রবিবার | ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

দেশে প্রথম আফ্রি আগরউড এলএলপি ইনোকুলেশন কোম্পানি ইনজেকশন থেকে আগর এবং আতর তৈরি করা হয়

মোঃ জাকির হোসেন, মৌলবীবাজার থেকে :

দেশে প্রথম আফ্রি আগরউড এলএলপি ইনোকুলেশন কোম্পানি ইনজেকশন থেকে আগর এবং আতর তৈরি করা হয়

মোঃ জাকির হোসেন (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ হেড অফিস আলুভাগান, মোকামবাড়ি, জৈন্তাপুর, সিলেট। যোগাযোগ করুন মোবাইল নাম্বার 01909050146 কোম্পানির পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান বলেন স্যালাইন থেকে আগর তৈরি এবং আতর তৈরি করা হয়। সাধারণত আগর গাছে আর্টিফিশিয়াল ইনজেকশন এবং স্যালাইন ব্যবহার করা হয়। প্রাকৃতিক মাধ্যমে আগর গাছ থেকে মাত্র ৫% আগর পাওয়া যায়। এবং আর্টিফিশিয়াল ইনজেকশন এবং স্যালাইন ব্যবহারের পরে ১০০% আগর পাওয়া যায়। আগর একটি সুগন্ধি জাতীয় তরল পদার্থ কিন্তু এর চেয়েও মূল্যবান আগর বা আগর কাঠ। স্থায়ী ভাষায় এটাকে মাল বলা হয়। সরাসরি আগুনের সংস্পর্শে জ্বলে উঠে এবং দোয়া ছাড়াই চারিদিকে সুগন্ধি ছড়ায় । তবে আমাদের দেশে এর প্রচলন তেমন নেই, মধ্যে প্রাচ্যের দেশ গুলিতে বাংলাদেশি আগর কাঠের চাহিদা বেশি । প্রতি বছর এই কাঠ বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। এই বিষয়ে তিনি বলেন এই আগর প্রাকৃতিক ভাবে সাধারণত গাছে হয় না। ইনজেকশন এবং সেলাইন ব্যবহার করা হয়। স্যালাইন ব্যবহার করার পর আগর কাঠ ১০০% পাওয়া যায়। ইনজেকশন ১০০% আগর পাওয়া যায়, ইনজেকশন এবং স্যালাইন ব্যবহার করা আগর পোড়ালে সুগন্ধ ছড়ায় । আগরউড সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন আগর গাছের উপরের সাদা আবরণ সরিয়ে ভিতরের কলো কাঠ সংগ্রহ করা হয়। গাছ কাটার পর সাদা ও কালো কাঠ প্রাথমিক ভাবে আলাদা করা হয়। পরে কালো কাঠে লেগে থাকা সাদা কাঠ ফেলে দেওয়া হয়। বাটালি দিয়ে ধীরে ধীরে কাজটি করতে হয়। এরপর আর কোন কাজ নেই । এটি আসলে আগর উড নামে পরিচিত। মধ্যেপ্রাচ্যে এই কাঠই সরাসরি বিক্রি হয়। অর্থাৎ প্রাকৃতিক ভাবেই হোক আর গাছে মেডিসিনে ব্যবহার করে হোক, আগর গাছের কালো হয়ে যাওয়া অংশ থেকেই কেবল সুগন্ধি পাওয়া যায়। এই কালো অংশ থেকেই তৈরি হয় দামি আতর। তিনি জানান প্রাকৃতিক হলে দাম বেশি পাওয়া যায়। গাছে মেডিসিন ব্যবহার করে তৈরি করা আগরে দাম একটু কম। আর্টিফিশিয়াল আগর ১kg বাজার মূল্য ৩০/৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। ইনোকুলেশন এর বয়স 14 থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত। ২৪থেকে ৩০ মাস হলে আরেকটু রেইট বেশি পাওয়া যায়। ইনোকুলেশন করার পর গাছটি যত দীর্ঘায়ু হবে তথ্য মাল ঘন এবং কালো হবে।

আপনার মতামত দিন

Posted ৭:৪৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com