খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

রূপসায় বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

শেখ শহিদুল্লাহ্ আল আজাদ, খুলনা থেকে :
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:৩০ অপরাহ্ণ
রূপসায় বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সার্বিক বিষয় নিয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

শহিদুল্লাহ আল আজাদ. খুলনা থেকে : খুলনা জেলায় রূপসা বাগমারা বাজার বণিক সমিতি নিয়ে অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ এবং ফুটপথের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসন সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিং ২৮ সেপ্টেম্বর বেলা সাড়ে ১১টায় পূর্ব রূপসাস্থ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বণিক সমিতির সভাপতি হাফেজ মাওলানা আলহাজ্ব আরাফাত হোসাইন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজমুল হোসাইন, সহ-সভাপতি হাসানাত, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রাজু, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আব্দুল জব্বার, প্রচার সম্পাদক মোঃ হাসান শেখসহ সাধারণ সদস্যবৃন্দ।
প্রেস ব্রিফিংয়ে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, পূর্ব রূপসায় একই স্থানে সামন্য দূরত্বে দু’টি বাজার রয়েছে। এর একটি হলো পূর্ব রূপসা বাজার ও অপরটি হলো বাগমারা বাজার। এই দু’টি বাজারের রেজিস্ট্রেশনও আলাদা আলাদা। পূর্ব রূপসা বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য আলাদা স্থান ও মাছের চান্দি (মাছ বিক্রির স্থান) থাকলেও বাগমারা বাজারের ব্যবসায়ীদের তেমন আলাদা জায়গা ও মাছের চান্দি নেই। বাগমারা বাজারটির মূল অংশ বা সীমানা হলো খুলনা-মোংলা মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন সমিল থেকে পেট্রোল পাম্প এবং ব্যাংকের মোড় হতে রূপসা-বাগেরহাট পুরাতন সড়কের সংযোগ সড়কের বাগমারা দারুস সালাম জামে সমজিদ মার্কেট পর্যন্ত। ব্যংকের মোড় হতে বাগমারা দারুস সালাম জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কের দুইপাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ফুটপাতে বেশ কিছু ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ী দীর্ঘ দিন ধরে ব্যবসা করে আসছে। এদের মধ্যে মাছ ও কাঁচামাল ব্যবসায়ী রয়েছেন।
সম্প্রতি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ ও উপজেলা প্রশাসন আমাদের বাজার তদারকি করতে এসে ফুটপাত দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশনার আলোকে আমরা বাজার বণিক সমিতির নির্বাচিত নেতৃবৃন্দ কয়েকদিনের সময় নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দোকান ঘর নিয়ে যারা ব্যবসা করেন তারা তাদের দখলে থাকা ফুটপাত ছেড়ে দিলেও ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা পড়েন মারাত্মক বিপাকে। এমতাবস্থায় আমরা সবার সাথে পরামর্শ করে ব্যাংকের মোড়ে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পাশের ৫০ ফুট জায়গার ১০ ফিট ফুটপথ রেখে বাকী স্থানে বিকেল ৪টা থেকে রাত পর্যন্ত তাদের অস্থায়ীভিত্তিতে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ব্যবসা করার পরিবেশ সৃষ্টি করি। এরপর থেকে ওই সব ফুটপথের মাছ ও কাঁচা তরিতরকারি বিক্রেতারা কোন প্রকার ভাড়া প্রদান ছাড়া খুব আনন্দের সাথে ব্যবসা করছেন। এতে বাজার সড়কটি যানজট মুক্ত হয়ে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে ফুটপথের ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের এই বিষয়টি মানতে পারছেনা বাজারের কয়েকজন ঘর মালিকসহ কতিপয় ব্যক্তি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রকার অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন। যাদের বিরুদ্ধে ফুটপথের ব্যবসায়ীদের নিকট থেকে ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে বাগমারা বাজারের কতিপয় দোকান ঘর মালিক ও পূর্ব রূপসা বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে আমাদের বিরুদ্ধে নানা প্রকার অপপ্রচার করে আমাদের কর্মকান্ড প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন স্থানে অভিযোগ করে চলেছেন। ব্যবসায়ীদের পক্ষে ৪ জন অভিযোগকারী হলেন পূর্ব রূপসা বাজার বণিক সমিতির সদস্য মীর ফিরোজ, খায়রুল আলম খোকন এবং বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সদস্য ইশারাত শেখ ও মহসিন শেখ।
এই চার জনের মধ্যে মীর ফিরোজ ও খায়রুল আলম খোকন হলেন পূর্ব রূপসা বাজার বণিক সমিতির সদস্য। আমাদের বণিক সমিতি কিভাবে চলবে বা সমিতিভুক্ত ব্যবসায়ীদের কিভাবে পুনর্বাসিত করা হবে তা একান্ত নির্বাচিত কমিটির ব্যাপার। এখানে তাদের মাথা ব্যাথার কোন কারণ নেই। অপর দু’জন হলেন আমাদের বাজারের ইশারাত শেখ ও মহসিন শেখ। এই দু’জনের মধ্যে ইশারাত হোসেন আমাদের বণিক সমিতির সদস্য হলেও তার কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নেই। তিনি একজন দোকান ঘর মালিক। অপরজন মহসিন শেখ বাজারের নতুন ব্যবসায়ী ও দোকানঘর মালিক। যিনি এখনো আমাদের বণিক সমিতির সদস্যপদ লাভ করেননি। প্রেস ব্রিফিংয়ে অপপ্রচারকারীদের মিথ্যাচারে লিপ্ত না হওয়ার আহ্বান জানানোর পাশাপাশি সাংবাদিকদের সরেজমিন পরিদর্শনপূর্বক সঠিক তথ্য জনসম্মুখ্যে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

 

​মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে কুমার নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুজন হোসেন এর বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ায় মোঃ সুজন হোসেন এর পৈত্রিক ভিটা ও বসতঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় আসবাবপত্রসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

​ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ সুজন হোসেন জানান ​”চোখের সামনেই নিজের ভিটেমাটি নদীতে চলে যেতে দেখলাম, কিছুই করার ছিল না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, তা জানি না। সব হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।”

​শুধু মোঃ সুজন হোসেন নন, ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকার আরও বহু পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ার আরও অনেক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি কুমার নদে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
​প্রশাসনের ভূমিকা
​এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণ নয় বরং স্থায়ী সমাধান হিসেবে নদী শাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
​সব হারিয়ে মোঃ সুজন হোসেন এই চরম দুর্দশা নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে একই পরিবারের চারজনকে গলা কেটে হত্যা, চারজন পুলিশ হেফাজতে