খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ১৭ বৈশাখ, ১৪৩৩

লতাচাপলিতে ২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ব্রিজ—রাস্তা নেই, ৭ বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১৮ অপরাহ্ণ
লতাচাপলিতে ২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ব্রিজ—রাস্তা নেই, ৭ বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

পটুয়াখালীর মহিপুর থানাধীন লতাচাপলি ইউনিয়নের ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে খালের উপর নির্মিত একটি বহুল আলোচিত ব্রিজ এখন উন্নয়নের প্রতীক নয়, বরং চরম দুর্ভোগের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। প্রায় ২ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩৫ মিটার দৈর্ঘ্যের এই ব্রিজটি নির্মাণের ৭ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ব্যবহার অনুপযোগী অবস্থায় পড়ে আছে। মূল কারণ—এটির সঙ্গে কোনো সংযোগ সড়কই নির্মাণ করা হয়নি।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিডি) বাস্তবায়িত এ প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা, শিক্ষার্থী এবং আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াত সহজ করা। কিন্তু পরিকল্পনার সুস্পষ্ট ঘাটতি, তদারকির দুর্বলতা এবং বাস্তবায়নে অব্যবস্থাপনার কারণে সেই লক্ষ্য পুরোপুরি ভেস্তে গেছে।

কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজটি আজ এলাকাবাসীর কাছে এক নির্মম বিদ্রূপে পরিণত হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটি নির্মাণের পর থেকেই এটি কার্যত ‘অচল’ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সংযোগ সড়ক না থাকায় মানুষ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ কাঁচা পথ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়—কাদা ও পানিতে ডুবে যায় পথঘাট, বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুলগামী শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী এবং বয়স্ক মানুষজন। ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে ব্রিজ নির্মাণ করেছে, কিন্তু বাস্তবে এর কোনো সুফল আমরা পাচ্ছি না। এটি আমাদের সঙ্গে এক ধরনের প্রহসন। এদিকে আরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে।

স্থানীয়দের দাবি, পটুয়াখালীর গিয়াস উদ্দিন নামের এক ঠিকাদার কাজটির লাইসেন্স পেলেও পরে তা অন্যের কাছে হস্তান্তর বা বিক্রি করে দেন। ফলে কাজের মান, তদারকি এবং জবাবদিহিতায় বড় ধরনের ঘাটতি সৃষ্টি হয় এবং প্রকল্পটি বাস্তবিক অর্থে অপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকে। সচেতন মহলের মতে, এটি কেবল একটি অব্যবহৃত ব্রিজ নয়, বরং এটি উন্নয়ন পরিকল্পনার দুর্বলতা, সমন্বয়হীনতা এবং জবাবদিহিতার অভাবের একটি জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। তারা অবিলম্বে ব্রিজটির সঙ্গে সংযোগ সড়ক নির্মাণ, প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের জোর দাবি—উন্নয়নের নামে অর্থ অপচয় নয়, বরং কার্যকর পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। এখন দেখার বিষয়—কর্তৃপক্ষ কবে এই জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

ইসলামপুরে সুপেয় পানির প্রকল্পে মেয়াদ শেষ এখনো পানি পাইনি কেউ বিল উত্তোলনের চেষ্টা

মোঃহোসন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর জামালপুর প্রতিনিধিঃ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৪৫ অপরাহ্ণ
ইসলামপুরে সুপেয় পানির প্রকল্পে মেয়াদ শেষ এখনো পানি পাইনি কেউ বিল উত্তোলনের চেষ্টা

​জামালপুরের ইসলামপুর পৌর এলাকায় সুপেয় পানি প্রকল্পে সরবরাহের নামে পৌর প্রকৌশল ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হলেও এখন পর্যন্ত অধিকাংশ পৌরবাসীর পানির সুবিধা পাননি। উল্টো নিম্নমানের কাজ এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে সংযোগ না দেওয়ায় স্থানীয় জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ইসলামপুর পৌরসভা সূত্রে জানাযায়, ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে বরাদ্দকৃত ২ হাজার ৪০০ শত পরিবার সুবিধা ভোগীকে সু-পেয় পানি সরবরাহ করার জন্য জনস্বাস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ইসলামপুর পৌরসভাকে অর্থ বরাদ্দ দেয়। পৌরসভা দরপত্র আহ্বানে কাজ পায় HICC-SRC(JV) প্রকল্প ঠিকাদার। অত্র প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ পায় ৫ কোটি ৪৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৯৯ টাকা। নাম মাত্র কাজ দেখায়ে বিল উত্তোলন করেন ৩ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৯ হাজার ৮৩২ টাকা। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী সিভিল ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরে সহকারী প্রকৌশলী কামরুজ্জামান দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানটি সু-পেয় পানির কাজের নামে টাকা হরিলুট করে। কিন্তু ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি শর্তানুযায়ী মানসম্মত কাজ না করে অত্যন্ত নিম্নমানের ৪ ইঞ্চির প্লাস্টিক পাইপ দিয়ে ওয়াটার লাইন ও মিটার স্থাপন করেছে। এমনকি চূড়ান্ত বিল উত্তোলনের জন্যও তোড়জোড় চালাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

