খুঁজুন
বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯ বৈশাখ, ১৪৩৩

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক।

জুবায়ের আহমেদ রাসেল
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬, ১:৩১ অপরাহ্ণ
নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক।

নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি শেরপুরের মধুটিলা ইকোপার্ক। এখানকার শাল-গজারি আর নানা প্রজাতির গাছগালি ঘেরা উঁচু-নিচু টিলা ও পাহাড় ভ্রমণ পিপাসুদের মন সহজেই কেড়ে নেয়। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অন্যতম একটি বিনোদন কেন্দ্র হলো ‘মধুটিলা ইকোপার্ক’। ৩৮৩ একর আয়তনের এ বনকে ১৯৯৯ সালে পরিবেশ-উদ্যান বা ইকোপার্ক ঘোষণা করা হয়।

গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকার এ ইকোপার্কটি সবসময় ভ্রমণ পিপাসুদের পদচারণায় মুখর থাকে। প্রতি বছর শীত মৌসুমে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহর থেকে শিক্ষা সফর ও বনভোজনে বাস, প্রাইভেট কার মাইক্রোবাসে করে বিপুলসংখ্যক ভ্রমণপিপাসু বেড়াতে আসে।

মধুটিলায় কি কি দেখবেন:

উঁচু-নিচু পাহাড়ি টিলা ও ছোট ছোট ঝরনার বয়ে যাওয়া পানির কলকল শব্দ। সেই সঙ্গে ওইসব পাহাড়ি টিলার ওপর শত শত বছর ধরে বসবাসকারী নৃ-ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর নানা সম্প্রদায়দের লোকদের সংস্কৃতি ও জীবন-জীবিকা।

পার্কের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই চোঁখে পড়বে সারি সারি গাছ। রাস্তা থেকে ডানপাশে খোলা প্রান্তর, আর দুই পাশে রকমারি পণ্যের দোকান এবং পাহাড়ি ঢালুর আঁকাবাঁকা রাস্তা। এরপর যত এগোনো যাবে ততই মন ভরে যাবে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। পথে বুনো গাছপালার ফাঁকে ফুটে আছে হরেক রকমের বুনোফুল, আর তাতে বাহারি প্রজাপতির বিচরণ। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে ঝোপঝাড়ে দেখা মিলবে হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, হ্রদের ধারে কুমির, ব্যাঙ আর মৎস্যকন্যার অতি চমৎকার সব ভাস্কর্য।

ওয়াচ টাওয়ারে উঠে ভারতে অবস্থিত উঁচু উঁচু পাহাড় আর সীমান্তবর্তী সবুজ গারো পাহাড় দেখতে পাবেন। ভাগ্য ভালো হলে ওয়াচ টাওয়ার থেকেই মিলতে পারে বুনোহাতির দলের দেখা। হাতিরা সাধারণত শেষ বিকেলে অথবা সন্ধ্যায় গভীর অরণ্য থেকে নেমে আসে।

বিভিন্ন রাইড নিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা করে গড়ে তোলা হয়েছে শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য শিশুপার্ক। এছাড়া এখানে রয়েছে ডিসপ্লে মডেল, তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিং জোন, ক্যানটিন, মিনি চিড়িয়াখানা। ওষুধি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রজাতির বৃক্ষ, মৌসুমী ফুলসহ বিভিন্ন রঙের গোলাপের বাগান। রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পটও। পার্কটিতে জীববৈচিত্রও প্রাণির সমাহারও চোখে পড়বে।

মধুটিলায় দিনে বেলা ব্যবহারের জন্য ভ্রমণকারীদের জন্য রয়েছে মহুয়া রেস্টহাউস। তবে এখানে রাত্রিযাপন করা যায় না এবং রেস্টহাউস ব্যবহার করতে চাইলে শেরপুর ডিসি অফিস থেকে অনুমতি নিতে হয়।

প্রবেশ ফি:

মধুটিলা ইকোপার্কে প্রবেশ টিকেটের মূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা। ওয়াচ টাওয়ারে উঠার ফি জনপ্রতি ১০ টাকা। বিভিন্ন রাইডের টিকেট মূল্য ২০-১০০ টাকা।

মধুটিলায় যেভাবে আসবেন :

ঢাকা থেকে মধুটিলা ইকো পার্কে যেতে ময়মনসিংহ হয়ে যাতায়াত করা সবচেয়ে সুবিধাজনক। ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ড্রিমল্যান্ড বা স্পেশাল বাসে করে শেরপুর আসতে জনপ্রতি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা ভাড়া লাগবে। তবে মহাখালী থেকে দুপুর ২টায় শেরপুর যাওয়ার এসি বাস পাবেন, এসি বাসের ভাড়া জনপ্রতি ৬০০ টাকা। এছাড়া ঢাকার কমলাপুর থেকে ময়মনসিংহ হয়ে জামালপুর পর্যন্ত ট্রেনে আসতে পারেন। এরপর জামালপুর স্টেশন থেকে ২০ টাকা ভাড়ায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় করে শেরপুর-জামালপুর ব্রিজে আসতে হবে। পরে সিএনজি ও অটোরিকশায় করে শেরপুর আসা যায়। ভাড়া জনপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। জামালপুর থেকে শেরপুরের দূরত্ব মাত্র ১৫ কিলোমিটার এবং মাত্র ২০ থেকে ২৫ মিনিটের পথ।

