মঙ্গলবার | ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২২শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

কালী পূজা হিন্দুদের সমপ্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পূজা

উজ্জল রায়, নড়াইল থেকে :

কালী পূজা হিন্দুদের সমপ্রদায়ের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ পূজা

উজ্জ্বল রায় : দুর্গাপুজোর পর লক্ষ্মীপুজোও চলে গেছে। এবার আসছে কালী পূজা। দিওয়ালীর আলোর রোশনাই। তারপর কালী পূজার দুদিন পর ভাইফোঁটা।এটাও বাঙালির প্রাণের একটা বড় উৎসব। তাই আমরা কালীপুজোর জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকি। কালীপূজার
কালী হচ্ছেন আদ্যাশক্তি, অর্থাৎ আদি শক্তি। যা সৃষ্টিরও আদিতে বিরাজমানা। মহামায়া তিনি, যার মায়াতে এই বিশ্ব সংসার চলছে। এই বিশ্ব সংসারের সকল কিছুই গ্রাস হয়ে যায় কালের (সময়) অতল গহ্বরে। কালরূপে যম সকল জীবের নাশ করেন। সেই কালেরও একজন নিয়ন্ত্রক শক্তি আছেন। তিনি হচ্ছেন মহাকাল (শিব)। যাকে দেবাদিদেব (দেব এরও আদি দেবতা) বলা হয়ে থাকে। সেই মহাকাল যার অধীন, মহাকালকে যিনি নিয়ন্ত্রন করে নিজের ভেতরে ধারণ করেন বা গ্রাস করার ক্ষমতা রাখেন তিনিই হচ্ছেন কালী। এই সুবিশাল বিশ্বসংসারের সৃষ্টি, স্থিতি এবং লয় এর একমাত্র কারণ।
এবার আসি মায়ের পরিচয়ের আরও কিছু বিশ্লেষণে। মায়ের অঙ্গ শোভার তাত্ত্বিক ও দার্শনিক তাৎপর্যঃ
(১) বিস্তৃত কালো চুলঃ তিনি মুক্তকেশী । মুক্তকেশ চিরবৈরাগ্যের প্রতীক। জ্ঞান অসির আঘাতে অক্টপাশ ছেদনকারী মা চির বৈরাগ্যময়ী। তাই তার বিস্তৃত কালো চুল।
(২) ত্রিনয়নঃ তিন চোখ তিনটি আলোর প্রতীক। চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নি। অন্ধকার বিধ্বংসী তিন শক্তির প্রকাশ। অজ্ঞতা, অজ্ঞানতারূপ অন্ধকার থেকে মুক্ত করাই হলো চন্দ্র, সূর্য ও অগ্নির কাজ। তিনটি চোখে তিনি অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতকে প্রত্যক্ষ করেন। কারণ,এই শক্তিই সৃষ্টি স্থিতি ও প্রলয়ের কর্তা। সত্য, শিব ও সুন্দরের দর্শন হয় এই চোখের দ্বারা।

(৩) জিহবা ও দাঁতঃ রক্তবর্ণের জিহবাকে সাদা দাঁত দিয়ে কামড়ে রেখেছেন তিনি । লাল রং রজোগুণের প্রতীক, সাদা রং সত্ত্বগুণের প্রতীক। সাদা দাঁত দিয়ে লাল জিহবাকে চেপে রাখা। এতে বলেছেন- সত্ত্বগুণর দ্বারা রজোগুণকে দমন করো। রজোগুণ ভোগের গুন, ঈশ্বর বিমুখ করে। রজোগুণ দমনের জন্য এই প্রতীক। অনেক সময় আমরা কোন অন্যায় বা মিথ্যাচার করলে জিহবার কামড় দেই অর্থাৎ অন্যায় করার স্বীকৃতি।
(৪) মুন্ডমালাঃ গলায় পঞ্চাশটি মুন্ড দিয়ে মালা পরানো আছে। পঞ্চাশটি মুন্ড পঞ্চাশটি অক্ষরের প্রতীক। ১৪ টি স্বরবর্ণ এবং ৩৬ টি ব্যঞ্জনবর্ণ, অক্ষর ব্রহ্ম, তার ক্ষয় নেই, শব্দ ব্রহ্ম, অক্ষরের দ্বারাই শব্দের উৎপত্তি। এর অবস্থান মস্তকে। আমরা মন্ত্রোচ্চারণের দ্বারা দেব বা দেবীর স্ত্ততি করি ।এই মন্ত্রের অবস্থান মন্ডকের তালুতে সহস্রার পদ্মের মধ্যে। তাই অক্ষরের প্রতীক মুন্ড তাঁর গলায় । এছাড়া মুন্ড শব্দ তত্ত্বের প্রতীক ব্যোমতত্ত্ব বা আকাশের গুন শব্দ। অতএব ব্যোম বা আকাশের সাথে তথা দেবীর কন্ঠের সাথে শব্দরূপী মুন্ডের সংযোজনা এক গভীর যোগক্রিয়া নির্দেশক এবং অপরূপ ঋষি শিল্প। (৫) কোমরে কর্তিত হাতের মেখলাঃ হাত কর্মের প্রতীক। তোমার সকল কর্মের ফলদাতা আমি। সকাম ভক্ত যারা তারা অতৃপ্ত কামনা নিয়ে দেহত্যাগ করে বলে পুনরায় মাতৃ জঠরস্থ হয়ে হস্ত মেখলা প্রতীকে সকাম ভক্তের পুণর্জন্ম লাভ করার তত

আপনার মতামত দিন

Posted ২:২১ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ০৫ নভেম্বর ২০২১

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com