বিদ্যুৎ যেন সোনার হরিণ কখন আসে কখন যায় বলা মুশকিল

মুঃ সোহরাব আলী সরকার কালীগঞ্জ গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
প্রকাশের সময়: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬ । ৯:৪১ অপরাহ্ণ

 

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে সাধারন মানুষের জীবন  অতিষ্ঠ । প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক ৫০ % বিদ্যুৎ সরবরাহ  থাকায় রাতে দিনে আট থেকে দশবার লোডশেডিং হওয়ায় সাধারন মানুষের জীবনে দুর্ভোগ চড়মে । এতে েবশী ভোগান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থী, ও কর্মজীবি মানুষ। সাধারন মানুষ স্বস্তির খোঁজে গাছের ছায়া ও শরবতের দোকানে ভীড় করতে দেখা যায়।
এলাকার লোকজনদের ভাষ্যমতে দিনের পাশাপাশি  রাতের বেলায় দীর্ঘসময় বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হচ্ছে এবং নাঘুমিয়ে  রাত পার কারতে হচ্ছে। সামনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাময়িক পরিক্ষা থাকায় পরিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। তীব্র গরমের কিছুক্ষণ পর পর বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় মনযোগ দিতে পড়েছে না।বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলেন, সন্ধায় পড়তে বসলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। সামনে পরিক্ষা থাকলেও নিয়মিত পড়াশোনা করা সম্ভব হয় না। তীব্র গরমে অবস্থা আরোও জটিল হয়ে উঠেছে।
শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণ জানান, দিনে রাতে ১২ থেকে ১৪ ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকেনা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারনে শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেনা। এতে ব্যাহত হচ্ছে পরিক্ষার প্রস্তুতি। দ্রুত বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমস্যার সমাধান করার জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও গাজীপুর-৫ আসনের সাংসদ এ.কে.এম ফজলুল হক মিলনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন তারা। এদিকে চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ চলাকালে বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় খেলা প্রেমিদের মাঝেও হতাশা লক্ষ করা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়,অসহনীয় গরমের মাঝে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডায়রিয়া, জ্বর ও অন্যান্য উপসর্গের রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের কারনে ভর্তি রোগীদের শারিরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। প্রচন্ড গরমে হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলোতে রোগীরা অস্বস্তিতে সময় কাটাচ্ছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রাহক বলেন, লোডশেডিং এর ব্যপারে জানতে পল্লী বিদ্যুতের কন্ট্রোল রুমে ফোন কখনোই পাওয়া যায় না। আর ডিজিএমকে ফোন করলে বলে আমাকে ফোন দিয়েছেন কেন? এ ব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। এজিএমকে ফোন করেন। তিনি আসলে একজন ব্যর্থ ডিজিএম।
জানতে চাইলে গাজীপুর পল্লী বিদ্যুৎ কালীগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম (উপ-মহাব্যবস্থাপক) আক্তার হোসেন মুঠোফোনে প্রতিনিধিকে বলেন, উপজেলায় ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুদের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু জাতীয় গ্রীড থেকে সরবরাহ পাওয়া যায় মোট চাহিদার ৫০%, ফলে লোডশেডিং করাতে হচ্ছে। তিনি লোডশেডিং এর বিষয়টি মন্ত্রী-এমপিকে জানাতে বলেন।

সম্পাদক ও প্রকাশক : শাহ্ বোরহান মেহেদী, নির্বাহী সম্পাদক : গোলাম রাব্বানী অফিস: মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ই-মেইল : pannewsbdbm@gmail.com, bmbmmehedi77777@gmail.com মোবাইল: 01715410468, 01865610720.

প্রিন্ট করুন