পৌরসভায় বিভিন্ন এলাকায় পানি নাম বলে হয়রানি শিকার এলাকায় যেমন,পাটনিপাড়া,বেপারী পাড়া,দরজী পাড়া,বোয়ালমারী,কুড়িপাড়া,খালে পাড়া,থানা মোড়, নটারকান্দা,ফকিরপাড়া,মাজারবাড়ী,উওর দরিয়াবাদ, দক্ষিন দরিয়াবাদ ও ইসলামপুর ঠাকুরগঞ্জ নিত্য বাজারে আবাসিক এলাকায় গুলোতে কোথায় লাইন আছে পানি নেই আবার পাঁচশত টাকা রসিদ আছে লাইন নেই। এলাকায় ভুক্তভোগী আধা কান্ত বনিক,কৃষ্ণ কান্ত বনিক, ইলিয়াস পাশা,শফিকুল ইসলাম, নজরুল মেলেটারি ও তারা মাষ্টার বক্তব্য বলেন, “পৌরসভা থেকে আমাদের বলা হলো ৫০০ টাকা জমা দিলে দ্রুত বাড়িতে পানির লাইন আসবে। আমরা সাধারণ মানুষ পানির আশায় ধার-দেনা করে টাকা দিয়েছি।

আজ এতদিন হয়ে গেল,পানির কোনো খবর নেই। আমরা কি শুধু টাকা লুটের জন্য দিয়েছি? ​টাকা দিয়েও পানি না পাওয়া জনগণের সঙ্গে প্রতারণার শামিল। আমাদের সাথে এমন প্রতারণা কেন করা হচ্ছে?” ​শারমিন নুরনাহার,মাহফুজা খাতুন ও আয়শা বেগম বক্তব্য বলেন,আমাদের এলাকায় আইরন যুক্ত পানি থাকায়,সুপেয় পানির লাইন দেওয়ার কথা বলে রসিদের মাধ্যমে টাকা আদায় করা হয়েছে। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও সুপেয় পানির দেখা মেলেনি। সুপেয় পানির অভাবে আমাদের অনেক দূর থেকে পানি বয়ে আনতে হয়। আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল পাইপ বসলে কষ্ট কমবে। এখন দেখি রাস্তার পর রাস্তা খোঁড়া হয়েছে কিন্তু কল খুললে এক ফোঁটা পানিও বের হয় না।

উল্টো রাস্তার গর্তে কাদা জমে আমাদের চলাচলের কষ্ট বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা সরকারের এই অনিয়মের বিচার চাই। ​অনিয়ম ও নিম্নমানের কাজের বিষয়ে মনিরুজ্জামান বক্তব্য বলেন, “প্রকল্পের মেয়াদ কবে শেষ হয়েছে তার কোনো হদিস নেই। পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ও উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল সহযোগিতার ঠিকাদারি লোকজন নামকাওয়াস্তে নিম্নমানের কাজ করে ফেলে রেখেছে। কাজের মান এতই খারাপ যে সংযোগ পাওয়ার আগেই পাইপ নষ্ট হওয়ার দশা। এখানে বড় ধরনের দুর্নীতি হয়েছে বলে আমাদের সন্দেহ। আমরা অবিলম্বে এই প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং জনগণের কষ্টের অবসান চাই।” সুপের পানি নিম্নমানের কাজের হওয়ায় বিষয়ে জানতে চাইলে,উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কামরুজ্জামান বলেন,প্রকল্পের কাজ চলমান। প্রথম বিলের টাকা ঠিকাদারা উত্তোলন করেছেন।পর্যায়ক্রমে গ্রাহকদের বাড়ির লাইন মেরামত করা হবে।

টাকা নিয়ে লাইন পাইনি এ ব্যাপারে তিনি জানান, এইটা আমার কাজ নয় পৌরসভা বুঝবে। টাকা রশিদ আছে সুপের লাইন নাই; লাইন আছে পানি নাই.? এ ব্যাপারে মোবাইলে ইসলামপুর পৌরসভা সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) মোফাখখারুল ইসলাম জানান,যাহারা লাইন পাননি তাহারা পর্যায়ক্রমে লাইন পাবে। পরিক্ষা মৃলক পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কাজ না করে বিল উত্তোলন এ ব্যাপারে তিনি জানান, আমি যোগদান করার পর থেকে কোন বিল দেওয়া হয়নি। আমার যোগদান করা আগে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। তাহারা ভালো জানে কিভাবে বিল দিয়েছে।

এ ব্যাপারে একাধিক বার ঠিকাদার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ​উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও পৌরসভা সহকারী সিভিল প্রকৌশলের এই রহস্যজনক নীরবতা এবং গাফিলতিকে স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত ব্যর্থতা হিসেবেই দেখছেন। মোঃ হোসেন শাহ্‌ ফকির ইসলামপুর জামালপুর।

মান্দায় ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গণশুনানি, আংশিক খাজনার প্রস্তাব ইউএনওর

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
মান্দায় ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গণশুনানি, আংশিক খাজনার প্রস্তাব ইউএনওর

নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন এবং সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এক বিশেষ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল ১১ টায় উপজেলার কাশব-বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে উপজেলা রাজস্ব প্রশাসনের আয়োজনে এ গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। কাশব-বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মোছা. মাসুদা খানমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী।

গণশুনানিতে ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা সেবাগ্রহীতারা তাদের জমি সংক্রান্ত সমস্যাগুলো সরাসরি কর্মকর্তাদের সামনে তুলে ধরেন। এ সময় মিউটেশন (নামজারি), ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান, খতিয়ান সংশোধন (DLRMS), খাস জমি বন্দোবস্ত এবং ভিপি কেসের লিজ নবায়ন সংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ ও তাৎক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করা হয়। সেবা নিতে আসা স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে নামজারি সংক্রান্ত কাজে দৌড়ঝাঁপ করতে হলেও এ ধরনের গণশুনানিতে সরাসরি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত দিকনির্দেশনা পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মান্দা উপজেলা সহকারী ভূমি কমিশনার (ভূমি) নাবিল নওরোজ বৈশাখ তিনি বলেন, উপজেলায় প্রতি মাসে এক হাজারের বেশি নামজারি আবেদন জমা পড়ে। তবে সঠিক কাগজপত্রের অভাব এবং সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক আবেদন বাতিল হয়। এছাড়া জটিল দলিল যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও সময়ের প্রয়োজন হয়। তিনি বলেন, নিয়মের বাইরে গিয়ে কাজ করার সুযোগ না থাকলেও আমরা অফিসের রেকর্ড যাচাই করে দ্রুত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি, যাতে মানুষের ভোগান্তি কমে।

সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও আখতার জাহান সাথী বলেন, একটি বড় খতিয়ানে একাধিক অংশীদার থাকলে সবার খাজনা একসঙ্গে পরিশোধ ছাড়া আংশিক খাজনা নেওয়ার সুযোগ না থাকায় জমি রেজিস্ট্রিতে ভোগান্তি তৈরি হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানে ‘আংশিক খাজনা’ চালুর প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ভূমি মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি ভূমি অফিস ও সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় বক্তব্য দেন মান্দা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মো. জিল্লুর রহমান, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম আযম এবং বিএনপির সাবেক ছাত্রদল নেতা নূর এনায়েত মো. হারুন রশিদ হারুন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন গ্রামের সেবাগ্রহীতারা উপস্থিত ছিলেন।

মান্দায় ৬২০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ লরি জব্দ: আটক ২

মান্দা উপজেলা প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:০৭ অপরাহ্ণ
মান্দায় ৬২০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ লরি জব্দ: আটক ২

নওগাঁর মান্দায় অবৈধভাবে ডিজেল বিক্রির সময় একটি লরি ও নগদ টাকাসহ দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩ টার দিকে উপজেলার ভালাইন বৈদ্যপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।

​আটককৃতরা হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার শাকতোলা গ্রামের আছের আলীর ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (৩৬) এবং মান্দা উপজেলার চকবাবন গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে মো: এরশাদ হোসেন (৪৫)। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে লরির চালক আজমত আলী ও হেলপার তারেক রহমান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। পলাতক দুজনই সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার বাসিন্দা।

​পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আসামীরা সিরাজগঞ্জের বাড়াবাড়ি ঘাট ডিপো থেকে লরি ভর্তি ডিজেল নিয়ে এসে রাতের আঁধারে অ/বৈধ ভাবে বিক্রি করছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মান্দা থানা পুলিশ উপজেলার ভালাইন বৈদ্যপুর নামক স্থানে অভিযান চালায়। এ সময় লরি ভর্তি ৫১০০ লিটার ডিজেল এবং ৫টি ড্রামে ভর্তি আরও ১১০০ লিটারসহ মোট ৬২০০ লিটার ডিজেল জব্দ করা হয়। এছাড়াও ডিজেল বিক্রির নগদ ৫৫,০০০ টাকা এবং পরিবহনে ব্যবহৃত লরিটি জব্দ করে পুলিশ।

​মান্দা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খোরশেদ আলম জানান, এ ঘটনায় আটককৃত ও পলাতক আসামীদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। লরির চালক ও হেলপারকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ইসলামপুরে সুপেয় পানির প্রকল্পে মেয়াদ শেষ এখনো পানি পাইনি কেউ বিল উত্তোলনের চেষ্টা লতাচাপলিতে ২ কোটি ৯২ লাখ টাকার ব্রিজ—রাস্তা নেই, ৭ বছর ধরে চরম ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ মান্দায় ভূমি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে গণশুনানি, আংশিক খাজনার প্রস্তাব ইউএনওর মান্দায় ৬২০০ লিটার অবৈধ ডিজেলসহ লরি জব্দ: আটক ২ মান্দায় ডাসকোর আয়োজনে সুশীল সমাজ সংগঠনের ষান্মাসিক সভা