শেরপুর জেলায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ, সঠিক মজুদ নিশ্চিত এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে মাঠে নেমেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২৩ মার্চ) জেলার সদর, নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে একযোগে তদারকি ও অভিযান পরিচালনা করা হয়। শেরপুর সদরে তদারকি ও জরিমানা শেরপুর সদর উপজেলায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম)-এর নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ শহরের সকল ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের মজুদ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পরিদর্শন করেন।
এ সময় মজুদ সংক্রান্ত অনিয়ম পাওয়ায় একটি ফিলিং স্টেশনকে ২৫,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে শহরের গুরুত্বপূর্ণ বাবর ফিলিং স্টেশন ও মমিনবাগ ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি বিতরণ কার্যক্রম পুনরায় চালু করা হয়েছে। এতে করে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। নকলা ও নালিতাবাড়ীতে তদারকি নকলা উপজেলায় ‘দেশ ফিলিং স্টেশনে’ বিশেষ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।
এ সময় পাম্পের মজুদ যাচাই এবং বিক্রয় প্রক্রিয়ায় কোনো কারচুপি আছে কিনা তা সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা হয়। অন্যদিকে, নালিতাবাড়ী উপজেলায় বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করে প্রশাসন। অভিযানের সময় মজুদ ও বিতরণ ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশাসন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জ্বালানি তেল নিয়ে যেকোনো অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে।
প্রশাসনের বক্তব্য জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি তেলের সুষ্ঠু সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে জেলা প্রশাসনের এই তদারকি কার্যক্রম নিয়মিত বিরতিতে অব্যাহত থাকবে। কোনো পাম্পে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জুবায়ের আহমেদ রাসেল :
প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬ । ১০:০১ পূর্বাহ্ণ