শেরপুর বাসস্ট্যান্ড হতে জনপ্রতি ১০ টাকা অটো রিকশা ভাড়ায় খোয়ারপাড় শাপলা চত্বর আসতে হবে। শাপলা চত্বরে মধুটিলা ইকো পার্কে যাওয়ার জন্য অটো/সিএনজি রিজার্ভ পাওয়া যায়। সারাদিনের জন্য মধুটিলা ইকোপার্ক ঘুরে আসার অটোরিকশা বা সিএনজি ভাড়া ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা। প্রতি অটোরিকশায় ৬/৭ জন এবং সিএনজিতে ৫ জন ওঠা যায়।

এছাড়া শেরপুর পৌরপার্ক থেকে মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট গাড়ি রিজার্ভ করে মধুটিলা ইকো পার্কে যেতে খরচ হবে ৩০০০ থেকে ৫০০০ টাকা।

কোথায় থাকবেন :

নালিতাবাড়ী উপজেলা ডাকবাংলো এবং বনবিভাগের একটি রেস্ট হাউজ আছে। এগুলোতে পূর্ব অনুমতি নিয়ে থাকতে পারবেন। এছাড়া শেরপুর জেলায় ৫০০ থেকে ৮০০ টাকায় সাধারণ মানের গেস্ট হাউজের পাশাপাশি ১০০০ থেকে ১৫০০ টাকায় বেশকিছু আধুনিক মানের হোটেল রয়েছে। পাশাপাশি শেরপুরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, সার্কিট হাউজ, এলজিইডি, কৃষি ইনিস্টিটিউট এবং পল্লিবিদ্যুতের পৃথক পৃথক রেস্ট হাউজ রয়েছে। মধুটিলা ইকো পার্কে রেস্ট হাউসে শুধু মাত্র দিনের বেলায় বিশ্রাম নিতে চাইলে জেলা বা উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে প্রতিটি কক্ষের জন্য ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা ভাড়া দিতে হতে পারে।

এছাড়াও যেসব জায়গায় থাকতে পারবেন। সার্কিট হাউজ। হোটেল সম্পদ প্লাজা, রঘুনাথ বাজার, শেরপুর। হোটেল অবকাশ, নিউ মার্কেট, শেরপুর। হোটেল আয়সার ইন ,রঘুনাথ বাজার, শেরপুর। হোটেল ফ্রিডম, শহীদ বুলবুল সড়ক, শেরপুর। আরাফাত গেস্ট হাউজ, বটতলা, মেঘনা হল মার্কেট, শেরপুর।

কোথায় খাবেন :

খেতে চাইলে শেরপুর জেলা শহরের হোটেলগুলো সবচেয়ে ভালো। বিশেষ করে শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় হোটেল শাহজাহান, হোটেল স্টার, আলীশান ছাড়াও হোটেল আহার, হোটেল মান্নান এবং হোটেল প্রিন্সে যেতে পারেন। এছাড়া নালিতাবাড়ী উপজেলা বাজারে বেশ কয়েকটি ভালোমানের হোটেল রয়েছে। পাশাপাশি মধুটিলা ইকো পার্কের গেইটের সামনে খাবারের হোটেলগুলোও বেশ উন্নতমানের ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। এখানে রয়েছে সাদা ভাত, ডিম, মুরগির মাংস, গরুর মাংস, ছোট মাছসহ দেশিয় প্রায় সব ধরনের ভর্তা ও ভাজি।

নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

নওগাঁ প্রতিনিধি:
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

আজ বুধবার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে

বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।

অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট একাউন্টেন্ট গোলাম মোস্তফা।

শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩৪ অপরাহ্ণ
শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন।

 

​মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হরিদাসদী-মহেন্দ্রদী ইউনিয়নে কুমার নদের তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েকদিনের ভাঙনে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়া এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুজন হোসেন এর বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। আকস্মিক এই ভাঙনে ঘরবাড়ি হারিয়ে বর্তমানে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তিনি।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরেই ওই এলাকায় নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। তবে সম্প্রতি ভাঙনের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ায় মোঃ সুজন হোসেন এর পৈত্রিক ভিটা ও বসতঘর নদীগর্ভে চলে যায়। ঘরটি সরিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সময় না পাওয়ায় আসবাবপত্রসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

​ক্ষতিগ্রস্ত মোঃ সুজন হোসেন জানান ​”চোখের সামনেই নিজের ভিটেমাটি নদীতে চলে যেতে দেখলাম, কিছুই করার ছিল না। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো, তা জানি না। সব হারিয়ে আমি এখন নিঃস্ব।”

​শুধু মোঃ সুজন হোসেন নন, ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন ওই এলাকার আরও বহু পরিবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে হরিদাসদী দক্ষিণ পাড়ার আরও অনেক ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি কুমার নদে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
​প্রশাসনের ভূমিকা
​এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষয়ক্ষতির তালিকা নিরূপণ করে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ত্রাণ নয় বরং স্থায়ী সমাধান হিসেবে নদী শাসনের ব্যবস্থা করা হোক।
​সব হারিয়ে মোঃ সুজন হোসেন এই চরম দুর্দশা নিরসনে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

নওগাঁর আত্রাই স্কুল পর্যায়ে রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ, ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা ​রাজৈরে কুমার নদের ভাঙনে দিশেহারা মোঃ সুজন হোসেন বসতভিটা বিলীন। নিয়ামতপুরে চার খুনের মামলায় গ্রেফতার ৩ একসঙ্গে জন্ম নেয়া তিন বোন এসএসসি পরিক্ষায় অংশ গ্রহণ