মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে কবি জীবনানন্দ দাশের স্মৃতি বিজরিত ধানসিঁড়ি নদীর তীরে “কবি জীবনানন্দ দাশ সংগ্রহশালা ও পাঠাগার প্রাঙ্গণে ও উপজেলা মডেল মসজিদ সংলগ্ন ও রাজাপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে নারিকেল গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এছাড়াও রাজাপুর উপজেলার ২৪৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঝে ১হাজার ৫শ’ নারিকেল গাছের চারা বিতরন করেন অতিথিরা। অনুষ্ঠানে রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, রাহুল চন্দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল অঞ্চলের উপ-মহাব্যাস্থাপক এবং অঞ্চল প্রধান মোঃ রুহুল আমিন।
নওগাঁর ধামইরহাটে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে ন্যাশনাল পেট্রোল পাম্পে তেল পাচারের গুঞ্জনের সংবাদ প্রচারের জন্য গেলে সেখানে তাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করা করে স্থানীয় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী, ভাংচুর করা হয় মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়েছে ৪০ হাজারের অধিক টাকা। এই ঘটনায় ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছে উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক। উপজেলার এই সিনিয়র সাংবাদিকের গায়ে হামলার প্রতিবাদে ফুসে ওঠে ধামইরহাটের সাংবাদিক সমাজ, তীব্র প্রতিবাদে সরগড়ম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
জানা গেছে, ধামইরহাট পুর্ব বাজারে ন্যাশনাল পেট্রোলিয়াম এন্ড ফিলিং স্টেশনে তেলবাহী লড়িতে পাম্প মালিক কর্তৃক কিছু তেল রেখেই তা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে এমন খবরের গুঞ্জনে ও স্থানীয়দের আহবানে ২২ এপ্রিল সকাল ৮ টায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান দৈনিক ভোরের দর্পন ও সকালের সময়ের ধামইরহাট প্রতিনিধি ও উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক এম এ মালেক। সেখানে স্থানীয়দের বক্তব্য প্রচার করছিলেন তিনি। এ সময় পাম্পের পেটোয়া বাহিনী বড় চকগোপাল গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে আবু সুফিয়ান পান্না সাংবাদিক এম এ মালেকের উপর চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি মারতে থাকে, এক পর্যায়ে হামলাকারি পান্নার নেতৃত্বে আরও ৮/৯ জন তাকে এলোপাতাড়ী ভাবে মারপিট করে সাংবাদিকের মোবাইল ফোন ভেঙ্গে দেয় ও তার কাছে থাকা প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকাও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ধামইরহাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে দেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী এম এ মালেক বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় এজাহার দায়ের করেন।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনা দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।
আজ বুধবার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে স্কুল পর্যায়ে “প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকারি উদ্যোগের চেয়ে জনসচেতনতাই অধিক গুরুত্বপূর্ণ” বিষয়ে
বিতর্ক এবং “প্রাকৃতিক দূর্যোগ” বিষয়ে রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর জি.এস উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করে বিএমজেড এবং নেট্জ বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ডাসকো ফাউন্ডেশনের অগ্রযাত্রা প্রকল্প। স্কুলের স্টুডেন্ট ফোরামের সদস্যগণ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে।
অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মাহবুবুর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বিতার্কিকদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন এবং অগ্রযাত্রা প্রকল্পের এ্যাডভোকেসি ফ্যাসিলিটেটর গোলাম রাব্বানী প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক, সহকারী শিক্ষকমন্ডলীগণ এবং ইউনিট একাউন্টেন্ট গোলাম মোস্তফা।
শেরপুর সদর উপজেলার বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে অবৈধভাবে মজুদের উদ্দেশ্যে নেওয়ার সময় ৮৩৫ লিটার ডিজেল জব্দ করেছে পুলিশ। এ সময় একটি ব্যাটারিচালিত অটোভ্যানসহ চারটি ড্রাম তেল জব্দ করা হয়। ঘটনায় ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করা হলেও পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত প্রায় ১২টার দিকে বাবর ফিলিং স্টেশন থেকে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে করে চারটি ড্রামে প্রায় ৮৩৫ লিটার ডিজেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। এ সময় শেরপুর সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ভ্যানসহ তেল জব্দ করে এবং ফিলিং স্টেশনের দুই কর্মচারীকে আটক করে। আটকরা হলেন সদর উপজেলার ছয়ঘড়িপাড়া গ্রামের শাজাহান আলীর ছেলে রবিন এবং গৌরীপুর এলাকার হরমুজ আলীর ছেলে জিয়াউর রহমান।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকারের নেতৃত্বে বাবর ফিলিং স্টেশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় আগের রাতে জব্দ করা তেল ও আটক দুই কর্মচারীকে সেখানে নেওয়া হয়। পরে অবৈধভাবে তেল মজুদের উদ্দেশ্যে বহনের অপরাধে বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বে থাকা ফজলুল হকের নামে এই জরিমানা আরোপ করা হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারায় এ দণ্ড দেওয়া হয়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহেল রানা বলেন, গত রাতে চার ড্রাম তেলসহ একটি ভ্যান আটক করা হয়েছে। পরে সেগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রমের জন্য ফিলিং স্টেশনে নেওয়া হয়। আদালত বাবর ফিলিং স্টেশনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। এছাড়া জব্দকৃত তেল খোলা বাজারে বিক্রি করে সেই অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও জানান, জরিমানা পরিশোধের পর আটক রবিন ও জিয়াউর রহমানকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
শেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার (এনডিসি) রাজিব সরকার বলেন, বাবর ফিলিং স্টেশনে অবৈধ তেল মজুদের অভিযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি জব্দকৃত ৮৩৫ লিটার ডিজেল উন্মুক্তভাবে বিক্রি করে ৯৬ হাজার ৪২৫ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অবৈধভাবে জ্বালানি মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন