সোমবার | ১৭ই জানুয়ারি, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা মাঘ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

দৈনিক পাবলিক বাংলা বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র
বিশ্বজুড়ে বাঙলার মুখপত্র

আলুর দর পতনে দিশেহারা চাষী ও ব্যবসায়ী।

সারোয়ার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার।

আলুর দর পতনে দিশেহারা চাষী ও ব্যবসায়ী।

কেনার দামেও বিক্রি হচ্ছে না আলু। প্রতি বস্তায় খরচ বাদে
কেনার দামও জুটছেনা। আলুর ব্যাপক দর পতন হওয়ায় রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আলু চাষী ও ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে। মৌসুমের শুরুতে যে দামে ব্যবাসয়ীরা আলু কিনে স্টোরজাত
করেছেন সে দামেও বিক্রি করতে পারছেনা আলুর বস্তা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুর রহমান জানান, চলতি বছর উপজেলায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছিল। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছিল। আলুর উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে মৌসুমের শুরুতে দাম কম ছিল। এদিকে করোনার প্রভাবে দেশব্যাপি
স্কুল, কলেজ, দোকানপাট, হোটেল বন্ধ থাকায় করে গেছে আলুর দাম। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম বৃদ্ধি পেতে পারে।
এদিকে উপজেলার সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ লিঃ, বশার হিমাগার, এম হোসেন কোল্ড স্টোরেজ এবং নাটোর কোল্ড স্টোরেজ প্রাইভেট লিঃ নামের চারটি কোল্ড স্টোরেজে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ বস্তা আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে। সবে মাত্র স্টোর থেকে আলু বাহির করা শুরু করেছে আলু চাষীসহ
ব্যবসায়ীরা।
আলুর বস্তাপ্রতি কোল্ড স্টোরেজের ভাড়া বাবদ দিতে হচ্ছে ২৫০ টাকা। আলু সুটিংকরে পুনরায়
বস্তা প্যাকেটিং করতে শ্রমিকদের দিতে হচ্ছে ২০ টাকা। স্টোরেজে রাখা আলু পালট দিকে লাগে প্রতিবস্তায় টাকা। স্টোরে আলু সংরক্ষণের সময় লেবার চার্জ দিতে হয়। সব কিছু মিলিয়ে বস্তাপ্রতি লোকসান হচ্ছে ৩০০-৪০০শত টাকা।
বর্তমানে জাত এবং মান ভেদে স্টোরে আলু বিক্রয় হচ্ছে ১২ থেকে ১৬ টাকা কেজি। মৌসুমের শুরুতেই যে আলু কিনতে হয়েছে প্রায় ২০ টাকা কেজি। বশার কোল্ড স্টোরেজে ১৩ হাজার বস্তা আলূ রেখেছেন গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের পলাশী গ্রামের আছির উদ্দীন। তিনি বলেন, ৩০ বছর
থেকে স্টোরে আলু সংরক্ষণ করে আসছি। এতো লোকসানের পাল্লায় পড়তে হয়নি। সেই সাথে গত
বারে ছিল আলুর অধিক বাজার দর। সেই বাজারের দিকে খেয়াল করে এবারও অনেক আলু স্টোরজাত
করেছি। আলুর দাম না থাকায় বিপুল পরিমান লোকসান হবে।
একই মন্তব্য করেন আত্রাই উপজেলার শুটকীগাছা গ্রামের আরেক আলু ব্যবসায়ী আব্দুস সাত্তার
বলেন, আমি বশার কোল্ড স্টোরেজে ১০ হাজার বস্তা আলু রেখেছি। একদিকে দাম কম আর অন্যদিকে
সংরক্ষণ ব্যয় সব মিলিয়ে লোকসান হবে।
সালেহা ইমারত কোল্ড স্টোরেজ লিঃ এর ব্যবস্থাপক সাজ্জাদুর রহমান জুয়েল বলেন, এ বছর আলুর দাম কম
হওয়ার মূল কারণ করোনা মহামারি। বিশেষ করে করোনায় সবকিছু বন্ধ আলু বিক্রয় কমে গেছে।
দেশে স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করলে আলুর দাম কিছুটা বাড়তে পারে।
সরকারী পৃষ্ঠপোষকতা পেলে লোকসানের হাত থেকে রক্ষা পাবে। অন্যান্য প্রণোদনার সাথে যদি আলু
দেয়া হলে কিছুটা উপকৃত হবে আলুচাষী সহ ব্যবসায়ীরা।

আপনার মতামত দিন

Posted ৩:৩৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৪ আগস্ট ২০২১

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

এ বিভাগের আরও খবর

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০৩১  
ড. সৈয়দ রনো   উপদেষ্টা সম্পাদক   
শাহ্ বোরহান মেহেদী, সম্পাদক ও প্রকাশক
,
ঢাক অফিস :

২২, ইন্দারা রোড (তৃতীয় তলা), ফার্মগেট, তেজগাও, ঢাকা-১২১৫।

নরসিংদী অফিস : পাইকসা মেহেদী ভিলা, ঘোড়াশাল, নরসিংদী। ফোনঃ +8801865610720

ই-মেইল: news@doinikpublicbangla.com