকারী হাসপাতালে নিজ পরিবারের জন্য কম খরচে পরিবার পরিকল্পনা সেবা পাওয়ার আশায় এখানে আসি। কিন্তু বিনা মূল্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম বা উপকরণ না থাকায় গত তিন মাস যাবৎ কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না। ফলে সময় ও অর্থ দুটোই ব্যয় হচ্ছে।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পরিবার পরিকল্পনা সেবা মানুষের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পরিবার পরিকল্পনা সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও উপকরণের পর্যাপ্ত মজুত থাকা জরুরী। সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি থাকলে মাঠ পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমও ব্যাহত হবে। যদি দীর্ঘ সময় এমন পরিস্থিতি হয় তাহলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবণতা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সরঞ্জাম সংকটের প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে মজুত পর্যালোচনা ও সেবা কার্যক্রম তদারকির মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা ও ভোগান্তি কমানোর দাবি জানান তারা।
উল্লেখ যে, চলতি বছরে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্য মন্ত্রী। এসময় কয়েকজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পায় এবং স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন ত্রুটি ও অনিয়মও মন্ত্রীর নজরে আসে।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক হোসনেয়ারা বেগম সরঞ্জাম সংকটের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, গত ২/৩ মাস যাবৎ সকল প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণ সরঞ্জাম মহিলাদের জন্য পিল, পূরুষদের কনডমসহ ইমপ্ল্যান্ট ও আইইউডি কার্যক্রমের সংকট বিদ্যমান।
উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোছাঃ নাহিদা খাতুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেনি। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে একটি ক্ষুদেবার্তা পাঠিয়েও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায় নি।
গাজীপুর জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপ পরিচালক আবু তাহের মো. সানাউল্লাহ নূরী মুঠোফোনে প্রতিবেদককে বলেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয় থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় এরকম জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। আগামী অক্টোবরে অর্থ বরাদ্দ দেয়ার কথা রয়েছে। অর্থ বরাদ্দ দিলে প্রযোজনীয় সরঞ্জামাদী সরবরাহ করা হবে।
সেবা প্রত্যাশীদের প্রশ্ন, সরকারী স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম থাকবে না কেন? সরঞ্জামাদী নিয়মিত সরবরাহ ও মজুত ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি থাকলে এর দায়ভার কে নেবে? শুধু কাগজে-কলমে নয় পরিবার পরিকল্পনা সেবার প্রয়োজনীয় সকল উপকরণ নিশ্চিত করে বাস্তবে সেবা পৌঁছে দেওয়া হোক।

পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

প্রকাশিত: শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩২ অপরাহ্ণ
পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা

নওগাঁর মান্দা উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের প্রায় ১০০ বিঘা পতিত জমিতে মাছ চাষ করে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করছেন ছাইদুর রহমান মোল্লা।

নিচু জমি হওয়ায় বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এসব জমি। ধান কাটার পর জমিগুলো অনাবাদি পড়ে থাকলেও সেই জমিতেই মাছ চাষ করে সাফল্য দেখিয়েছেন তিনি।

মাছ চাষের পাশাপাশি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ছাইদুর রহমান মোল্লা ইটভাটার ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত। বছরের ছয় মাস ইটভাটার ব্যবসা এবং বাকি ছয় মাস মাছ চাষ করে ব্যস্ত সময় কাটে তাঁর। মাছ চাষে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবার জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাঁকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আন্দারিয়াপাড়া গ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকার জমিগুলো নিচু হওয়ায় বৈশাখ মাসে ধান কাটার পর বর্ষার পানি জমে যায়। ফলে এসব জমিতে বছরের অধিকাংশ সময় আর কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব হতো না। দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এসব অনাবাদি জমিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেন ছাইদুর রহমান মোল্লা। পর্যায়ক্রমে প্রায় ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ শুরু করেন তিনি।

বর্তমানে এসব জলাবদ্ধ ও নিচু জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করা হচ্ছে। মাছ বিক্রি করে প্রতিবছর ভালো আয় হচ্ছে তাঁর। সব খরচ বাদ দিয়ে বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা লাভ করেন বলে জানান ছাইদুর রহমান মোল্লা।

ছাইদুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘যেসব জমি বছরের অধিকাংশ সময় পানিতে ডুবে থাকত এবং কোনো কাজে আসত না, সেসব জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে ভালো ফল পেয়েছি। ইটভাটার ব্যবসা ছয় মাস করি, আর ছয় মাস মাছ চাষের পেছনে সময় দিই। মাছ চাষে লাভের পাশাপাশি অনেক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে সফল মৎস্য চাষির পুরস্কার পাওয়ায় আমি আরও উৎসাহিত হয়েছি। আমার এই উদ্যোগ দেখে এলাকার অনেক তরুণ মাছ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।’
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, একসময় বছরের পর বছর পড়ে থাকা এসব নিচু জমি এখন মাছের খামারে পরিণত হয়েছে। ছাইদুর রহমানের সাফল্য দেখে এলাকার তরুণদের মধ্যেও মাছ চাষে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। অনেকেই তাঁর কাছ থেকে মাছ চাষের পদ্ধতি ও খরচ-লাভের হিসাব সম্পর্কে পরামর্শ নিচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা দীপঙ্কর পাল বলেন এ ধরনের অনাবাদি ও জলাবদ্ধ জমিকে মাছ চাষের আওতায় এনে আরও বেশি কর্মসংস্থান ও আয় সৃষ্টি করা সম্ভব, ছাইদুর রহমান মোল্লার উদ্যোগটি শুধু একজন উদ্যোক্তার সাফল্য নয়, বছরের অধিকাংশ সময় অনাবাদি পড়ে থাকা নিচু জমিকে কীভাবে অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায়—তারও একটি দৃষ্টান্ত।

তাঁর সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে স্থানীয় তরুণরা মাছ চাষে এগিয়ে এলে এলাকার অর্থনীতিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।

কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে মহিলা দলের কমিটি গঠন। সভাপতি মাতোয়ারা, সাধারণ সম্পাদক সোনিয়া বেগম কালীগঞ্জে পরিবার পরিকল্পনা সেবায় সংকট, প্রশ্নের মুখে সরবরাহ ব্যবস্থা পতিত ১০০ বিঘা জমিতে মাছ চাষ, বছরে লাভ ৫০ লাখ টাকা মান্দায় আন্তঃক্লাব ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনাল জোকাহাট ফুটবল একাদশ চ্যাম্পিয়ন সাপাহারে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা