পঞ্চগড়ের সাতমেরা সীমান্ত দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে আখ চুরির অভিযোগে দীপঙ্কর গোপ (৩০) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে স্থানীয়রা। পরে তাকে বিজিবির কাছে সোপর্দ করা হলে রোববার বিকেলে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার সকালে দীপঙ্কর গোপ সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া পার হয়ে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে তিনি সাতমেরা এলাকার একটি আখখেতে গিয়ে আখ চুরির চেষ্টা করেন। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে পড়লে তারা তাকে আটক করে বিরাজোত এলাকায় নিয়ে যান। পরে তাকে বিজিবির কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটক দীপঙ্কর গোপ ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ থানার চাউলহাটি তশনপাড়া এলাকার মিশ্রিলাল গোপের ছেলে। তিনি সীমান্তের ওপারে একটি চা-বাগানে কাজ করতেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
৫৬ বিজিবির অমরখানা বিওপি ক্যাম্পের সদস্যরা রোববার বিকেলে দীপঙ্কর গোপকে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।
পঞ্চগড় সদর থানার ওসি (তদন্ত) আশীষ কুমার শীল বলেন, আটক ভারতীয় নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে ঘটনার পর দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাইফুর হাসান মাহমুদ।
তিনি জানান, পতাকা বৈঠকে একজন বাংলাদেশি নাগরিককে ফিরিয়ে আনার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করা ভারতীয় নাগরিক দীপঙ্কর গোপকে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেউ এসেছেন খাসি পুঞ্জি থেকে, কেউ গারো সম্প্রদায় থেকে, কেউ ত্রিপুরা কিংবা চা-বাগানের শ্রমিক জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হয়ে। পরনে ছিল নিজ নিজ জাতিগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী পোশাক। কারও হাতে দাবি সংবলিত ফেস্টুন, কারও কণ্ঠে নিজেদের অস্তিত্ব ও অধিকার রক্ষার প্রত্যয়। নানা জাতিগোষ্ঠীর মানুষের এমন বৈচিত্র্যময় উপস্থিতিতে রোববার মুখর হয়ে ওঠে শ্রীমঙ্গল জেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম।
‘আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শ্রীমঙ্গলে পালিত হয়েছে ‘বিশ্ব আদিবাসী দিবস ২০২৬’। দিনব্যাপী এ আয়োজনে উঠে আসে ভূমির অধিকার, সাংবিধানিক স্বীকৃতি, পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশনসহ আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নানা দাবি।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে শুরু হয় আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এর আগে অতিথিরা ফিতা কেটে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন।
দাবির ফেস্টুনে মুখর শহর
উদ্বোধনের পর বিভিন্ন দাবি সংবলিত ফেস্টুন হাতে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ, তরুণ-তরুণী ও শিশুরা। শোভাযাত্রায় ফুটে ওঠে তাঁদের অধিকার, পরিচয় ও ভূমি রক্ষার নানা দাবি।
শোভাযাত্রাটি ভানুগাছ সড়ক, স্টেশন সড়ক, চৌমুহনী চত্বর, কলেজ রোড ও গুহ রোড প্রদক্ষিণ করে জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়।
‘নিজের পরিচয় দেওয়ার অধিকার নিজের’
পরে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, পরিচয়ের প্রশ্নে আদিবাসী জনগোষ্ঠীর নিজস্ব মতামত ও আত্মপরিচয়ের অধিকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
বক্তারা জাতিসংঘের ২০০৭ সালের আদিবাসী বিষয়ক ঘোষণাপত্র বাস্তবায়ন, আইএলও কনভেনশন-১৬৯ অনুসমর্থন এবং কনভেনশন-১০৭ বাস্তবায়নের দাবি জানান।
তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, সরকারি নথিতে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বা অন্য কোনো পরিচয়ের পরিবর্তে নিজেদের সাংবিধানিকভাবে ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি।
বক্তারা বলেন, “একজন মানুষের পরিচয় কয়ভাবে হতে পারে? নিজের পরিচয় দেওয়ার অধিকার তার নিজের। আমরা মর্যাদাপূর্ণ ও সম্মানজনক স্বীকৃতি চাই। আদিবাসীদের সাংবিধানিকভাবে ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে।”
পৃথক মন্ত্রণালয়, ভূমি কমিশনসহ তিন দাবি
সভাপতির বক্তব্যে আদিবাসী সাংস্কৃতিক কমিটি, বৃহত্তর সিলেট বিভাগের সভাপতি পংকজ এ কন্দ বলেন, মৌলভীবাজার জেলার স্বীকৃত ২৯টি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি স্বীকৃতির দাবিদার অন্যান্য জনগোষ্ঠী ও চা জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরাও অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।
তিনি বলেন, “সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে। সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন করতে হবে। পাশাপাশি আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। আমরা সরকারের কাছে সেটিই প্রত্যাশা করছি।”
আলোচনায় বক্তারা খাসি, গারো, ত্রিপুরাসহ বিভিন্ন আদিবাসী জনগোষ্ঠী এবং চা-বাগানের শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার ওপরও জোর দেন। তাঁদের মতে, ভূমি ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে এসব জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।
সংস্কৃতিতে ফিরে দেখা শিকড়
আলোচনা শেষে ছিল ঐতিহ্যের রঙে ভিন্ন এক আয়োজন। প্রায় ২০টি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক দলের অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় ঐতিহ্যবাহী নৃত্য। নিজ নিজ জাতিসত্তার পোশাক ও নৃত্যের মাধ্যমে শিল্পীরা তুলে ধরেন তাঁদের শেকড়, জীবনযাপন ও সংস্কৃতির গল্প।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য নেরলা তেনসং, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা, ত্রিপুরা স্টুডেন্ট ফোরামের সাবেক সভাপতি যুবরাজ দেববর্মা, নিরালা পুঞ্জির মান্ত্রী এলভিস পতাম, কথাসাহিত্যিক আকমল হোসেন নিপু, লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জির মান্ত্রী ফিলা পতমী, বাংলাদেশ আদিবাসী লেখক পরিষদের সভাপতি সনাতন হামোম, শ্রী চুক গারো যুব সংগঠনের সভাপতি পার্থ হাজং ও পাত্রখোলা চা-বাগানের সভাপতি স্বপন কুর্মীসহ অনেকে।
বক্তারা বলেন, আদিবাসী জনগোষ্ঠীর জীবন, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান রক্ষায় শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, প্রয়োজন কার্যকর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ। শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, ভূমির অধিকার ও সাংবিধানিক স্বীকৃতির মাধ্যমে তাঁদের অধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তাঁরা।
আল ইব্রাহিম
শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার
মোবাইল:০১৬১৭৫০২২৩০
ছোট-বড় ১৬ নদ-নদীবেষ্টিত উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামে বর্ষা মৌসুমেও পানির সংকট দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া ও জলবায়ুর পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টিপাতের সময়ও পানির অভাব দেখা দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন পাট চাষিরা।
বর্ষাকালেও কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন খাল-বিল ও জলাশয়ে পর্যাপ্ত পানি না থাকায় পাট কাটার পর সময়মতো জাগ দিতে পারছেন না চাষিরা। বাধ্য হয়ে কয়েক কিলোমিটার দূরে পাট নিয়ে যেতে হচ্ছে অনেক চাষিকে। এতে বাড়ছে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ। আবার সময়মতো জাগ দিতে না পারায় পাটের আঁশের মান নিয়েও শঙ্কায় রয়েছেন তারা। এমন পরিস্থিতিতে পাট চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন অনেক কৃষক।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে জেলায় ১৫ হাজার ৭৫০ হেক্টর জমিতে পাটচাষ হয়েছে। এরমধ্যে ৯ হাজার ১২৫ হেক্টর জমির পাট কাটা হয়েছে। কয়েক বছর আগেও জেলায় প্রায় ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে পাটচাষ হতো। বর্তমানে তা কমে প্রায় ১৫ হাজার হেক্টরে নেমেছে।
কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, পানি সংকটের কারণে প্রান্তিক কৃষকরাই বেশি সমস্যায় পড়ছেন। পাট কাটার পর রিবন রেটিং মেশিনের মাধ্যমে আঁশ ছাড়ানোর আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা গেলেও অনেক কৃষক এ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানেন না। ফলে প্রচলিত পদ্ধতিতে পাট জাগ দিতে গিয়ে তাদের বাড়তি খরচ ও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। দূরের জলাশয়ে পাট নিয়ে জাগ দিলে পরিবহন ব্যয় বাড়ছে। আবার অল্প পানিতে পাট স্তূপ করে রাখলেও আঁশের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষিতে আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করা গেলে কৃষকরা অনেক বেশি উপকৃত হতেন। সনাতন পদ্ধতিতে পাট জাগ দেওয়ায় কৃষকরা কাঙ্ক্ষিত লাভ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
তিনি বলেন, পাট কাটার পর যত দ্রুত সম্ভব পর্যাপ্ত ও পরিষ্কার পানিতে জাগ দিতে হবে। পানির সংকট হলে আশপাশের কৃষকদের সঙ্গে সমন্বয় করে গভীর ও পরিষ্কার জলাশয় ব্যবহার করা যেতে পারে। প্রয়োজন হলে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে পাট জাগ দেওয়ার পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।
সরেজমিনে কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাগ দেওয়ার উপযুক্ত পানি না পেয়ে কেউ জমির পাশে, কেউ সড়কের ধারে আবার কেউ জলাশয়ের পাড়ে পাটের আঁটি স্তূপ করে রেখেছেন। দীর্ঘ সময় পাট এভাবে পড়ে থাকায় আঁশের স্বাভাবিক রং ও গুণগত মান নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলার টগরাইহাট এলাকার কৃষক মোঃ আব্দুল মমিন ও মোঃ বাবু মিয়া বলেন, আগে বাড়ির পাশের খালে পাট জাগ দেওয়া যেত। এবার অনেক জায়গায় পানি নেই। যাদের খাল বা জলাশয় আছে, তারাও অন্যের পাট জাগ দিতে দিতে চান না। ফলে দূরের জায়গায় পাট নিয়ে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ দুটোই বেড়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ছিনাই এলাকার কৃষক মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, পাট কাটার পর দ্রুত জাগ দিতে না পারায় সমস্যায় পড়েছি। পাটগাছ শুকিয়ে যাচ্ছে। এতে ভালো মানের আঁশ পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।
কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ঋতুর স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন এসেছে। নির্দিষ্ট সময়ে প্রত্যাশিত বৃষ্টিপাত হচ্ছে না। কখনো বৃষ্টির পরিমাণ কমছে, আবার কখনো অস্বাভাবিক সময়ে বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমেও অনেক এলাকায় পর্যাপ্ত পানি জমছে না। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে কৃষিতে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষার অংশ হিসেবে সারাদেশে একযোগে নানা বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলা, সবুজ বাংলাদেশ গড়া এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখার লক্ষ্যে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে।
কর্মসূচির অংশ হিসেবে আজ ১০নং নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ন যুব দলের সিনিয়র সহ সভাপতি ও আগামী স্হানীয় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহবুব আলমের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ১০ নং নুরুল্যাবাদ ইউনিয়ের বিভিন্ন এলাকায় ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা রোপণ করেন বৃক্ষরোপণের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মাঝে বিনামূল্যে চারা বিতরণ এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মাহবুব আলম বলেন, “বিএনপি শুধু সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বসবাসযোগ্য ও সবুজ পৃথিবী গড়তেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে পরিবেশ সংরক্ষণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং আজকের এই কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে এক ধাপ এগিয়ে গেলাম।”
তিনি আরো বলেন দলের সকল স্তরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণকে কেবল গাছ রোপণ করেই ক্ষান্ত না হয়ে, সেগুলো যথাযথভাবে পরিচর্যা ও সংরক্ষণের আহ্বান জানান। তিনি আর বলেন যে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে দেশকে রক্ষা করতে দেশব্যাপী এই সবুজ বিপ্লব অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন