মঙ্গলবার | ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

রাস্তা ও চলাচলের জায়গায় নেই এমন জায়গায় ব্রিজ নির্মাণ

সুজন চৌধুরী, আলীকদম, বান্দরবান‌ ( প্রতিনিধি) :

রাস্তা ও চলাচলের জায়গায় নেই এমন জায়গায় ব্রিজ নির্মাণ

সুজন চৌধুরী, আলীকদম, বান্দরবান (প্রতিনিধি): ব্রীজ নির্মাণ হলেও মানুষের চলাচল না থাকায় পুরাতন কাঁচামাটির রাস্তায় লতাপাতা-ঝোপঝাড়ে
ভরে গেছে। বান্দরবানের আলীকদম থানচি সড়কে হতে দক্ষিণ পূর্ব পালং পাড়া যাওয়ার সড়কের উপর ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতুটি এলাকাবাসীর কোন কাজে আসছে না। কি কারণে এত টাকা ব্যয়ে করে কৃষি জমির বাঁধের উপর ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে তার সৎ উত্তর নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও জনপ্রতিনিধির। প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধি একে অপরের উপরের দোষ চাপিয়ে দায় সাড়ার চেষ্টা।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রীজের উপরে ধান শুকাতে ব্যস্ত স্থানীয় কয়েকজন ও একপাশে লাকড়ি স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ব্রীজের কাঁচা মাটির রাস্তার উপর বিভিন্ন আগাছা ও জঙ্গলে ভরে গেছে
এবং রাস্তার শেষ প্রান্তে রাস্তার চিহৃও নেই। কাঁচামাটির রাস্তাটি মাঝখানে কৃষি জমির পানি
চলাচল করতে করতে রাস্তা ভেঙ্গে নালা সৃষ্টি হয়েছে।কৃষি জমির জন্য কাঁচামাটির রাস্তাটির
একাংশ কেটে ফেলেছেন জমির মালিক।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস (পিআইও) সূত্রে জানায়, গ্রামীন রাস্তায় কম-বেশী ১৫ মিটার কালর্ভাট/ সেতু নির্মাণ প্রকল্প-১ এর আওতায় বান্দরবানের আলীকদম র্পূব পালং পাড়া যাওয়ার ঝিড়ি উপর ১৮-১৯ র্অথ বছরে ৩৪ লাখ ৬৩ হাজার টাকা ব্যয়ে ৩৯ মিটার ব্রীজ নির্মাণ করেন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ আবু তৈয়ব ও ছৈয়দ হোসেন বলেন, এই ব্রীজটি কেন নির্মাণ করা
হয়েছে ও এত টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রীজটি এলাকাবাসী জন্য নাকি বিশেষ কোন ব্যক্তির
সুবিধাত্বে দেওয়া হয়েছে একমাত্র চেয়ারম্যান ও পিআইও অফিস জানে, আমরা জানি না।
তারা আরও বলেন, এক পাশে কৃষিজমি ও অন্যপাশে ঝিড়ি। জমি রক্ষার জন্য মাটির বাঁধ দেওয়া হয়েছে অনেক বছর আগে সেটি ধরে ৩/৪ পরিবারের লোক জন হাটাচলা করলেও তারা অনেকে এখন অন্যরাস্তা দিয়ে চলাচল করেন। বর্ষাকালে কাঁচামাটির বাধঁটি পানির নিচে থাকে। তাছাড়াও জমির পানি কাঁচামাটির রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করে, বাঁধের একাংশ কৃষি জমিতে পরিণত করা হয়েছে এবং বর্তমানে চলাচলের অনুপযোগী। ব্রীজ ও মাটির রাস্তাটি ধরে দৈনিক ১০ জনের অধিক লোক চলাচল করে না।সদর ইউপি সদস্য মংপ্রু র্মামা বলেন, ২০০১ সালে কিছু কর্মসূচীর মানুষ দিয়ে দুয়েক
পরিবার চলাচলের জন্য বাধটি পূর্ণ সংস্কার করি। বর্তমানে তেমন কেউ চলাচল করে না। এখানে এত বড় ব্রীজের প্রয়োজন ছিল না। সব মিলিয়ে ৩/৪ পরিবারের লোকজন চলাচল করে কিনা সন্দেহ। সেখানে ব্রীজ হচ্ছে সেটি আমি জানতাম না এবং সুপারিশও করিনি।
১নং ইউপি চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন বলেন, তৎকালীন পিআইও স্থান দেখতে যাওয়ার সময় আমাকে নিয়ে গেছে, কে বা কারা সুপারিশ করেছে জানি না। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন সাবেক উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনঞ্জুর রহমান ও অফিস সহায়ক মোঃ নাছির বলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান ও মন্ত্রীর প্রতিনিধি যা করার তা করছে। এত বড় ব্রীজ আমরা কারও সুপারিশ ছাড়া করতে পারি না। চেয়ারম্যান চাহিদা পত্র দিয়েছে,তাই ব্রীজটি নির্মাণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যানকে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে কাঁচামাটির সড়কটি এইচবিবি ও সংস্কার করতে বলা হয়েছিল মাসখানেক আগে।বর্তমান প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সৌভ্রাত দাশ বলেন, আমি নতুন এসেছি, বিষয়টি জানি না। বিষয়টি জেনে জানাব।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সায়েদ ইকবাল বলেন, আগামীতে কোন প্রকল্পের মাধ্যমে সড়কটি সংস্কার ও এইচবিবি করণ করা হবে।যাতে করে এলাকার লোকজন চলাচল করতে পারে।

আপনার মতামত দিন

Posted ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ | শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com