রবিবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

নারীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে ওসি-এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা।

নারীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগে ওসি-এসআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা।

 

কুপ্রস্তাবের অভিযোগে কুমিল্লা জেলার মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমির উদ্দিন (৫০) ও (এস আই) মোশাররফ হোসেন (৪০) এর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ভুক্তভোগী নারী। গতকাল (৪ সেপ্টেম্বর) রবিবার কুমিল্লা জেলা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এ মামলাটি দায়ের করেন ওই নারী। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে মোয়াজ্জেম হোসেন সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, মেঘনা থানার শিকিরগাঁও এলাকার প্রবাসীর স্ত্রী রুমানা রহমান জয়া (২৬) তাদের পারিবারিক ও আত্মীয়স্বজনের জায়গা জমির বিরোধ নিয়ে মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে বেশ কয়েকবার থানায় আসা-যাওয়া করে। তাই ওসি ছমির এবং এসআই মোশাররফ তাকে প্রায়ই ফোন করতো। একপর্যায়ে ওসি ছমির তাকে মেঘনা রিসোর্টে সময় কাটাতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। এবং এসআই প্রায়ই ফোন করে তাকে অশোভন প্রস্তাব দিতো। তারা রুমানার নম্বরে এবং হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দিতো। গত (২৬ আগষ্ট) শুক্রবার এক ঘটনাক্রমে রুমানার বোনের জামাইকে গ্রেফতার করতে যায় ওসি ছমির ও এসআই মোশাররফ। সেদিন রুমানা মামলার ওয়ারেন্ট চাওয়াতে এসআই মোশাররফ রুমানাকে টেনেহিঁচড়ে থানায় নিয়ে আসেন। পরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে এসআই মোশাররফ পুলিশদের সহায়তায় টেনেহিঁচড়ে রুমানাকে ওসির রুমে নিয়ে যান এবং রুমের দরজা বন্ধ করে দেন। ওই সময় ওসি তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করেছেন এবং রুমানা চিৎকার করলে তাকে মেরে ফেলা এবং ধর্ষণ করার হুমকি দেন। এ সময় তিনি রুমানার মুখ চেপে ধরে তার শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেন। তখন ওসিকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে ওসি তাকে চড়, থাপ্পড় এবং লাথি মারতে থাকেন। তিনি চিৎকার শুরু করলে এসআই মোশাররফ এসে তার গলা চেপে ধরেন, যাতে সে চিৎকার করতে না পারে। এ সময় মোশাররফ তাকে যৌন নির্যাতন করার হুমকি দেয়। পরে (২৭ আগস্ট) শনিবার সকালে ওসি ও এসআই আবার তাকে প্রস্তাব দেয় তাদের প্রস্তাবে রাজি হইলে তাকে ছেড়ে দেবে। এতেও তিনি রাজি হননি। পরে তারা রুমানার হাতের মোবাইল সেটটির লক খুলে ফ্লাশ মেরে দেয়, যাতে পূর্বে তার সাথে যোগাযোগের কোনো প্রমাণ না থাকে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ তুলে একটি মামলা দায়ের করে কোর্টে চালান করে দেয়। পরে ৮ দিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে এসে মামলাটি দায়ের করেন। কুমিল্লার জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন,এখনো কোর্ট থেকে কোনো কাগজপত্র পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

আপনার মতামত দিন

Posted ১:৪৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২২

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com