ইসলামপুরে গাড়ি ভাংচুরের প্রতিবাদে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন হয়েছে
মোঃ হোসেন শাহ্ ফকির জামালপুরের ইসলামপুরে নিজেদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এমপি সুলতান মাহমুদ বাবুর ব্যবহৃত এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নবাবের মালিকানাধীন
গাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ডেকে একপক্ষ অন্য পক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেছেন।
আজ রোববার (১২ জুলাই) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পৌর শহরের ধর্মকুড়া এলাকায় দলীয় অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন ডেকে নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করে পাল্টা অভিযোগ তোলেন গাড়ি ভাঙচুরের শিকার বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম নবাব।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আমি সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ায় আমি ষড়যন্ত্রের শিকার হচ্ছি। আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে থাকায় গ্রেপ্তার হয়েছি। গায়েবি মামলায় হয়রানির শিকার হয়েছি। কিন্তু এখন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম নবাব বলেন, আমার এবং এমপি মহোদয়ের ব্যবহৃত গাড়ি ভাঙচুরকারীদের আইনের আওতায় আনার দাবি করছি। সংবাদ সম্মেলন ডেকে দলীয় পদ থেকে আমার বহিষ্কারের দাবি করা হয়েছে। অথচ আমি একজন করানির্যাতিত। আমার এবং আমার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলে হয়েছে, তা সবই মিথ্যা। আমার ওপর জুলুম করা হচ্ছি।
অন্যদিকে, গতকাল শনিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে পৌর শহরের সিরাজাবাদ রোডস্থ উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপিসহ সকল অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমউদ্দৌলা পাহলোয়ান বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম নবাবের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, নবাব গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রভাবিত করতে এমপি মহোদয়ের মেয়ে ও উপজেলা বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক নাসিদা সাফিজ বিনতীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে। অথচ নবাব নিজেই দলীয় পদ ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এখন দলের বদনাম করতেছে। আমরা তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়াসহ তাঁকে দলীয় পদে থেকে বহিষ্কারের দাবি করছি।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় আধিপত্য বিস্তারে
কিছু লোকজন ডাকবাংলো প্রাঙ্গণে ঢুকে সেখানে রাখা নবাবের গাড়ি ভেবে এমপির গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে বিষয়টি বুঝতে পেরে নবাবের গাড়িটিও ভাঙচুর করে তারা। পরবর্তীতে
চরগোয়ালিনী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ইউসুফকে মারধরের অভিযোগ উঠে।



আপনার মতামত লিখুন