মঙ্গলবার | ১৮ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

মনোহরদী পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ২৬ মাসের বেতন বাকী মানবতর জীবন যাপন

হাজী জাহিদ

মনোহরদী পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ২৬ মাসের বেতন বাকী মানবতর জীবন যাপন

নরসিংদী জেলার অবহেলিত ছোট একটি পৌরসভা এই পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ২৬ মাসের বেতন বাকী বলে জানা যায়। নরসিংদী জেলার শেষ প্রান্তে এই পৌরসভার অবস্থান। এই পৌরসভায় নেই কোন শিল্প কলকারখানা। ২০০২ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মনোহরদী উপজেলার সাবেক এমপি সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল এই পৌরসভাটি গঠন করেন বলে জানা যায়। ইহার আয়তন ৬.৬৬ বর্গ কিলোমিটার ছোট একটি পৌরসভা। জনসংখ্যা প্রায় পুরুষ মহিলা মিলিয়ে ২৩৮৯০ জন।ভোটার ১৭০০০ হাজার পুরুষ মহিলা মিলিয়ে ।প্রায় ৯০ ভাগ কৃষি জীবি নাগরিক, নাই কোন তেমন পৌরসভার হিসেবে নাগরিক সুযোগ সুবিধা, মনোহরদী পৌরসভা সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় এ পৌরসভার নাগরিকরা পাচ্ছেনা তেমন কোন পৌর নাগরিক সুযোগ সুবিধা, অনেকের সাথে কথা বলে জানা যায় এই পৌরসভাটি একটি অপরিকল্পিত ভাবে কৃষি নির্ভর এলাকায় গঠন করা হয়েছে, নেই কোন শিল্প কলকারখানা, পানি নিষ্কাশন,যোগাযোগ ব্যবস্থা,রাত্রে অন্ধকার থাকায় আলোক উজ্জল বাতির ব্যবস্থা প্রয়োজনের তুলায় কম এখানে ঠিক মত নেই, সেনিটেশন ব্যবস্থা কম,পৌরসভার কোন প্রয়োজনই ছিল না।অনিয়মে ভরপুর এ পৌরসভা, পৌরসভার সচিব ইসমাইল হোসেন বলেন, প্রায় শত ভাগ কৃষি নির্ভর এলাকা তাই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য মাত্রা অর্জন হচ্ছে না। ৩০ জন কর্মকতা কর্মচারি এই পৌরসভায় কাজ করছে যা প্রয়োজন এর তুলনায় অনেক কম, আরো প্রায় ২০ জন লাগে বর্তমানে কাজের প্রয়োজননের তুলনায় ২০ জন কম।পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারিদের ২৬ মাসের বেতন বাকী ফান্ডে অর্থ নেই তাই ২৬ মাসের বেতন বাকী পরে যায় এ পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারিদের, পিএফ ফান্ড, গ্রাজুয়েটি ফান্ড কি মানে হয় বুঝেনেনা এব্যপারে তিনি বলেন পৌরসভা কর্মকর্তা কর্মচারিদের বেতনই দিতে পারে না ফান্ড নেই ঠিক মত টেক্স আদায় করা যায় না গরীব কৃষি এলাকা তেমন আয়ের উৎস নেই স্টাফ বেশি আয়ের উৎস কম, তাই পিএফড,গ্রাজুয়েটির কোন ফান্ড নেই। সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে দেশের কোন পৌরসভার কর্মকর্তাদের সুযোগ সুবিধার মিল নেই পৌরসভার চাকুরী জীবিরা অবহিত তাদের তুলনায় আমাদের সুযোগ সুবিধা অনেক কম, সকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে পৌরসভা, পৌরসভার উপযোগী না তা বাতিল করে ইউনিয়ন পরিষদের আওতায় আনা হবে এব্যপারেআপনার মতামত কি প্রশ্ন করলে তিনি বলেন এটা সরকারের ইচ্ছা। যদি এই পৌরসভার প্রয়োজন নেই বলে মনে হয় তাই সিদ্ধান্ত দিবে ।মনোহরদী পৌরসভার অনেক চাকুরিজীবীর সাথে কথা বলে জানা যায় ২৬ মাসের বেতন বাকী থাকয় ধার কর্জ ঋৃন করে অভাব অনটনে সংসার চলে, ছেলে মেয়েদের পড়াশোনা সহ মানবতরে জীবন যাপন করছে মনোহরদী পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীরা।মনোহরদী পৌরসভার জনগণের সাথে কথা বলে জানা যায় দুই বারের একটানা মেয়াদের মেয়র একজন জনপ্রিয় মেয়র, তিনি সদাআলাপি,মিষ্টি ভাসী,জনদরদী,পরোপকারী, তিনি সবার সাথে ভালো ব্যবহার করেন,হাসি মুখে কথা বললন,সবাই কে মুল্যায়ন করেন
মনোহরদী পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ আমিনুল রসিদ ( সুজন) বলেন দেশের অনেক পৌরসভার কর্মকর্তাদের বেতন বাকী এ পৌরসভার ও ২৬ মাসের বেতন বাকী তবে আমরা চেষ্টা করছি বেতন পরিশোধ করার জন্য, ছোট পৌরসভার আয়ের উৎস কম তাই ইচ্ছে থাকলে ও অনেক কিছু করা সম্ভব হয়না, সরকারের নিকট মেয়র হিসাবে চাওয়া কি? প্রত্যাশা কি প্রশ্ন করলে তিনি বলেন কোথায় চাইব? কার কাছে চাইব? সবই ভাওতা বাজী,তিনি সাংবাদিকদের সাথে ভালো আচরন করেন।

আপনার মতামত দিন

Posted ৮:২৪ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com